এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > টিকিট প্রত্যাশী অনেকে হলেও কৃষ্ণনগরে পদ্ম ফোটাতে বড় ভরসা গেরুয়া শিবিরের বড় ভরসা এই ‘মহা-তারকাই’

টিকিট প্রত্যাশী অনেকে হলেও কৃষ্ণনগরে পদ্ম ফোটাতে বড় ভরসা গেরুয়া শিবিরের বড় ভরসা এই ‘মহা-তারকাই’

কে হবেন কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী? এ প্রশ্নকে কেন্দ্র করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। হটলিস্টে একাধিক নাম থাকলেও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সত্যব্রত মুখোপাধ্যায় ওরফে জলু বাবুকেই বিজেপির তরফ থেকে প্রার্থী করার প্রস্তাব উঠছে। গত তিনবার তিনি ভোটে দাঁড়িয়ে পরাজিত হলেও জেলা বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের দাবী, জলুবাবুকেই পুনরায় লোকসভা ভোটে প্রার্থী করা হোক। এদিকে জলুবাবুর প্রার্থী হওয়ার আঁচ পেয়ে তৃণমূল নেতারা এখন থেকেই বিভিন্ন সভায় প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয় সূত্রের খবর।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি কৃষ্ণনগরের কারবালা মাঠে দলীয় সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেন, ‘শোনা যাচ্ছে এবার নাকি কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হবেন অশীতিপর সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়। গত তিনবার তিনি হেরে হ্যাট্রিক করেছেন। এবার প্রার্থী হলে জামানত জব্দ হবেন’। বিজেপি সূত্রের খবর, কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে অনেকেই রয়েছেন। তবে দলীয় তরফে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জলুবাবুর নামই প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিজেপির নদীয়া(উত্তর) জেলা সভাপতি মহাদেব সরকার জানান, ‘এই কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকায় অনেকের নাম আছে। তবে সবার আগে রয়েছেন জলুবাবু। প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করবে রাজ্য নেতৃত্ব। তবে যিনিই প্রার্থী হন, এই কেন্দ্রে বিজেপিই জয়ী হবে’।

প্রসঙ্গত, গত ১৯৯৯ সালে কৃষ্ণনগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে কেন্দ্রে মন্ত্রী হয়েছিলেন জলুবাবু। এরপর ২০০৪ সালে সিপিএম প্রার্থী জ্যোতির্ময়ী শিকদারের কাছে পরাজিত হন। এরপর ২০০৯ সালে ফের ভোটে দাঁড়িয়ে পরাজিত হন তৃণমূল প্রার্থী তাপস পালের কাছে। সেবার তাপসবাবু ৪২% এবং জলুবাবু মাত্র ১৬% ভোট পেয়েছিলেন। এরপর ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে ফের ভোটে দাঁড়িয়ে পরাজিত হন তাপস পালের কাছে, কিন্তু তাঁর ভোট বেড়ে দাঁড়ায় ২৬%। আর জিতলেও তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তাপস পালের ভোট কমে হয় ৩৫%।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

কৃষ্ণনগর আসনে বরাবরই বিজেপি তুলনামূলকভাবে ভালো ফল করে, এছাড়াও এই কেন্দ্রে জলুবাবুর নিজস্ব একটা বড় ভোটব্যাঙ্ক আছে। আর তাই, গত তিনটি লোকসভা ভোটে জলবাবুর রেকর্ড খারাপ থাকলেও বিজেপি প্রার্থী হিসাবে এবারও তাঁকেই চাইছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। কারণ হিসাবে বিজেপির এক জেলা নেতা সামনে রাখলেন বেশ কিছু তথ্য। গত লোকসভা ভোটে পার্শ্ববর্তী রানাঘাট কেন্দ্রে বিজেপির প্রাপ্ত ভোট ছিল ১৪% কিন্তু কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে বিজেপি পেয়েছিল ২৬% ভোট। জলুবাবুর ভাবমূর্তিতেই যে এই ভোট এসেছিল তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই বিজেপির অভিজ্ঞমহলের। এমনকি কৃষ্ণনগর পুরসভার ২২ টি ওয়ার্ড থেকে লিড নিয়েছিলেন তিনি, শুধুমাত্র ২ টি ওয়ার্ডে অল্পের জন্য লিড পাননি তিনি।

বিজেপির মতে কৃষ্ণনগরবাসীর একটি দূর্বলতা রয়েছে জলুবাবুর প্রতি – এইসব তথ্যেই প্রমাণিত। তাই আসন্ন লোকসভা ভোটে, কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জলু মুখোপাধ্যায়ের বিজেপি প্রার্থী হওয়ার পূর্ণ সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, এবারের লোকসভা ভোটে কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্র অন্যতম নিশানায় রয়েছে রাজ্য বিজেপির। সে কারণেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বদের এনে কৃষ্ণনগরে প্রচার কর্মসূচি জোরদার করেছে দিলীপ ঘোষেরা। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের কৃষ্ণনগরে আসার কথা ছিল। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে না পারলেও তাঁর পরিবর্তে কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি ইরাণি সভা করে গিয়েছেন। এরপর কৃষ্ণনগরে সভা করতে আসার কথা রয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। সব মিলিয়ে নদীয়ার বিজেপি শিবিরে কর্মতৎপরতা তুঙ্গে রয়েছে। এর মধ্যে জেলার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে কাকে লোকসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!