এখন পড়ছেন
হোম > আন্তর্জাতিক

কাশ্মীরকে আরও রক্তাক্ত করার হুমকি হিজবুলের, প্রমাণ দেওয়া দূরের কথা পাকিস্তানের মুখোশ খুলতে উদ্যোগী ভারত

গত 14 ই ফেব্রুয়ারি কাশ্মিরের পুলওয়ামায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের নৃশংস হামলার পর এতদিন আত্মঘাতী হামলা থেকে দূরে থাকা হিজবুল মুজাহিদিন ফের নিজেদের লড়াইয়ের কৌশলে বদল আনতে চলেছে। জানা গেছে, কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে গাড়ি ভর্তি বিস্ফোরক রেখে সেখানে জওয়ানদের নিকেশ করেছে জয়েশ-ই-মহম্মদ। আর এই পাক জঙ্গী সংগঠনের এহেন সাফল্য

ঘরে বসেই ‘সাইবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকে’ পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়ে দিচ্ছেন ভারতীয় প্রযুক্তিবিদরা

ভারত পাকিস্তানকে উরি হামলার জবাব দিয়েছিল সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করে। পুলওয়ামা জঙ্গী হামলার পর একই দাবী তুলেছে আপামর দেশবাসী। ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গী সংগঠন জইস-ই-মহম্মদের হামলায় ৪৯ জন ভারতীয় সেনা জওয়ান শহীদ হওয়ার পর থেকেই বদলার আগুনে জ্বলছে গোটা দেশ। ভারত সরকারও পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিতে কোমর বেঁধে আসরে নেমে

ভারতের আক্রমণের ভয়ে থরথর করে কাঁপলেও মাসুদ আজহার, হাফিজ সঈদদের মত জঙ্গিদের ‘যখের ধনের’ মত আগলাচ্ছে পাকিস্তান

পুলওয়ামায় মর্মান্তিক জঙ্গী হামলা পর পাকিস্তানকে হাতে এবং ভাতে মারার মরিয়া চেষ্টা করে যাচ্ছে ভারত সরকার। সাম্প্রতিক কালের সবথেকে বড় হামলার খেতাব মিলেছে পুলওয়ামা জঙ্গী হামলার ঘটনাকে। কাপুরুষোচিত ভাবে হামলা চালিয়ে মোট ৪৯ জন সিআরপিএফ জওয়ানকে খুন করেছে পাকিস্তান,এমনটাই অভিযোগ। এই হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গী সংগঠন

সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কথা মুখে বললেও “দুমুখো” নীতি নিয়ে মাসুদ আজহারের নিরাপত্তা বাড়াল পাকিস্তান

"গাছেরও খাব, আবার তলারও কুড়োবো" - পাকিস্তানের এই দুমুখো নীতি নিয়ে এখন হতবাক অনেকেই। গত 14 ই ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় নৃশংস জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান ভারতের প্রায় 42 জন জওয়ান। যে ঘটনায় মুল অভিযোগ ওঠে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহারের দিকে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে

ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সুসম্পর্ক স্থাপনের জন্য উদ্যোগী হলেন খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

গত 14 ই ফেব্রুয়ারি পবিত্র ভালোবাসার দিনে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় জঙ্গিহানায় প্রাণ হারিয়েছেন ভারতবর্ষের প্রায় 42 জন জওয়ান। আর স্বাধীন ভারতবর্ষে এত বড় জঙ্গি হামলার ঘটনায় শোকাহত গোটা দেশ। ইতিমধ্যেই এই জঙ্গী হামলায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মদত দেওয়ার অভিযোগে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে ভারত। মোমবাতি থেকে শোক মিছিল

ভারতের ধুরন্ধর গোয়েন্দাদের চোখ এড়িয়ে কাশ্মীরে হামলা চালাতে জঙ্গিরা ব্যবহার করেছিল “ডার্ক ওয়েব!” সামনে এল চমকে দেওয়া তথ্য

কথায় আছে, "কেউ ডালে ডালে গেলে, কেউ পাতায় পাতায় চলে।" বর্তমানে বাংলার এই প্রবাদ-প্রবচণ অনুযায়ীই নিজেদের পথ অনুসরন করছে ভারতীয় ইন্টেলিজেন্স এবং পাকিস্তানের জঙ্গিরা। কিন্তু নিছকই এমনি কোনো কারনে যে এই প্রবাদ প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়েছে তা নয়। গত 14 ই ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে নৃশংস

পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান প্রমাণ চাইতেই পুলওয়ামা হামলায় পাক সেনাবাহিনীর যোগের প্রমাণ ছুঁড়ে মারল ভারত

গত 14 ই ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গী সংগঠনের পক্ষ থেকে এক নৃশংস হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ভারতের প্রায় 42 জন জওয়ান। আর এই ঘটনায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বদলার রাস্তায় হাঁটতেই হবে এই দাবি উঠেছে গোটা ভারতে। এমনকি সেনাবাহিনীর রক্তের মূল্য যে পাকিস্তানকে চোকাতে হবে সেই নিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিতে

ভারতের আক্রমণের ভয়ে থরহরিকম্প পাকিস্তান, মরিয়া হয়ে বাঁচার জন্য রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছে সাহায্য প্রার্থনা

গত 14 ই ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরে ভারতীয় জওয়ানদের উপর পাক মদতপুষ্ট জঙ্গী সংগঠনের হামলায় প্রাণ গিয়েছে দেশের প্রায় 42 জন সেনার। আর এই ঘটনার পর থেকেই সারা ভারতবর্ষে দাবি উঠেছে যে, এবার পাকিস্তানের প্রতি বদলা নিতেই হবে। আর দেশবাসীর এই আবেগকে মান্যতা দিয়ে কেন্দ্রের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংও

আমাদের আটকে না রেখে সাতদিন সময় দিন লাহোরে ঢুকে সব পাকিস্তানি সেনাদের মেরে আসব: ভারতীয় সেনাবাহিনী

গত 14 ই ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে এক নৃশংস হামলায় প্রাণ হারান দেশের প্রায় 40 জন জওয়ান। দেশের সেনাদের এই নৃশংস হত্যার পরই গর্জে ওঠে গোটা ভারতবর্ষ। মোমবাতি হাতে নিয়ে শোকমিছিল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি তোলা হয় যে,

পুরোদস্তুর যুদ্ধ এখনই নয়, ছোট ছোট আক্রমণে পাক জঙ্গিদের কোমর ভেঙে দেওয়ায় এখন মূল লক্ষ্য

গত 14 ই ফেব্রুয়ারি পবিত্র ভালোবাসার দিনে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গী সংগঠনের পক্ষ থেকে এক নৃশংস হামলায় প্রাণ গিয়েছে ভারতের প্রায় 42 জন জওয়ানের। আর প্রাণঘাতী এই হামলার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানকে কঠোর বদলা দিতেই হবে বলে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে উঠতে শুরু করেছে নানা দাবি। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে প্রায় প্রত্যেকেরই আবেদন

Top
Close
error: Content is protected !!