এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > হাওড়া-হুগলি (Page 2)

না চাষ, না শিল্প, ধুঁকছে সিঙ্গুর, কি বলছে এলাকাবাসী!

সিঙ্গুর। শুধু একটা নাম নয়, এর পেছনে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতায় আসার বিস্তর কাহিনী রয়েছে। 2011 সালের আগে তৎকালীন রাজ্যের বাম সরকার এই সিঙ্গুরে শিল্প স্থাপনের উদ্দেশ্যে টাটাদের নিয়ে আসলে অনিচ্ছুক কৃষকদের জমি দখল করে কোনোমতেই শিল্প করা যাবে না বলে সেখানে প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী

রথের মেলায় পথ হারালেন বঙ্কিমের কপালকুণ্ডলা, খোঁজ মিলল শরতের রাধারাণীর – ফের বিতর্কিত মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতায় নতুন তথ্যের উপস্থাপনা। গত 4ঠা জুলাই প্রভু জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষে হুগলির শ্রীরামপুর মাহেশে উৎসবের শুভ সূচনা করেন মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী। রথের রশিতে টান দিয়ে তিনি এই উৎসবের উদ্বোধন করেন, বক্তৃতাও রাখেন। তিনি বলেন যে, "এই মাহেশের রথেই গিয়েছিলো কপালকুণ্ডলা উপন্যাসে আপনারা জানেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্ট্যোপাধ্যায় যে কপালকুণ্ডলা উপন্যাস লিখেছিলেন তাতে রাধারানী

হারানো জমি পুনরুদ্ধারে নয়া পরিকল্পনা তৃণমূলের , জানুন বিস্তারিত

লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্লোগান ছিল 42 এ 42। কিন্তু বাস্তবে তৃণমূল নেত্রীর সেই শ্লোগান পরিপূর্ণতা পায়নি। উল্টে গত 2014 সালে বাংলা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস 34 টা আসন পেলেও এবার তা থেকে কমে তাদের আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে 22 টিতে। অন্যদিকে বিজেপি 2 থেকে তাদের আসন সংখ্যা 18 করে নিয়েছে। এদিকে দলের

বিজেপিকে ‘মাস্টারস্ট্রোক’ মমতার? পিছনেও কি হাত প্রশান্ত কিশোরের? জল্পনা তুঙ্গে

লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পরই তৃনমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিতে শুরু করে কিছু যুবক। আর এই ঘটনার পরই প্রবল ক্ষুদ্ধ হতে দেখা যায় তৃনমূল নেত্রীকে। গাড়ি থেকে নেমে এসে তাকে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়ে গালাগালি দেওয়া হচ্ছে বলে সোচ্চার হন। আর এই ঘটনা নিয়েই

কেন পদ হারালেন তৃণমূলের হেভিওয়েট মন্ত্রী, পিছনে কি প্রশান্ত কিশোর – জল্পনা তুঙ্গে

লোকসভা নির্বাচনে খারাপ ফল হওয়ার পর বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা শোনা যাচ্ছিল। অবশেষে তা বাস্তবায়িত হল। হুগলি জেলা তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকে সরানো হল তপন দাশগুপ্তকে। তপনবাবুকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় বসানো হয়েছে দিলীপ যাদবকে। এর আগে তৃণমূলের কার্যকরি সভাপতি হিসেবে আরামবাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি সাংগঠনিক শক্তি বাড়িয়ে জেলায় ঘুরে

জেনে শুনেই কি বিষ পান করতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, জেনে নিন বিস্তারিত

এই প্রথম রথের রশিতে টান দিতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, হিন্দু ভোটকে টানতেই এই কৌশল দাবি বিরোধীদের।এবারের লোকসভা ভোটে তৃণমূলকে কিছুটা চাপে ফেলে দিয়ে বিজেপি 18 টি আসন নিজেদের দখলে রেখে ঘাসফুল শিবিরের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে। আর বাংলায় বিজেপির এই উত্থানের পরই জয় শ্রীরাম স্লোগানকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপ

সরকারি অনুষ্ঠান মঞ্চেও তৃণমূল-বিজেপি ভাগাভাগি? বিজেপি সাংসদ আসার খবরে মঞ্চ ছাড়লেন সরকারি আধিকারিকরা

রাজ্যের শাসক দলের ক্ষমতায় তৃণমূল থাকলেও বিভিন্ন জায়গায় বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিরা জয়লাভ করা সত্ত্বেও তাদের ঠিকমতো সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করা হয় না বলে বিভিন্ন সময়ই অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি এক্ষেত্রে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে শাসকের বিরুদ্ধে সরব হতেও দেখা গেছে বিরোধীদের। আর এই পরিস্থিতিতে এবার হুল দিবসের অনুষ্ঠান মঞ্চে সেই শাসক-বিরোধী

উলটপুরাণ রাজ্যে, বিজেপির সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল তৃণমূল

এতদিন শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধেই সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে পথে নামতে দেখা যেত বিরোধী দল বিজেপিকে। কিন্তু এবার যেন উল্টো ঘটনা ঘটতে ঘটতে দেখা গেল রাজ্যে। লোকসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের ভরাডুবি এবং বিজেপির উত্থান ঘটলে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ তুলেছিল শাসক দল। যা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন,

এবার কি বিজেপির পথে পা বাড়ালেন ব্রাত্য হয়ে থাকা এই তৃনমূল হেভিওয়েট বিধায়ক, মন্তব্য নিয়ে জল্পনা

লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির উত্থানের পর থেকেই রাজ্যের একাধিক তৃণমূল বিধায়ক এবং তৃণমূল কাউন্সিলররা সবুজ জার্সির বদলে গায়ে গেরুয়া জার্সি পরতে শুরু করেন। এমনকি জল্পনা বাড়িয়ে ভবিষ্যতে আরও বেশকিছু কাউন্সিলার বিজেপিতে নাম লেখাবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপি হেভিওয়েট নেতারা। আর এই পরিস্থিতিতে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্দিনের সৈনিক হিসেবে পরিচিত সিঙ্গুরের তৃণমূল

মমতাকে স্বস্তিতে ফেলে বিজেপির সুরে মেলালেন তৃণমূল বিধায়ক, শোরগোল রাজ্যে

একসময় বামেদের সরানোর জন্য তৎকালীন টাটা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই এবং অনশণ করে অনিচ্ছুক কৃষকদের জমিতে কোনো মতেই শিল্প করতে দেওয়া হবে না বলে সিঙ্গুরের মানুষদের পাশে থাকার শপথ নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলস্বরূপ 2011 সালের বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের সরিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল সরকার। আর এরপর বহু বছর কেটে গেছে। কিন্তু এবার লোকসভা

Top
error: Content is protected !!