এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > অনুব্রত মন্ডলের ‘চ্যালেঞ্জার’ কি পেয়ে গেল বিজেপি? তরুণ-তুর্কির তুখোড় জবাব ‘কেষ্টকে’

অনুব্রত মন্ডলের ‘চ্যালেঞ্জার’ কি পেয়ে গেল বিজেপি? তরুণ-তুর্কির তুখোড় জবাব ‘কেষ্টকে’

রাজ্য-রাজনীতিতে বীরভূম জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে নতুন করে পরিচিত করানোর কিছু নেই। পুলিশকে বোমা মারা থেকে গুড়-বাতাসা, ঢাকের চরাম চরাম থেকে ‘গাঁজা’ কেসে অ্যারেস্ট করানো – অনুব্রত মন্ডল মানেই ‘কুকথার’ হেডলাইন। এমনকি তাঁর দলীয় সাংসদ শতাব্দী রায় পর্যন্ত তাঁকে ‘কুকথার ট্যাগলাইন’ বলতে পিছপা হন না। কিন্তু, তিনি দলনেত্রীর বড় প্রিয়পাত্র – রাস্তায় উন্নয়ন দাঁড় করিয়ে তিনি সর্বদাই প্রিয় দিদির পছন্দের তালিকায় এক নম্বরে।

আর এইবার রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন – এই অনুব্রত মন্ডলের ‘চ্যালেঞ্জার’ কি পেয়ে গেল রাজ্য-বিজেপি? কেননা, সাংগঠনিক নদীয়া দক্ষিণ জেলার আড়বান্দী ১ নম্বর অঞ্চলের চাঁদরায় ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ উপলক্ষে বিজেপির সভা থেকে সরাসরি তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল ও তাঁর নদীয়া জেলার ভাইদের সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে বসলেন বিজেপির নদীয়া দক্ষিণ জেলা যুব সভাপতি ভাস্কর ঘোষ। তবে, ‘কুকথায়’ নয় – ভাস্করবাবু অনুব্রত মন্ডলকে সরাসরি ‘চ্যালেঞ্জ’ ছুঁড়লেন শালীনতার সীমার মধ্যেই।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না – তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

গতকালের সভায়, বাংলার উন্নয়ন বাহিনী ও অনুব্রত মন্ডলের উদ্দেশ্যে যুব নেতার বক্তব্য, আমাদের কেষ্টদা নাকি বলেছেন উর্বর জমিতে গিঁট ছাড়াতে ১ ঘন্টা সময় লাগে তাঁর। কিন্তু, যাঁরা জমিতে নেমে চাষটা করেন তাঁরা জানেন, উর্বর জমিতে কখনই মাটির গিঁট তৈরি হয়না! আমি বাজা জমিতে মাটির গিঁট পাচন দিয়ে ছাড়িয়ে পদ্মের চাষ করবো। তিনি আরো বলেন, সংখ্যালঘু তোষণকারী তৃণমূলের এতদিনে নিজের ধর্মের প্রতি টান বেড়েছে। তার জন্যই বিজেপির রথের ভয়ে খোল-করতাল বানাতে দিয়েছে।

যুবনেতা আরও বলেন, কেষ্টদারা এখন থেকেই এটা করছেন, যাতে আমরাই ওনাদের নিয়ে ২০১৯ এর ভোটের পর এই নদীয়ায় এনে কীর্তন করাতে পারি! বিজেপির সাংগঠনিক সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতাকে এইভাবেই একের পর এক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন গেরুয়া শিবিরের এই তরুণ-তুর্কি। এমনিতেই বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে পদ্মবাহিনী বেশ ভালো রকমের ফুল ফুটিয়েছেন জেলায় – আর এইবার গেরুয়া শিবিরের তরুণ বেরিকেড আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট ধরতেই, সভায় উপচে পড়তে শুরু করেছে তরুণ দলের ভিড়। প্রসঙ্গত, সভায় আরোও বক্তব্য রাখেন জেলা সভাপতি জগন্নাথ সরকার ও রাজ্য নেত্রী রাজকুমারী কেশরী।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!