এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > মৃত বিজেপি সাংসদ ঘনিষ্ঠ কর্মী, দাবি এনআরসি আতঙ্কে আত্মহত্যা!

মৃত বিজেপি সাংসদ ঘনিষ্ঠ কর্মী, দাবি এনআরসি আতঙ্কে আত্মহত্যা!

অসমে এনআরসির তালিকা প্রকাশের পরই বাংলায় তার আঁচ পড়তে শুরু করে। অসমের পর বাংলাতেও জাতীয় নাগরিকপঞ্জী করা হবে বলে যখন বিজেপির একাংশ দাবি জানাতে শুরু করে, ঠিক তখনই পাল্টা এই ব্যাপারে সরব হতে দেখা যায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। কোনোমতেই তারা এনআরসি করতে দেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে বাংলায় এনআরসি করার জোর সওয়ালের দাবি কিন্তু কমেনি।

আর তাতেই আশ্চর্যজনক ভাবে, এই রাজ্যে অনেক মানুষই এনআরসি আতঙ্কে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে অভিযোগ শাসকদলের। আর এবার এই ঘটনায় মুখ পুড়ল বিজেপির। সূত্রের খবর, শুক্রবার রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ ঘনিষ্ঠ এক বিজেপি কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একাংশের দাবি, মৃত ওই বিজেপি কর্মীর নাম নিবাস সরকার‌। জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নিয়ে আতঙ্কের জন্যই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন!

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

আর খোদ রানাঘাটের বিজেপি সাংসদের ঘনিষ্ঠ কর্মী এইভাবে এনআরসি নিয়ে আত্মহত্যা করার ঘটনা সামনে আসলে এখন কিছুটা হলেও চাপে পড়তে শুরু করেছে গেরুয়া শিবির বলে মত বিশ্লেষকদের। জানা যায়, মৃত বিজেপি কর্মী নিবাস সরকারকে বৃহস্পতিবার তার ঘরে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান তার ভাড়াটিয়ারা। আর এরপরই তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে থেকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

এদিন এই ঘটনায় সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম টুইট করে বলেন, “লোকসভা নির্বাচনের আগেই নদীয়ার রানাঘাট কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকারের প্রচারে হনুমান সেজে খবরে এসেছিলেন যিনি, জাতীয় নাগরিকপঞ্জি নিয়ে র জেরে আত্মঘাতী হয়েছেন সেই নিবাস।” তবে মৃতের পরিবারের তরফে সেই মৃতের দাদা দাবি করেছে, এই ঘটনায় এনআরসি নয়। বরঞ্চ তার ভাই নেশার কারনেই আত্মঘাতী হয়েছেন।

অন্যদিকে এই ব্যাপারে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, “একেবারেই ব্যক্তিগত কারণে উনি আত্মঘাতী হয়েছেন। এর সঙ্গে এনআরসির কোনো সম্পর্ক নেই।” কিন্তু বিজেপি সাংসদ যে কথাই বলুন না কেন, আর যার দাবিই সত্যি হোক না কেন! যেভাবে এই ঘটনাকে ইস্যু করে বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর জন্য এনআরসিকে দায়ী করতে শুরু করেছে বিরোধীরা – তাতে আগামীদিনে গেরুয়া শিবিরের উপর এই নিয়ে চাপ আরও বাড়ানোর চেষ্টা হবে তা নিয়ে নিঃসংশয় রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!