এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ব্রিগেড ভরাতে অভিনব উদ্যোগ বামেদের, থাকছে ‘কড়া শাস্তির’ নিদানও জানুন বিস্তারিত

ব্রিগেড ভরাতে অভিনব উদ্যোগ বামেদের, থাকছে ‘কড়া শাস্তির’ নিদানও জানুন বিস্তারিত

2011 সালে রাজ্যে পালাবদলের পরেই ক্ষমতার মসনদ থেকে বিদায় নেওয়ার পর থেকে দলীয় সংগঠন ভেঙে পড়েছে বামেদের। ক্ষয়িষ্নু হতে শুরু করেছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। সদ্য দুই দিনের ধর্মঘট করে এই বাংলায় নিজেদের সংগঠনকে ঘুরে দাঁড় করাতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন সিপিএমের সূর্যকান্ত মিশ্র, বিমান বসুরা।

কিন্তু সামনেই যে লোকসভা ভোট। আর সেই লোকসভা ভোটে নিজেদের সংগঠনকে ঘুরে দাঁড় করানোর জন্য এবার ব্রিগেড সমাবেশকেই পাখির চোখ করেছে রাজ্য বামফ্রন্ট। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত কয়েক দশকে কখনও একক ভাবে বা কখনও দলের ব্যানারে সিপিএমের রাজ্য সংগঠনের পক্ষ থেকে বহুবার ব্রিগেড সমাবেশের আয়োজন করলে তা চরম সফলতার মুখ দেখেছে বলে সিপিএমের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছিল।

বিগত সাড়ে তিন বছর আগেও সিপিএমের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত রাজ্যের ব্রিগেড সমাবেশও বেশ সফলতা পেয়েছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে সে অবস্থার পরিবর্তন করতে শুরু করে। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিরোধী দল হিসেবে নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক বাড়াতে শুরু করে গেরুয়া শিবির। আর যার জেরে অনেকটাই পিছিয়ে যায় বামেরা।

কিন্তু এবার লোকসভা ভোটের আগে নিজেদের দলীয় সংগঠনকে ফেরাতে আগামী 3 ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে বামফ্রন্ট। আর তাই এই সমাবেশকে সার্থক করতে ইতিমধ্যেই বামেদের পক্ষ থেকে দলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকরা যাতে সেখানে উপস্থিত হয় সেই জন্য করা নিদানও দেওয়া হয়েছে।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

আলিমুদ্দিন সূত্রের খবর, জেলার প্রস্তুতি বৈঠকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বয়স বা অসুস্থতার কারণ ছাড়া আগামী 3 ফেব্রুয়ারি দলের এই ব্রিগেড সমাবেশে সমস্ত সদস্যকে উপস্থিত হতে হবে। কোনোভাবেই কোনো অজুহাতেই এই সভা এড়ানো যাবে না। আর যদি কেউ এই সভায় উপস্থিত না হন সেক্ষেত্রে দলীয় সদস্য পদ রিনিউ না করার মত শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, লোকসভা নির্বাচনের আগে যেন-তেন প্রকারেণ এই রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল ও বিরোধী দল বিজেপিকে সরিয়ে নিজেদের সংগঠনকে চাঙ্গা করাই বামেদের কাছে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এদিন এই প্রসঙ্গে রাজ্য কমিটির এক সদস্য বলেন, “সম্পাদক হিসেবে সূর্যকান্ত মিশ্র পরিষ্কার বুঝিয়ে দিয়েছেন যে নিস্ক্রিয় সদস্য নিয়ে ভোটযুদ্ধে নামা যাবে না। সেই কারণে সংগঠন কে গঠন করার আগে ব্রিগেড সমাবেশকে ঝাড়াই-বাছাইয়ের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।” সব মিলিয়ে এবার আগামীতে 3 রা ফেব্রুয়ারি সিপিএমের ব্রিগেড সমাবেশ ঠিক কতটা সার্থকতা লাভ করে এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!