এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > কয়লার বাটোয়ারা নিয়ে উত্তাল বীরভূম! 2 গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল গুলি ও বোমার লড়াই আহত 2 মহিলা সহ 9

কয়লার বাটোয়ারা নিয়ে উত্তাল বীরভূম! 2 গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল গুলি ও বোমার লড়াই আহত 2 মহিলা সহ 9

বালি খাদান থেকে কয়লা খাদান কার দখলে থাকবে! তা নিয়ে গোষ্ঠী সংঘর্ষ নতুন কিছু নয়। এমনকি সেই গোষ্ঠী সংঘর্ষে বোমা-গুলির লড়াইও নতুন কিছু নয় আজকাল বাংলায়। তবে নতুন ঘটনাটি হল, প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গায় এই দখলদারিকে কেন্দ্র করে অশান্তি। আজ বাঁকুড়া, তো কাল বিষ্ণুপুর, আজ নদীয়া, তো কাল কৃষ্ণনগর। আর এবার পথ চলতে চলতে সেই অশান্তি পৌঁছে গেল বীরভূমেও। সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতে বীরভূমের দুবরাজপুর গ্রামে এই অবৈধ কয়লা পরিবহনের দখল নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি এবং বোমাবাজির ঘটনা ঘটল।

যে ঘটনায় চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। জানা যায়, এই অবৈধ কয়লা পরিবহনের দখল নিয়ে দুই গোষ্ঠীর গন্ডগোল মেটাতে হেতমপুর পঞ্চায়েতের চিৎগ্রামে শুক্রবার রাতে একটি বিচারসভা বসানো হয়। আর সেখানেই দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ চলে। পরবর্তীতে তা গুলি এবং বোমাবাজির আকার নেয়। জানা গেছে, এই গোলাগুলিতে ইতিমধ্যেই 2 মহিলা সহ মোট 9 জন গুরুতর জখম হয়েছেন। প্রত্যেককেই বর্তমানে সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছে যায় পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, এই গ্রাম থেকে বেশ কিছু গুলির খোল এবং বোমার সুতলি উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় দুবরাজপুর থানা 21 জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে জানা গেছে। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় ধৃত শূর মহম্মদ খান এবং মুস্তাক খানকে শনিবার দুবরাজপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের চারদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। সমগ্র ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে থমথম করছে গোটা এলাকা।

এদিন এই ব্যাপারে আক্রান্ত বাসিন্দাদের বক্তব্য, “রাতে কয়লা নিয়ে গ্রামে বিচারসভা চলছিল। সেখানে দুই গোষ্ঠীর লোকেরা অতর্কিত গুলি চালায়। বোমাবাজিও করা হয়। আমরা গ্রামের শান্তি চাই।” এদিকে পুলিশ সেখানে লাগাতার পাহারা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন হেতমপুর পঞ্চায়েতের প্রধান মহম্মদ জসিমউদ্দিন। তবে এই প্রসঙ্গে বীরভূম জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি অভিজিৎ সিংহ বলেন, “দুবরাজপুরে গ্রাম্য বিবাদ নিয়ে গণ্ডগোল হয়েছে।” সব মিলিয়ে কয়লা পরিবহনের দখলদারি নিয়ে দুই গোষ্ঠীর গন্ডগোলে রণক্ষেত্র হওয়া এলাকায় এখন শান্তি প্রার্থনা করছেন সকলেই।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!