এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিরোধীদের অস্তিত্ব নেই, বিনা লড়াইয়ে নির্বাচন হতে চলেছে! বিস্ফোরক বিজেপি হেভিওয়েট শীর্ষনেতারা

বিরোধীদের অস্তিত্ব নেই, বিনা লড়াইয়ে নির্বাচন হতে চলেছে! বিস্ফোরক বিজেপি হেভিওয়েট শীর্ষনেতারা

দীপাবলির আগেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন ও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। গোটা দেশের 51 টি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে আগামী একুশে অক্টোবর। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, ঝাড়খন্ডে নির্বাচনের দিন স্থির হয়ে গেছে। 2019 এর লোকসভা ভোটে জেতার পর নিঃসন্দেহে বিজেপি এবার দেশের সবকটি বিধানসভা দখলের লক্ষ্যে দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে ঝাঁপাতে চলেছে। আর সেই লক্ষ্যে বিজেপি বিরোধীদের অনেকটাই পেছনে ফেলার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আর এরই মধ্যে হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে কংগ্রেস দলের বেহাল দশা ক্রমশ প্রকাশ্য আসছে। ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই কংগ্রেস দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসছে‌। এ নিয়ে দলের প্রবীণ কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে বিজেপি প্রতি আক্রমণে নেমেছে। এবার দলের বিরুদ্ধে সলমন খুরশিদের বক্তব্যকে হাতিয়ার করে কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধীকে চূড়ান্ত আক্রমণ করতে শুরু করেছে বিজেপি।

এদিন বিজেপির মুখপাত্র নরেন্দ্র তানেজা বলেন, ‘কংগ্রেসের কোন অস্তিত্ব নেই। বিনা লড়াইয়ে নির্বাচন হতে চলেছে।’ আগামী একুশে অক্টোবর মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানাতে বিধানসভা ভোট। কিন্তু সম্প্রতি কংগ্রেস নেতা সলমান খুরশিদ পরিষ্কার করে স্বীকার করে নিয়েছেন, এবারের নির্বাচনে দল জয়লাভ করবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা থেকে যায়। এর কারণ হিসেবে তিনি দলীয় সভাপতির কর্মকাণ্ড নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আর এতেই রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছেন সোনিয়া গান্ধী।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার সলমন খুরশিদ সাংবাদিকদের সামনে বলেন, লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ান রাহুল গান্ধী। পরাজয়ের কারণ খতিয়ে দেখার সুযোগ হয়নি দলের। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সলমন খুরশিদ পরোক্ষে রাহুল গান্ধীকেই কটাক্ষ করে এই মন্তব্য করেছেন। সলমন খুরশিদের এই বক্তব্যকে হাতিয়ার করে বিজেপি কংগ্রেসকে কটাক্ষ সহযোগে বলে, রাহুল গান্ধী কোথায় রয়েছেন তা জানতে তাঁর দলের নেতারাই অপারগ।

অন্যদিকে, বিজেপির মুখপাত্র সম্বিৎ পাত্র এদিন বলেন, শুরুর আগেই হার স্বীকার করে নিল কংগ্রেস। খুরশিদের বক্তব্য অনুযায়ী, রাহুল গান্ধী ময়দান ছেড়ে পালিয়েছেন। অন্যদিকে সংখ্যালঘু উন্নয়ন মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নাকভি বলেন, রাহুল গান্ধী চলে যাওয়ায় নীতি নির্ধারণের জন্য কংগ্রেস দলে বিভাজন ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। কংগ্রেসের এখন এই মুহূর্তে দলকে সঠিক দিশা দেখাবার মতো কোনো নেতা বা নেত্রী কোনটাই নেই।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কংগ্রেস দলের অন্তর্দ্বন্দ্বের ফলে পুরো সুবিধা নিচ্ছে বিজেপি। কংগ্রেস দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব থাকায় সেই দল সাংগঠনিক দিক থেকে পোক্ত নয় তা বোঝাই যাচ্ছে। নির্দ্বিধায় বলা যায়, সে দিক থেকে বিজেপি অনেকটাই এগিয়ে। এই মুহূর্তে সাংগঠনিক শক্তির ভিত্তিতে বিজেপি দেশের মধ্যে সবথেকে প্রথম স্থান দখল করেছে অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে। লোকসভার পর আগামী নির্বাচনগুলোতে তা সুচারুরূপে স্পষ্ট হয় কিনা সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!