এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কাকদ্বীপে ভেঙে পড়া নির্মীয়মান সেতু নিয়ে নবান্নে রিপোর্ট জমা পড়ল, কি আছে রিপোর্টে? জেনে নিন

কাকদ্বীপে ভেঙে পড়া নির্মীয়মান সেতু নিয়ে নবান্নে রিপোর্ট জমা পড়ল, কি আছে রিপোর্টে? জেনে নিন

রাজ্যে একের পর এক ব্রীজ ভেঙে পড়ায় বর্তমানে সরকারকে চেপে ধরে রাজনীতির ময়দান কাপিয়ে তুলছে বিরোধীরা। কদিন আগেই কোলকাতার মাঝেরহাট ব্রীজ ভেঙে পড়ায় সেই সরকৃরের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আওয়াজ আরও চওড়া হয়েছিল। আর এরই মাঝে কাকদ্বীপে তৈরি গঙ্গাসাগর যাওয়ার জন্য নির্মীয়মান সেতু ভেঙে পড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়িয়েছিল এলাকায়।

জানা যায়, 2015 সালে এই সেতু তৈরির পরিকল্পনা হলে সেখানে কাজ শুরু হয়। 2021 এর মধ্যে সেই কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের আগেই নির্মীয়মান ব্রীজের গার্ডার খুলে ফেলায় ভেঙে পড়ে এটি। আর এই ব্রীজ ভাঙার পরেই অভিযোগ উঠতে শুরু করে যে, এই সেতু নির্মানের জন্য সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের তরফ থেকে এক ইঞ্জিনিয়ারকে নিয়োগ করা হলেও তাঁকে না জানিয়েই সেই ব্রীজের গার্ডারের কাঠামো খুলে দেওয়ায় এই বিপত্তি হয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিকে এই ব্রীজ কেন ভাঙল তা নিয়ে রাজ্যের তরফ থেকে একটি রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছিল সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের কাছে। সূত্রের খবর, সেইমত গতকাল নবান্নে এই কাকদ্বীপে ব্রীজ দুর্ঘটনায় একটি রিপোর্ট পাঠানো হয়। কিন্তু কি আছে সেই রিপোর্টে? জানা গেছে, এই রিপোর্টে ব্রিজের নির্মানকারী সংস্থাকে দায়ী করে বলা হয়েছে যে, ব্রিজ ভাঙেনি, তা হেলে পড়েছিল। মূলত কাঠামো মজবুত হওয়ার আগেই গার্ডারের কাঠামো খুলে ফেলায় এই বিপর্যয়। সব মিলিয়ে আপাতত কাজ বন্ধ এই কাকদ্বীপের নির্মীয়মান সেতুর।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!