এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > অপরাজিতা

গুরুদেব সহায় – ( লাভ স্টোরি ) – কলমে-অপরাজিতা -পর্ব- ২

একটু আধটু কথা হবার পর রাজর্ষীর মা কল করে বলেছিলো গুরুদেবের সাথে দেখা হয়ে গেছে। গেটে দাঁড়িয়ে ছেলেকে খুঁজছেন। রাজর্ষী  শ্রীপর্ণাকে বাই বলে চলে যায়। না নামটা জানা হয়নি। না প্রেমে পড়েনি , তবে দু দিন মনে হয়েছিল নামটা জানলে হতো। যদি আবার দেখা হয় ব্যাস ওই পর্যন্তই।তারপর কাজের মাঝে মাথা

গুরুদেব সহায় – ( লাভ স্টোরি ) – কলমে-অপরাজিতা -পর্ব-১

আহা, মুখখানি ভারী মিষ্টি, কি সুন্দর দেখতে যেন মনে হচ্ছে কোনো সিনেমার নায়িকা। অনুপের মা ভাগ্যবতী। এমন সুন্দর বৌ হয়েছে। সাথেই একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে অনিমা বললেন - সবার কি আর আমার মতো কপাল।একটা মেয়ে খুঁজেও পাই না। যাকেই দেখতে যাচ্ছি কিছু না কিছু খুঁত। কমল বাবু অনিমার স্বামী বললেন - তুমি যদি

রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = অন্তিম পর্ব

বাড়ি আসার পর রনোর হাতে ব্যান্ডেজ করেছে রাহুল। অদিতিও হেল্প করেছে।ইতিমধ্যে রনো শ্রীকে, আর রাহুল অদিতিকে বলেছে খুব শীঘ্রই বিয়েটা সেরে ফেলবে। দুজনে আর না করেনি। আন্টি মন্দির থেকে ফিরেছেন। রনোর হাতে ব্যান্ডেজ দেখে ভয় পেয়ে গেছেন। অদিতি আর শ্রীকে দেখেন নি। অদিতি চুল দিয়ে সিদুঁর ঢেকেছে। আন্টিকে রনোর হাতকাটা নিয়ে

রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = পর্ব ১৩

রনো - ভাবিনি, তবে শেষ দেখে ছাড়বো , ঠিকই বলছে রাহুল। আমাকে না করার কারণ যদি আমার মা হয় তাহলে কোনো কথা আমি শুনবো না। হয় ও হ্যাঁ বলবে  .................. রাহুল - ইয়েস, ভেঙে পড়লে হবে না। ভাব , ভাব রনো - আমাকে একটু একা ভাবতে দাও প্লিজ। প্রিয়াঙ্কা - কিন্তু খাবে না।

রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = পর্ব ১২

সারাটা রাত শ্রীর ফটোটা বার বার দেখে আর বুকে চেপে ধরেই কেটেছে রনোর। সকালে হাসপাতাল থেকে জানানো হয়েছে আজ যেতেই হবে ইমার্জেন্সি আছে। তৈরী হয়ে খেতে এলো রনো আর রাহুল। মিসেস মুখার্জি জানালেন যে বিকেলে তাড়াতাড়ি আসতে হবে। অনিমেষের আজ জন্মদিন ,তাই রাত্রে ঘরোয়া একটা পার্টি হবে। মাটন বিরিয়ানি হবে।

রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = পর্ব ১১

রনো -দেখুন দিদিভাই - আমার এই বাক্সটা দরকার ? প্রিয়াঙ্কা - কেন? রনো - আমি শ্রীকে ভালোবাসি, আর আমি জানি ................................ প্রিয়াঙ্কা - আচ্ছা ? কবে থেকে ? রনো - সরি। প্রিয়াঙ্কা - হুম, ওই যে বললে শ্রী কে ভালোবাসো ,সেটাই জানতে চাইছি কবে থেকে ? রনো - কবে থেকে জানিনা, কিন্তু ভালোবাসি। প্রিয়াঙ্কা - ওহ, আমি

রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = পর্ব ১০

না আর সাহস হয়নি শ্রীর। শুয়েই আছে ঘরে। জ্বরটা আবার এসেছে। তবে খুব বেশি নয়। কিন্তু কি বলেছিলো শ্রী ? সত্যি বলেছে - আমি কেশবকে খুব ভালোবাসি ? অবশ্য না বললে রনো জানবে কি করে? কি করে জানলো রনো রাই কে? কি করে জানলো রনো শ্রীই রাই। রনোর ইচ্ছা হয়েছে সে

রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = পর্ব ৯

রাহুল ঘরে গেছে। রনো একটা সিগারেট ধরালো। সিগারেটে টান দিতে দিতে ওর ওয়ালেটটা থেকে নূপুরটা বের করলো।ওর ওয়ালেটে কয়েকটা কার্ড, দাদু ঠাকুমার পিকচার আর এই নূপুরটা থাকে। দেখে মনে হয় কত কিছু আছে। নূপুরটা হাতে নিয়ে ওর মনে পড়লো প্রথম যেদিন এটা পেয়েছিলো, সেদিন খুব দেখতে ইচ্ছা হয়েছিল মেয়েটাকে। অনেক

রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = পর্ব ৮

রনো - দাঁড়া, একবার আন্টির কাছে দরকার আছে। রাহুল - আবার কি দরকার। ঘরে গিয়ে মিসেস মুখার্জীকে রনো জিজ্ঞাসা করলো - আন্টি শ্রীর দাদুর নাম কি ছিল ? মিসেস মুখার্জী - উমাপদ চৌধুরী। কেন? রনো - না এমনি। আছে আন্টি আপনি শ্রীকে বললেন নি নতুন করে সব আবার শুরু করতে মিসেস মুখার্জী - অনেকবার বলেছি। কিন্তু

রাই-কেশব (লাভ স্টোরি ) কলমে – অপরাজিতা = পর্ব ৭

মিসেস মুখার্জী বলতে শুরু করলেন ওর বাড়ি নাদিয়ায়। শ্রী হবার আগে ওর মায়ের একটা ছেলে ছিল। প্রায় ৩ - ৪ বছরের মাথায় খেলতে খেলতে পুকুরে পরে যায়, বাচ্চাটা মারা যায়। ওর মা সেটা সামলাতে পারেনি। সেই থেকেই ওর মায়ের একটা প্রব্লেম শুরু হয়। আস্তে আস্তে যদিও ঠিক হয়ে যান কিন্তু

Top
error: Content is protected !!