এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > উপনির্বাচনে সব আসনই নিজেদের দখলে নিয়ে আসতে বিজেপির ভরসা ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রচার’

উপনির্বাচনে সব আসনই নিজেদের দখলে নিয়ে আসতে বিজেপির ভরসা ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রচার’

লোকসভা ভোটে জয়ের পর থেকেই বিজেপি শিবিরে খুশির মেজাজ। সেই খুশির মেজাজেই এবার সারাদেশের বিভিন্ন বিধানসভা উপনির্বাচন উপলক্ষে বিজেপি শিবির ঝাঁপিয়ে পড়তে চলেছে। দিল্লির তখতে বসার পর থেকেই তাঁদের লক্ষ্য এবার বিভিন্ন রাজ্যের উপনির্বাচন হতে চলা সবকটি বিধানসভা দখল করার। আর এক্ষেত্রে তাঁদের শক্তি জোগাচ্ছে তাঁদের কাজ বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের।

একের পর এক উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত বিজেপির প্রতি সাধারণ মানুষের চিন্তাধারা বদলে দিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে পদ্ম শিবির থেকে। আর তাই সেই মন্ত্রেই উপনির্বাচনের হাত ধরে এবার বিধানসভাগুলি দখলের উদ্দেশ্যে রাজনৈতিক মঞ্চে নামছে বিজেপি। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে উপনির্বাচনের দিন ঠিক হয়েছে আগামী একুশে অক্টোবর। আর এই উপনির্বাচনগুলির মধ্যে উত্তরপ্রদেশে বিজেপি 11 টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছে।

আর উন্নয়নের অস্ত্রেই এবার প্রতিটি আসনেই জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিজেপি। উত্তরপ্রদেশে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার বিজেপি হওয়ায় সেখানে উন্নয়নমূলক কাজ ভালোই হয়েছে, তাই জয়ের ব্যাপারে তাঁরা নিশ্চিত। নির্বাচনে অংশ নেওয়া 11 টি আসনের মধ‍্যে 9 টি আসন ইতিমধ্যে বিজেপির দখলে ছিল। এছাড়া, রামপুর আসন ছিল এসপির দখলে এবং জালালপুর আসন ছিল বহুজন সমাজ পার্টির দখলে।

এবারের উপনির্বাচন যে এগারোটি আসনে হবে সেগুলি হল – প্রতাপগড়, লখনৌ ক্যান্টনমেন্ট, রামপুরস গাঙ্গো, গোবিন্দপুর, জালালপুর, জায়েদপুর, ইগলাস, মানিকপুর, ঘোসি এবং বালসা। এই 11 টি আসনের মধ্যে 10 টি আসনে বিজেপি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বাকি একটি আসন অর্থাৎ প্রতাপগড় থেকে লড়াই করছে বিজেপির সহযোগী আপনা দল। আর এই 11 আসনের সবকটি জয়ের লক্ষ্যে আগামী 15 অক্টোবর থেকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিজেপির হয়ে প্রচার শুরু করবেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

সবকটি কেন্দ্রের প্রচারেই তিনি থাকবেন বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গেছে। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোতে প্রচার শুরু হয়েছে রাজ্য বিজেপির সভাপতি স্বতন্ত্র দেব সিং এবং অর্গানাইজিং সেক্রেটারি সুনীল বনসাল এর হাত ধরে। তবে, উত্তরপ্রদেশে গেরুয়া ঝড় অক্ষুন্ন রাখতে বিজেপির বাজি হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রীর জোরালো প্রচার। একদিকে, দেশের উন্নয়নের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে উত্তরপ্রদেশের উন্নয়ন – অন্যদিকে, সেখানকার দুষ্কৃতিকার্য সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া – এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই প্রচারে ঝড় তুলবেন যোগী আদিত্যনাথ বলে জানা গেছে।

এদিকে, উপনির্বাচনকে ঘিরে উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব মৌর্য জানিয়েছেন, এবারের উপনির্বাচনে বিজেপির পরিস্থিতি জেতার দিকেই রয়েছে। পরিস্থিতি ইতিবাচক হয়েছে, সংবিধানের 370 ধারা বাতিল করায় এবং তিন তালাক বিরোধী আইন প্রণয়ন করায়। তাই আশা রাখাই যায় 2017 র থেকে এবারে অর্থাৎ 2019 এর বিধানসভা উপনির্বাচনে বিশাল ভোটের ব্যবধানে বিজেপি জয়লাভ করবে। প্রসঙ্গত, গতমাসে হামিরপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনে বিজেপি পেয়েছে 38.55 শতাংশ ভোট।

যেখানে 2017 সালে তাদের প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণ ছিল 44.49%। হামিদপুর এর বিজেপি প্রার্থী যদিও জয়লাভ করেছেন। কিন্তু তার প্রাপ্ত ভোট 17,771 ছিল। ভারতের প্রতিটি রাজ্যের নির্বাচনকে ঘিরে সাজো সাজো রব উঠেছে। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক শিবির নিজেদের আসন ধরে রাখতে এবং আসন বাড়াতে তৎপর হচ্ছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, ভোটের নিরিখে বিজেপি জয়লাভ করলেও তাঁর আসন সংখ্যা কমলেও কমতে পারে।

কারণ অর্থনৈতিক মন্দার কালো মেঘ এখনও ভারতের আকাশ থেকে সরেনি। যার ফলে সাধারণ মানুষকে ভুগতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু, সেইসব আশঙ্কাকে আপাতত গঙ্গায় ভাসিয়ে দিয়ে যোগী আদিত্যনাথের জোরালো প্রচারে ভর করেই বাজিমাতের ভরসায় গেরুয়া শিবির। মোদী-শাহ জুটি মহারাষ্ট্র বা হরিয়ানার সাধারণ নিৰ্বাচন নিয়ে ব্যস্ত থাকায়, উত্তরপ্রদেশের উপনির্বাচনের বৈতরণী পার করতে গেরুয়া শিবির আপাতত ভরসা করছে সেই র্যাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উপরেই।

আপনার মতামত জানান -
ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!