এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বর্ধমান

মমতা বন্দোপাধ্যায় সরকারের এক্সপায়ারি ডেট চলে এসেছে – জল্পনা বাড়ালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

রাজনৈতিক মঞ্চে দুই যুযুধান শিবির বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেস। একটা সময় ভোটে দাঁড়িয়ে বাংলার বুকে বিজেপির জামানত জব্দ হয়েছিল। কিন্তু কালক্রমে বিজেপি নিজেদের সাংগঠনিক জোরের ভিত্তিতে 2019 সালের লোকসভা ভোটে একটা উল্লেখযোগ্য জায়গায় নিয়ে যায় নিজেদের। পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা ভোটে বিজেপি তৃণমূলকে রীতিমত কোণঠাসা করে দেয়। আর এবার 202 এর বিধানসভা

শাসক দলের ছত্রছায়ায় থেকে গর্হিত অপরাধ থেকে নিঃশর্ত মুক্তি ? অভিযোগ এমনটাই,শোরগোল রাজ্যে

রাজনৈতিক মঞ্চে ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব অনেক ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করা যায়। যেকোনো রকম ঘটনায় ক্ষমতার প্রভাবে আইনের হাত এড়িয়ে যায় ক্ষমতাসীন দল। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে তৃণমূল শাসিত সরকার। আর শাসক সরকারের প্রভাব খাটিয়ে অনেক বড় বড় অপরাধ থেকে গা বাঁচানো যায়। সেরকমই একটি ঘটনার সাক্ষী রইল পূর্ব বর্ধমান ।  অভিযোগ পূর্ব বর্ধমানের

বিজেপি নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার তাজা বোমা, অস্বস্তি গেরুয়া শিবিরে-পাল্টা অভিযোগের তীর শাসকশিবিরের দিকে

লোকসভা পরবর্তীকালে রাজনৈতিক হানাহানি, খুনোখুনি যত দিন যাচ্ছে কমার বদলে তা বেড়েই যাচ্ছে। এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনও সঠিক দিশা দেখাতে পারছে না। উপরন্তু অশান্তির আবহ তৈরীর জন্য বোমাবাজি তো আছেই। রাজনৈতিক দলগুলি এলাকা দখলের লক্ষ্যে বোমাবাজিকে কাজে লাগাচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। পশ্চিমবঙ্গের মূল বিরোধী দল বিজেপি। এবার এক বিজেপি নেতার

বিজেপি কর্মী “বেশি প্রতিবাদ” করায় বাড়িতে বোমা রেখে পুলিশ দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ!

রাজ্যে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে বলে মাঝেমধ্যেই অভিযোগ তুলে সরব হতে দেখা যায় রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপিকে। এমনকি অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতা কর্মীরা প্রতিবাদ করলে তাদের মিথ্যে মামলা দিয়ে জেলে পোরা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন বিজেপির ছোটো, বড়, মেজো সমস্ত নেতারা। কিন্তু বিজেপির তরফে এই যাবি তোলা হলেও বারবারই

পুজোর মধ্যেই ধর্না নাটকের শাসক দলকে ব্যতিব্যস্ত করে তুললেন দলীয় বিধায়ক-কাউন্সিলর!

এমনি সময় প্রায় বিভিন্ন জায়গাতেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু পুজোর সময় যেখানে সৌজন্যের বাতাবরণের মধ্যে দিয়ে শারদ উৎসব পালন করার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী, সেখানে তা না করে ফের শাসকদলের কোন্দলের ছাপ পড়ল সেই দুর্গাপুজোতেও। মহা ষষ্ঠীর দিনে মায়ের বোধনে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে

বাবুল হেনস্থাকারীকে মারধরের দায়ে গ্রেপ্তার ৯, দেবাঞ্জনকে বিশেষ পুলিশি পাহারা!

বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়কে হেনস্থার ঘটনায় বেশ কিছুদিন আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। আর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ঘটনার আঁচ এসে পড়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, সেই ঘটনা ততই বাঁক নিতে শুরু করেছে। জানা যায়, বাবুল সুপ্রিয়কে হেনস্তার ঘটনায় যে দেবাঞ্জন বল্লভের নাম জড়িয়েছিল, এবার সেই দেবাঞ্জন বল্লভকে

পুজোতে বিদেশে বিজেপি সাংসদ, দলীয় নেতা-মন্ত্রীদের ময়দানে নামিয়ে বাজিমাতের চেষ্টায় তৃণমূল

পুজোকে কেন্দ্র করে জনসংযোগে অবতীর্ণ হতে এবার মরিয়া হয়ে উঠেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিরোধী দল বিজেপি। দুই দলই তাদের দলীয় জনপ্রতিনিধিদের এলাকায় পড়ে থেকে বেশি করে জনসংযোগের নির্দেশ দিয়েছে। কাজেই সেই জনসংযোগের জন্য শারদ উৎসবে একে অপরকে বিন্দুমাত্র জায়গা ছাড়তে নারাজ দুই পক্ষই। তবে এবার তৃণমূলকে 'জায়গা

দলীয় নেতৃত্বের উপর আস্থা হারিয়েছে – প্রকাশ্যে জানিয়ে জল্পনা বাড়ালেন এই তৃণমূল বিধায়ক!

তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভের আঁচ অনেক জায়গাতেই পাওয়া গেছে। কিন্তু এবার দলের অন্দরেই এই ক্ষোভের প্রকাশ হলো। এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল যথেষ্ট চাপে রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। একদিকে সারদা আর একদিকে নারদা তদন্ত তৃণমূলকে বেশ কোণঠাসা করে তুলেছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। ঠিক এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে

হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল মঞ্চ! অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা রাজ্যের মন্ত্রী সহ হেভিওয়েট তৃণমূল নেতাদের

বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত ত্রুটির অভাব যে রাজ্যে দিনকে দিন বাড়ছে, তা এদিনের ঘটনা থেকে ফের স্পষ্ট হয়ে গেল। সূত্রের খবর, বুধবার কাটোয়া শহরে পশুদের জন্য তৈরি মাল্টি ডিসিপ্লিনারি ভেটেরিনারি হাসপাতালের উদ্বোধন করতে বেলা 11 টা নাগাদ সেখানে আসেন মন্ত্রী স্বপন

বাবুলকে যাদবপুরে হেনস্থা করা দেবাঞ্জনকে তার নিজের এলাকায় বাস থেকে নামিয়ে নিগ্রহের অভিযোগ

ঘটনার পর এত দিন পেরিয়ে গেলেও যাদবপুর ঘটনার স্থায়িত্ব কিন্তু এখনো রয়ে গেছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি যাদবপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ছাত্রদের দ্বারা নিগৃহীত হন। দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার পরেও তিনি যখন ছাত্র-ছাত্রীদের ঘেরাওয়ের হাত থেকে মুক্তি পান না, সেসময় তাকে মুক্ত করতে ময়দানে নামেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। যা নিয়েও চূড়ান্ত

Top
error: Content is protected !!