এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য

বড়সড় চমক দিয়ে মুকুল রায়ের ঘোষণা – নভেম্বরেই বিজেপি সরকার! দল ছাড়ছেন ১০০ এর বেশি বিধায়ক?

এই নির্বাচন যতই বাংলার প্রেক্ষাপটে মোদী বনাম দিদি হিসাবে দেখানো হোক - গোটা নির্বাচন পর্বটাই একই সরগরম করে রেখেছেন যিনি তাঁর নাম নিঃসন্দেহে মুকুল রায়। সদ্য তৃতীয় দফার ভোট শেষ হয়েছে - আর তারপরেই বিস্ফোরক দাবি করেছেন মুকুল রায়। তিনি এদিন দাবি করেন যে, মোট তিন দফার ভোটের শেষে ১০

মালদা উত্তরে ঘন্টা দুয়েক “অস্বাভাবিক ভোট বৃদ্ধি”, “ছাপ্পার” গন্ধে নতুন করে ভাবাচ্ছে সব দলকেই

বঙ্গ রাজনীতিতে প্রায় সমস্ত রাজনৈতিক দলই ভোটের মরসুম আসার সময় একে অপরের বিরুদ্ধে ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। মূলত শাসকের বিরুদ্ধেই এই অভিযোগ তুলতে দেখা যায় বিরোধীদের। ইতিমধ্যেই বাংলায় তিনটি দফায় মোট দশটি লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। প্রথম দুই দফায় প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় গণতন্ত্র প্রহসনে পরিণত হয়েছে বলে

মালদা দক্ষিণ তুমি কার? কেমন হল ভোট? ভোটের পর কি বলছেন বিরোধী প্রার্থীরা?

প্রথম দুই দফার ভোটের পর তৃতীয় দফার ভোটে ঠিক কি হয় তার দিকে নজর ছিল প্রায় প্রত্যেকেরই। কেননা এই তৃতীয় দফার ভোটে অন্যান্য কেন্দ্রের সঙ্গে মালদহ জেলার দুটি লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচন ছিল। যেখানে মালদার দক্ষিণ মালদহ লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা সন্ত্রাস কবলিত এলাকা বলেই বিভিন্ন সময় দাবি করতে দেখা গিয়েছিল

বালুরঘাট জুড়ে বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ, দাপিয়ে ভোট করে জয়ের আশায় তিন প্রার্থীই

তৃতীয় দফায় শান্তিপ্রিয় এলাকা বলে পরিচিত বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের নির্বাচনের দিকে নজর ছিল অনেকেরই। তবে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হতে না হতেই শাসক বনাম বিরোধী একে অপরের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে শুরু করল এই বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রে। সূত্রের খবর, বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রের কুশমন্ডি এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ এবং এই কেন্দ্রেরই বিজেপি প্রার্থী

বিজেপিকে বড় ধাক্কা দিয়ে মন্ত্রীর হাত ধরে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ কর্মীদের , জেনে নিন বিস্তারিত

রাজ্যে ক্রমশ শক্তি বৃদ্ধি করছে বিজেপি। শাসকদল তো বটেই অন্যদলেরও ঘর ভাঙছে তারা। কিন্তু এবার বিজেপিকে বড় ধাক্কা দিয়ে তাদের গড়ে হানা দিয়ে নিজেদের দল ভারী করলো তৃণমূল। মঙ্গলবার নয়াগ্রাম ব্লকের গোখুরপাল গ্রামে তৃণমূল প্রার্থী বীরবাহা সরেন টুডুর সমর্থনে এক নির্বাচনী সভায় যোগ দেন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। নির্বাচনী সভার পাশাপাশি নয়াগ্রামে

কেন্দ্রীয় বাহিনী দায়িত্ব নিতেই এলাকাছাড়া স্থানীয় “দাদারা”, মালদার “সন্ত্রস্ত” এলাকায় শান্তিতে ভোট

প্রায় প্রতিটি নির্বাচনেই মালদহের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসের আচ পাওয়া যায়। এবারেও তেমন আচই পাওয়া যাচ্ছিল। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে তৃতীয় দফার ভোটে সেই মালদহের সন্ত্রাস কবলিত এলাকাগুলিতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় বিন্দুমাত্র গন্ডগোলের দৃশ্যটুকুও দেখা গেল না। যা দেখে অনেকেই বলছেন, কতদিন পর যে মালদহের এই কালিয়াচকের মোজামপুর থেকে বৈষ্ণবনগর শ্মশানি পর্যন্ত বিস্তীর্ণ

বিমল গুরুংকে পাহাড়ে আরও কোণঠাসা করতে মমতা ঘনিষ্ঠকেই দার্জিলিং উপনির্বাচনের টিকিট

গত 2014 সালের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের প্রায় বেশিরভাগ আসন তৃনমুল নিজেদের দখলে রাখলেও দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্র দখল করেছিল বিজেপি। তাই এবারে সেই দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্র দখল করার জন্য সেই দার্জিলিংয়ের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা তথা দার্জিলিং বিধানসভার বিধায়ক অমর সিং রাইকে এই আসনে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। আর অমর সিং রাই লোকসভা

ভোটে ভোটারের প্রাণ যাবার পর কি আরও কড়া হবে নির্বাচন কমিশন? বাড়ছে বিরোধীদের ক্ষোভ

লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজবার বহু আগে থেকেই এবারের নির্বাচনে বাংলায় যাতে কোনোরুপ অশান্তি না হয়, তার জন্য প্রতি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখবার আর্জি জানিয়ে এসেছিল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। আর সেইমতো ভোট শুরুর পরে প্রথম দফার ভোট সম্পন্ন হতে না হতেই বিরোধীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় পরবর্তী

২৩ সে মে কি মুকুল রায়েরও ভাগ্যপরীক্ষা? কি চলছে রাজনৈতিকমহলে

তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড থাকার সময় শাসক দলের অন্দরে তাঁকেই "ভোট ম্যানেজার" বলে অভিহিত করত সকলে। তবে বেশ কিছুদিন হয়ে গেল সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ছায়াসঙ্গী মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। আর বিজেপিতে যাওয়ার পর থেকেই একের পর এক শাসকদলে ভাঙ্গন ধরিয়ে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতাদের হাতে গেরুয়া শিবিরের ধরিয়ে দিয়েছেন

তৃতীয় দফার ভোটে গেল প্রাণ, নির্বাচন কমিশন কি ব্যর্থ?

সাত দফার মধ্যে ইতিমধ্যেই তিন দফায় ভোট সম্পূর্ণ হয়েছে। প্রথম দফায় প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় গণতন্ত্র প্রহসনে পরিণত হয়েছে বলে পরবর্তী দফাগুলোতে যাতে প্রতি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায় তার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল বিরোধীরা। সেইমতো দ্বিতীয় দফায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে কিছুটা হলেও কড়া করেছিল কমিশন। এমনকি তৃতীয়

Top
error: Content is protected !!