এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয়

ভোটে ভোটারের প্রাণ যাবার পর কি আরও কড়া হবে নির্বাচন কমিশন? বাড়ছে বিরোধীদের ক্ষোভ

লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজবার বহু আগে থেকেই এবারের নির্বাচনে বাংলায় যাতে কোনোরুপ অশান্তি না হয়, তার জন্য প্রতি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখবার আর্জি জানিয়ে এসেছিল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। আর সেইমতো ভোট শুরুর পরে প্রথম দফার ভোট সম্পন্ন হতে না হতেই বিরোধীদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় পরবর্তী

২৩ সে মে কি মুকুল রায়েরও ভাগ্যপরীক্ষা? কি চলছে রাজনৈতিকমহলে

তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড থাকার সময় শাসক দলের অন্দরে তাঁকেই "ভোট ম্যানেজার" বলে অভিহিত করত সকলে। তবে বেশ কিছুদিন হয়ে গেল সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ছায়াসঙ্গী মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। আর বিজেপিতে যাওয়ার পর থেকেই একের পর এক শাসকদলে ভাঙ্গন ধরিয়ে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতাদের হাতে গেরুয়া শিবিরের ধরিয়ে দিয়েছেন

তৃতীয় দফার ভোটে গেল প্রাণ, নির্বাচন কমিশন কি ব্যর্থ?

সাত দফার মধ্যে ইতিমধ্যেই তিন দফায় ভোট সম্পূর্ণ হয়েছে। প্রথম দফায় প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় গণতন্ত্র প্রহসনে পরিণত হয়েছে বলে পরবর্তী দফাগুলোতে যাতে প্রতি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায় তার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল বিরোধীরা। সেইমতো দ্বিতীয় দফায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে কিছুটা হলেও কড়া করেছিল কমিশন। এমনকি তৃতীয়

এবার আদালত অবমাননার দায়ে রাহুলকে নোটিস পাঠাল শীর্ষ আদালত

এবারের নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদির 'ট্যাগলাইন' ছিল 'ম্যায় ভি চৌকিদার হু' - আর নরেন্দ্র মোদিকে বেলাইন করতে গিয়ে পাল্টা রাহুল গান্ধী 'ট্যাগলাইন' বানান 'চৌকিদার চোর হ্যায়' - এতদূর পর্যন্ত বোধ হয় ঠিকই ছিল রাজনৈতিক যুদ্ধের পরিমন্ডলে। কিন্তু তারপরে রাহুল গান্ধী যেটা করলেন - তাতে বোধহয় নিজের রাজনৈতিক 'বালখিল্যতা' আবারো প্রকট

আজ নরেন্দ্র মোদীর জনসভায় বড় ধামাকা? বিজেপিতে যোগ কি একাধিক হেভিওয়েট বিধায়কের? জল্পনা তুঙ্গে

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েই রাজ্য-রাজনীতির অন্যতম হেভিওয়েট নেতা অর্জুন সিং দাবি করেছিলেন, শাসকদলের অন্তত ১০০ জন বিধায়ক দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে আছেন। অন্যদিকে কৈলাশ বিজয়বর্গীয় থেকে মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ থেকে সায়ন্তন বসু দাবি করেছিলেন আগামী ২৩ শে মে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল স্পষ্ট হয়ে গেলেই

 ভোটের মুখেই এবার সিপিআইএম নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরোধিতা করলেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের বিভিন্ন এজেন্সি দিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন সময়েই বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়ে প্রচারে ঝড় তুলতে দেখা যাচ্ছে সেই বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে। যা নিয়ে শাসক-বিরোধী তরজায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জাতীয় রাজনীতি। আর লোকসভা নির্বাচনে এই ইস্যুকে নিয়ে সরগরম হয়ে উঠছে সব মহল।

পরিবর্তন হবে দিল্লিতে-বিজেপির মৃত্যুঘন্টা বেজে গিয়েছে – ফের মোদিকে তোপ মুখ্যমন্ত্রীর

লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজার বহু আগে থেকেই কেন্দ্রের মসনদ থেকে বিজেপিকে সরানোর জন্য বিজেপি বিরোধী মহাজোটের প্রথম সলতেটা জ্বালিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। আর লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজার পর সেই কেন্দ্র বিজেপিকে সরিয়ে নতুন সরকার আনার জন্য বারে বারেই বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রে গিয়ে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার

শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে যোগী আদিত্যনাথের সভা, অথচ গরহাজির খোদ প্রার্থী! বিজেপি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে

অনেকে রসিকতা করে বলছেন, "বিয়ে হচ্ছে, অথচ সেখানে বরেরই দেখা নেই।" হয়তো ভাবছেন, কী প্রসঙ্গে এমন কথা বলছি! আসলে লোকসভা ভোটকে কেন্দ্র করে বর্তমানে হেভিওয়েটদের প্রচারে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বঙ্গ রাজনীতি। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে সোমবার বনগাঁ শহরের আরএস মাঠে বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে বিজেপির হেভিওয়েট উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ

“দিদির” রাগের কারণ সাংবাদিক বৈঠকে ফাঁস করলেন অমিত শাহ, 2011 তুলে বাড়ালেন অস্বস্তি

এবারের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় সাত দফায় নির্বাচন করা নিয়ে প্রথম থেকেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা নেত্রীদের। এমনকি সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক বাংলার বর্তমান পরিস্থিতিকে 10 বছর আগের বিহারের সঙ্গে তুলনা করায় তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। ক্ষোভে ফুঁসে সেই

কোনও চুরি-ডাকাতি করি না, বই লিখে – গানে সুর দিয়ে, লোকের বাড়ি থেকে একবেলা খেয়ে চলে যায়: মমতা ব্যানার্জি

লোকসভা নির্বাচনে এবার বিজেপি বাড়তি নজর দিয়েছে এই বাংলার দিকে। ইতিমধ্যেই বাংলায় এসে গেরুয়া ঝড় তুলে জোর প্রচার করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। আর যে সভা থেকে চিটফান্ড কেলেঙ্কারি, দুর্নীতি অনুন্নয়ন সহ একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেছে কেন্দ্রের শাসক

Top
error: Content is protected !!