এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর

বিধানসভার ওপিনিয়ন – এই মুহূর্তে ভোট হলে কি হতে পারে পূর্ব-বর্ধমান জেলার চিত্র?

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ - সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের পর - আরও জমজমাট বঙ্গভূমির রাজনৈতিক লড়াই। একদিকে, লোকসভায় ১৮ টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে গেরুয়া শিবির তাল ঠুকছে, এবার তাদের লক্ষ্য নবান্নের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া। অন্যদিকে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরেছেন দলের সাংগঠনিক হাল, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রশান্ত কিশোরের মস্তিস্ক। এই পরিস্থিতিতে নিঃসন্দেহে

বিধানসভার ওপিনিয়ন – এই মুহূর্তে ভোট হলে কি হতে পারে ঝাড়গ্রাম ও পুরুলিয়া জেলার চিত্র?

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ - সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের পর - আরও জমজমাট বঙ্গভূমির রাজনৈতিক লড়াই। একদিকে, লোকসভায় ১৮ টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে গেরুয়া শিবির তাল ঠুকছে, এবার তাদের লক্ষ্য নবান্নের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া। অন্যদিকে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরেছেন দলের সাংগঠনিক হাল, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রশান্ত কিশোরের মস্তিস্ক। এই পরিস্থিতিতে নিঃসন্দেহে

একাধিক মানবিক দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা, ঘুম উড়তে চলেছে রাজ্য সরকারের?

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ - রাজ্যের প্রায় ২ লক্ষ ৩২ হাজার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকাদের স্বার্থরক্ষায় একাধিক মানবিক দাবি জানিয়ে গতকাল হাওড়ার পাঁচলায় প্রায় ঘন্টা চারেক জাতীয় সড়কের পাশে অবস্থান বিক্ষোভ করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করলেন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা ঐক্যমঞ্চ। সংগঠনের তরফে অন্যতম উপদেষ্টা সুবীর

একাধিক হেভিওয়েটের মুখে নাম উঠে আসতেই অস্বস্তি বাড়িয়ে আবার সারদায় মুকুল রায়কে সিবিআইয়ের সমন

রাজ্য-রাজনীতিতে অন্যতম চর্চিত বিষয় সারদা কান্ড - আর সেই সারদা কাণ্ডে আবার অস্বস্তি বাড়ল বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের। একসময় জল্পনা ছড়িয়েছিল সারদা মামলায় গ্রেপ্তার হতে পারেন তিনি, এমনকি কলকাতার বুকে দাঁড়িয়েই তৎকালীন বঙ্গ-বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সিদ্ধার্থনাথ সিংহ ডাক ছেড়েছিলেন - ভাগ মুকুল ভাগ! কিন্তু, তারপরে সিবিআইয়ের দীর্ঘ জেরার মুখোমুখি হলেও,

বিদেশী এজেন্সি দিয়ে প্রাণে মারার ছক দিলীপ ঘোষকে? তড়িঘড়ি কড়া ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

লোকসভা নির্বাচনের সময়েই গেরুয়া শিবির হুঙ্কার ছুঁড়েছিল - উনিশে হাফ আর একুশে সাফ! অর্থাৎ ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে অন্তত ২১ টি আসন জিতে নিয়ে, ২০২১ এর বিধানসভা নির্বচনে বাংলার মসনদ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে হঠানোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছিল বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস সেই দাবিকে প্রাথমিক ভাবে উড়িয়ে দিলেও, বিজেপির সেই

বিধানসভার ওপিনিয়ন – এই মুহূর্তে ভোট হলে কি হতে পারে পশ্চিম-মেদিনীপুর জেলার চিত্র?

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ - সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের পর - আরও জমজমাট বঙ্গভূমির রাজনৈতিক লড়াই। একদিকে, লোকসভায় ১৮ টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে গেরুয়া শিবির তাল ঠুকছে, এবার তাদের লক্ষ্য নবান্নের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া। অন্যদিকে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরেছেন দলের সাংগঠনিক হাল, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রশান্ত কিশোরের মস্তিস্ক। এই পরিস্থিতিতে নিঃসন্দেহে

বিধানসভার ওপিনিয়ন – এই মুহূর্তে ভোট হলে কি হতে পারে পূর্ব-মেদিনীপুর জেলার চিত্র?

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ - সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের পর - আরও জমজমাট বঙ্গভূমির রাজনৈতিক লড়াই। একদিকে, লোকসভায় ১৮ টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে গেরুয়া শিবির তাল ঠুকছে, এবার তাদের লক্ষ্য নবান্নের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া। অন্যদিকে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরেছেন দলের সাংগঠনিক হাল, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রশান্ত কিশোরের মস্তিস্ক। এই পরিস্থিতিতে নিঃসন্দেহে

বিধানসভার ওপিনিয়ন – এই মুহূর্তে ভোট হলে কি হতে পারে হুগলি জেলার চিত্র?

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া এক্সক্লুসিভ - সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের পর - আরও জমজমাট বঙ্গভূমির রাজনৈতিক লড়াই। একদিকে, লোকসভায় ১৮ টি আসন ছিনিয়ে নিয়ে গেরুয়া শিবির তাল ঠুকছে, এবার তাদের লক্ষ্য নবান্নের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া। অন্যদিকে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরেছেন দলের সাংগঠনিক হাল, সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রশান্ত কিশোরের মস্তিস্ক। এই পরিস্থিতিতে নিঃসন্দেহে

সায়ন্তন-দেবাশীষের হাত ধরে আরও শক্তিশালী গেরুয়া শিবির, বড় ভাঙন সরকারি কর্মচারীতে

ডিএ বা পে-কমিশন নিয়ে বঞ্চিত হতে হতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকা তো বটেই, বর্তমানে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অবস্থা কার্যত দেওয়াল ফুঁড়ে ঢুকে যাওয়ার মত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। আর এই 'অসহনীয়' অবস্থা থেকে বেরোতে এবং এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর 'অনমনীয়' অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ক্রমশ গেরুয়া শিবিরই হয়ে উঠছে

এবার কি জাতপাত মুছে ফেলে অভিন্ন হিন্দুকে এক ছাতার তলায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে?

বরাবরই দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল জাতীয় কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টি দুজনের মাথার উপরই 'পরিবারের' নিয়ন্ত্রণ লক্ষ্য করা যায়। কংগ্রেসের উপরে গান্ধী পরিবার আর ভারতীয় জনতা পার্টির উপরে সঙ্ঘ পরিবার। যেমন গান্ধী পরিবারের ইচ্ছা ভিন্ন কিছু সম্ভব নয় জাতীয় কংগ্রেসে, ঠিক তেমনই সঙ্ঘ পরিবার না চাইলে ভারতীয় জনতা পার্টিও

Top
error: Content is protected !!