এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > ব্রিগেড সমাবেশ সবদিক থেকেই ঐতিহাসিক হতে চলেছে, তাই বিশেষ পরিকল্পনায় শাসকদল – জানালেন পার্থ চ্যাটার্জি

ব্রিগেড সমাবেশ সবদিক থেকেই ঐতিহাসিক হতে চলেছে, তাই বিশেষ পরিকল্পনায় শাসকদল – জানালেন পার্থ চ্যাটার্জি

হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরই কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী 19 শে জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে তৃণমূলের ঐতিহাসিক ব্রিগেড সমাবেশ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে দেশের সমস্ত বিরোধী দলকে একজোট করতে এবং কেন্দ্রের মসনদ থেকে বিজেপিকে সরাতে তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে আগামী উনিশে জানুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এক ঐতিহাসিক সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

আর যে সমাবেশে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দেশের সমস্ত বিজেপি বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের। আর তৃণমূলের অতীতের সমস্ত সমাবেশ তথা একুশে জুলাইয়ের ধর্মতলা সমাবেশকেও ছাপিয়ে যেতে এবারের সমাবেশ যে অন্য মাত্রা নেবে সেই ব্যাপারে নিশ্চিত রাজ্যের শাসকদলের নেতা মন্ত্রীরা। আর এই ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে প্রস্তুতিও ইতিমধ্যে জোরদার ভাবে শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, এবারের ব্রিগেড সমাবেশের মঞ্চ তৃণমূলের অতীতের সমস্ত সমাবেশের মঞ্চকে ছাপিয়ে যাবে। কেননা এবারের এই ব্রিগেডে মোট পাঁচটি মঞ্চ থাকবে। মূলমঞ্চে থাকবেন তৃণমূল নেত্রী তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ রাজ্যের শাসক দলের হাতে গোনা কয়েকজন নেতা নেত্রীরা।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

পাশাপাশি ওই মঞ্চ আলো করেই বসবেন দেশের বিজেপি বিরোধী দলগুলির নেতা-নেত্রীরা। আর এই মূল মঞ্চটি 100 ফুট চওড়া এবং 24 ফুট দীর্ঘ হবে বলে খবর। ভিআইপিদের জন্য আলাদা রাস্তা করা থাকবে। যেদিক দিয়েই তাঁরা মূলমঞ্চে আসবেন। অন্যদিকে বাকি চারটি মঞ্চে রাজ্যের শাসক দলের সাংসদ, বিধায়ক, জেলা পরিষদ, পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিরা, সাংস্কৃতিক কর্মী ও বিশিষ্টজনেরা থাকবেন। তবে তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের ছাড়া আর কাউকেই যে মঞ্চের ধারে কাছে ঘেষতে দেওয়া হবে না সেই ব্যাপারে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

আর এদিন সেই তৃণমূল নেত্রীর ডাকা এবারের ব্রিগেড সমাবেশকে “ঐতিহাসিক সমাবেশ” বলে আখ্যা দিলেন তৃণমূল মহাসচিব তথা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু কেন এই সমাবেশকে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করলেন পার্থবাবু? যার প্রশ্নের উত্তরে তিনি নিজেই বলেন, “অতীতে যতবার ব্রিগেডের ডাক দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে বাংলাকে বাম অপশাসন থেকে মুক্ত করাটাই ছিল প্রথম এবং প্রধান অঙ্গীকার। কিন্তু আগামী দিনে ভারতের অখন্ডতা, সার্বভৌম চরিত্র অক্ষুণ্ন থাকবে কিনা-সেটাই নির্ধারিত হবে এবারের সমাবেশের সাফল্যের ওপর। তাই বিজেপি বিরোধী শক্তির মহাসমাবেশ ঘটানোর জন্য ঐতিহাসিক দায়িত্ব নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

তাই এবারের ব্রিগেড সমাবেশে সকল মানুষকে ঠাই দেওয়াও সম্ভব হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল মহাসচিব।সবমিলিয়ে আগামী 19 শে জানুয়ারি রাজ্যের শাসকদলের ব্রিগেড সমাবেশ যে বিজেপি বিরোধিতায় এক ঐতিহাসিক সমাবেশের রূপ নিতে চলেছে এদিন সেই কথাই জানালেন তৃণমূল মহাসচিব।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!