এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মালদা-মুর্শিদাবাদ-বীরভূম > বীরভূমের “পুরুলিয়ার কায়দায়” বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ-শুরু তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর

বীরভূমের “পুরুলিয়ার কায়দায়” বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ-শুরু তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর

রাজ্যের বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় পুরুলিয়ায় একের পর এক বিজেপি কর্মীদের মৃত্যু ঘিরে রহস্য এখনো তরতাজা এই বঙ্গ রাজনীতিতে। এবার সেই পুরুলিয়ারই রেশ পরল তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি বীরভূমে। সূত্রের খবর; প্রথমে শাসকদলের নেতা আক্রান্ত এবং পরে বিরোধী দল বিজেপির দাপুটে নেতার হত্যার ঘটনায় এখন সরগরম এই জেলার রাজনীতি। প্র

সঙ্গত উল্লেখ্য গতকাল দুপুরে বাইক নিয়ে বাড়ি ফেরার পথেই আক্রান্ত হন তৃণমূলের খয়রাশোল ব্লক সভাপতি দীপক ঘোষ অভিযোগ তার বাইক আটকে তাকে কুপিয়ে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয়। আর এরপরই এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে আঙুল তুলতে না তুলতেই সেই রাতেই লাভপুরের দাড়কা গ্রামে একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় সেখানকার বিজেপি কর্মী তাপস বাগদীর দেহ। আর শাসক এবং বিরোধী এই দুই কর্মীর আক্রান্ত এবং হত্যার ঘটনায় এবার একে অপরের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেছে তৃণমূল এবং বিজেপি। খয়রাশোল এর দলের ব্লক সভাপতি দীপক ঘোষের আক্রান্তের ঘটনায় বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে কার্যত হুমকির সুরে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বলেন; “আমি এই ব্যাপারে কাউকে ছেড়ে কথা বলবো না।”

কিন্তু অনুব্রত মণ্ডল এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে সুর ছড়ালেও লাভপুরের দ্বারকা গ্রামে বিজেপি কর্মী তাপস বাগদী ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় জেলা বিজেপির সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় অভিযোগের আঙুল তুলেছেন সেই তৃণমূলের দিকেই। এদিন তিনি বলেন; “বীরভূমে আমাদের সংগঠন যত শক্ত হচ্ছে তৃণমূল ততই ভয় পাচ্ছে। আমাদের কর্মীদের খুন করে সংগঠনকে ভাঙ্গার চেষ্টা করছে তারা।” তবে দ্বারকা গ্রামের এই বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে দায় এড়িয়ে গিয়েছেন জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো  করুন এই লিঙ্কেখবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক

কিন্তু শাসকদলের পক্ষ থেকে যাই দাবি করা হোক না কেন পুরুলিয়ার ত্রিলোচন মাহাতোর মত এই লাভপুরের তাপস বাগদী খুনের পেছনে যে তৃণমূলেরই হাত রয়েছে সেই ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিজেপির মুখপাত্র তথা রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু। এমনকি এই ঘটনা নিয়ে ভবিষ্যতে বৃহত্তর আন্দোলনে নামারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে; এমনিতেই বীরভূম সব সময়ই খবরের শিরোনামে থাকে কিন্তু গতকাল এক তৃণমূল কর্মী আক্রান্ত এবং এক বিজেপি কর্মীর মৃত্যুতে এই জেলায় শাসক-বিরোধী তরজা যে আরও তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠবে তা বলাই যায়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!