এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > গো-বলয়ে বিজেপি ধরাশায়ী হতেই বাংলায় গেরুয়া নেতা-কর্মীরা ঘাসফুলে পা বাড়াচ্ছেন – দাবি শাসকদলের

গো-বলয়ে বিজেপি ধরাশায়ী হতেই বাংলায় গেরুয়া নেতা-কর্মীরা ঘাসফুলে পা বাড়াচ্ছেন – দাবি শাসকদলের

বিধানসভা নির্বাচনে গো-বলয়ে বিজেপির কোনঠাসা অবস্থার বড়সড় প্রভাব পড়েছে বাংলায় বলে দাবি শাসকদলের। সম্প্রতি, নদীয়ার বিজেপি সংগঠনের ফাটল প্রকাশ্যে এসেছে – বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে পদ্ম চিহ্নে লড়াই করে বেশ কয়েকজন জয়ী প্রার্থী শাসকদলে যোগ দিয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন জেলা নেতাও নাকি তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে ঘাসফুল শিবিরের অন্দরে কান পাতলে।

এমনকি, শাসকদলের জেলা নেতাদের দাবি, এই কারণেই নাকি রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ সহ অন্যান্য রাজ্য নেতারা ঘনঘন সভা করছেন নদীয়ায়। যদিও, গেরুয়া শিবিরের দাবি, বাংলায় এখন প্রস্তাবিত ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ হওয়ার কথা ছিল – কিন্তু শাসকদল তা জোর করে আটকে রাখায়, বিজেপির রাজ্য নেতারা গোটা রাজ্য জুড়েই শাসকদলের এই ‘অগণতান্ত্রিক’ অবস্থানের কথা প্রচার করছেন!

প্রসঙ্গত, পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি বিজেপি। এর মধ্যে সবথেকে বড় ধাক্কা, গো-বলয়ের তিন রাজ্য – রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড় হাতছাড়া হয়েছে গেরুয়া শিবিরের। সমানে-সমানে টক্কর দিলেও – হিন্দু-অধ্যুষিত এই তিন রাজ্য হাতছাড়া হওয়ায় বাংলায় বেশ চাপে পরে গেছে গেরুয়া শিবির বলে দাবি শাসকদলের নেতাদের। আর তারফলেই নাকি বিজেপির সাংগঠনিক ভাঙন সামনে আসছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই নাদীয়াতে বেশ কয়েকজন গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়ী সদস্য তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নদীয়ায় বিজেপির তরফ থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতে ৫৫৬ জন, পঞ্চায়েত সমিতিতে ৫৬ জন ও জেলা পরিষদে ২ জন জয়ী হয়েছেন। বিরোধী দলের জয়ীরাই দলে দলে তৃণমূলে চলে আসতে চাইছেন, যোগাযোগ করছেন শাসকদলের জেলা নেতৃত্বদের সঙ্গে। ক্রমে ক্রমে সকলেই নাকি জোড়াফুল শিবিরে চলে আসবেন বলেই দাবী তৃণমূলের।

তৃণমূল শিবিরের আরও দাবি, একসময় ভুল বুঝে অনেকে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিল। কিন্তু তাঁরা নাকি বুঝে গেছেন বিজেপিতে কোনো ভবিষ্যৎ নেই – আর তাই, তাঁরা এখন তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া! এমনকি শুধু তৃণমূল কংগ্রেসেই নয়, শাসকদলে সুযোগ না পেলে কংগ্রেসেও নাকি যোগ দিতে ইচ্ছুক বিজেপি সদস্যরা! সবমিলিয়ে, লোকসভা নির্বাচনের আগে সাংগঠনিক ঐক্য বজায় রাখাটাই বিজেপির কাছে নাকি বড় চ্যালেঞ্জের বলে মনে করছে শাসকদল।

যদিও, শাসকদলের সব দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন নদিয়ার বিজেপি জেলা নেতৃত্ত্ব। তাঁদের বক্তব্য – নদীয়ার দুটি আসন, কৃষ্ণনগর ও রানাঘাট, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দুটিতেই জিতবে বিজেপি। আর শুধু জেতা নয় – বিজেপির জয় হবে নাকি বিপুল ভোটের ব্যবধানে। পঞ্চায়েতে ‘কোনো ভোট হয় নি’ আর তাতেই নাকি শাসকদল কেঁপে গেছে! তাই এখন থেকে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে ও জোর করে বিজেপি কর্মীদের শাসকদল যোগ দেওয়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে, লোকসভা নির্বাচন হলেই নাকি স্পষ্ট হয়ে যাবে চিত্রটা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!