এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে গেরুয়া শিবির জল্পনা এমনটাই

আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে গেরুয়া শিবির জল্পনা এমনটাই

লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় ভালো ফল করেছে। আঠারোটা আসন নিজেদের দখলে রেখে শাসক দল তৃণমূলের দিকে তারা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। তবে লোকসভা তাদের কাছে সেমিফাইনাল ম্যাচ, ফাইনাল ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচন – একথা বারেবারেই জানিয়েছে বঙ্গ বিজেপি।

আর তাই এবার বিন্দুমাত্র সময় না নিয়ে, এখনও ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের জন্য দুবছর সময় থাকলেও এখন থেকেই এই ব্যাপারে প্রার্থী নির্ণয়ে চারদিকে নজর দিতে শুরু করেছে গেরুয়া শিবির। অবশ্য শুধু ২১ এর বিধানসভা নয় তার আগে নজর অবশ্যই রাজ্যের কয়েকটি উপনির্বাচন। আর আপাতত সেই দিকেই বেশি মনোনিবেশ করছে বিজেপি নেতৃত্ব এমনটাই খবর।

লোকসভার পর রাজ্যের করিমপুর, কালিয়াগঞ্জ ও খড়্গপুর সদর এই তিনটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে। যদি এখনো পর্যন্ত দিন স্থির কিছু হয়নি। কিন্তু তৃণমূলকে এক তিলও জমি ছাড়তে নারাজ বিজেপি। তাই জয়ের ধারা এখানেও অব্যাহত রাখতে এবারে উপনির্বাচন নিয়ে মনোনিবেশ করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব এমনটাই খবর।

সাথেই খবর পাওয়া যাচ্ছে উপনির্বাচনে কাকে প্রার্থী করা হতে পারে সেই নিয়েও নাকি চলছে আলোচনা। তবে যেহেতু এখনো দিনস্থির কিছু হয়নি তাই চারপাশের নেতা নেত্রীদের দিকে নজর রাখতে শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। দলের নেতা কর্মীদের নাকি নির্দেশও করা রয়েছেন কারা কারা পরিচিত মুখ, সবচেয়ে বড় কথা জনগণ কাকে চাইছে, কর্মীদের কাছে জনপ্রিয় কে, এছাড়া প্রচারে রয়েছেন ভালো কাজের জন্য, কর্মীদের সাথে জনমানসে ব্যবহারের দিক দিয়ে অনেক বেশি গ্রহনযোগ্য , এককথায় স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে এমন নেতা কে রয়েছেন সেই সব খবর গোপনে পৌঁছে দিতে হবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বদের। আর সেই অনুযায়ী দল একটা তালিকা ঠিক করে পাঠিয়ে দেবে দিল্লিতে। সেখান থেকেই শীর্ষ নেতৃত্ব বেছে নেবেন। মোট কথা যোগ্য প্রার্থীর খোঁজ শুরু হয়ে গেছে বিজেপির অন্দরে। আর এখানেই রয়েছে চমক। যদি তেমন যোগ্য প্রার্থীই হন তবে কপাল খুলবে দল বদলানো নেতা নেত্রী থেকে দলের যোগ্য নেতা নেত্রীদেরও ।

তবে এই নিয়ে সরাসরি কেউই মুখ খুলছেন না। সকলেরই দাবি হতে পারে,জানা নেই । তবে বিজেপির রাজ্য সদর দপ্তরে কান পাতলে এমনটা শোনা যাচ্ছে। সরকারিভাবে কেউই মুখ খোলেন নি বা কোনো ঘোষণাও হয়নি। তবে দলের কিছু নেতার দাবি এটা সম্পূর্ণ ভুল কথা ,এসব কিছু শুনিনি।

আবার অনেকে বলছেন যে হতে পারে, এটা তো বিজেপি ,তাই কখন ভেতরে ভেতরে কি হয় , কেউ বলতে পারে না ,তবে আমাদের কাছে কোনো নির্দেশ আসেনি। কিন্তু এটাও সত্যি যে আর কিছুদিন পরেই তো হবে উপনির্বাচন ফলে জিততে গেলে এখন থেকেই চাই যোগ্য প্রার্থী ও জনসংযোগ।ফলে এমন নির্দেশ পাওয়া অস্বাভাবিক নয়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

যদিও এই গুঞ্জনে তৃণমূলের দাবি, জোর করে ভোটে জেতা যায়না। যাই করুক বিজেপি দলটাই খারাপ। তাদের কোনো নীতি আদর্শ নেই ,তারা আবার কি যোগ্য প্রার্থী দেবে? তৃণমূল সব কত উপনির্বাচনে জিতবে। গোহারা হারবে।

বস্তুত, সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে অনেক বিধায়ক সাংসদ হয়েছেন। ফলে তাদের ছেড়ে যাওয়া আসনে বিধানসভা উপনির্বাচন আর কিছুদিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। আর তাই সেই সমস্ত আসনে নিজেদের স্বচ্ছ কর্মীদের দাঁড় করিয়ে বিজেপি একদিকে যেমন কোনমতেই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত না থাকা কর্মীদেরকে তারা প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করাবে না বলে বার্তা দিতে চাইছে, ঠিক তেমনই রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত লড়াইয়ে তারাই সামনের সারিতে এগিয়ে থাকবে বলেও মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে যদি এই জল্পনা সত্যি হয় তবে বিজেপির এই প্ল্যানিং সাধুবাদযোগ্য হলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকরী করতে কতটা সক্ষম হয় রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকল।

আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচনে কোন দল থেকে কাকে প্রার্থী করা হতে পারে তার সম্ভাব্য তালিকা ও কোন দলে কত ভোটে জিততে পারে – এই নিয়ে আমাদের সমীক্ষা আসছে কিছুদিনের মধ্যেই। চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়ায়।

Top
error: Content is protected !!