এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > বড় ধাক্কা দিলীপ ঘোষের, ‘মুখের ভাষা সংযত করার’ কেন্দ্রীয় নির্দেশ রাজ্য সভাপতিকে

বড় ধাক্কা দিলীপ ঘোষের, ‘মুখের ভাষা সংযত করার’ কেন্দ্রীয় নির্দেশ রাজ্য সভাপতিকে

বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসাবে দায়িত্ত্ব নেওয়ার পর থেকেই দিলীপ ঘোষের নেতৃত্ত্বে একের পর এক নির্বাচনে ‘চোখধাঁধানো’ ফল করে যাচ্ছে। শুরু হয়েছিল সেই ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন থেকে, সেখানে তাঁর নেতৃত্ত্বে তিন-তিনজন বিধায়ককে জিতিয়ে এনে রাজ্যে নাজির গড়ে বিজেপি। তারপর থেকে প্রতিটি নির্বাচনেই কংগ্রেস ও বামফ্রন্টকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত ছিল গেরুয়া শিবিরের। আর সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তো রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের শিরোপা সরকারিভাবে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। সুতরাং রাজ্য সভাপতি হিসাবে পিঠ চাপড়ানি অবশ্যই প্রত্যাশা করতে পারেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলের মধ্যে অভিনন্দিতও হচ্ছেন তিনি।

কিন্তু তারমাঝেই নজিরবিহীনভাবে তাঁর মুখের ভাষা নিয়ে ‘বিশেষ ফরমান’ এল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ত্বের তরফে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলীয় প্রচারে গিয়ে যেভাবে তিনি একের পর এক জনসভা থেকে ‘মারধরের’ কথা বলেছেন তাতে করে দলের প্রতি শিক্ষিত সমাজের একটা বিরূপ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এমনকি তাঁর বক্তব্য ‘উস্কানিমূলক’ বলে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর থেকে আদালতে নালিশ – কিছুই বাদ দেয় নি রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এইসবের পরিপ্রেক্ষিতে সূত্রের খবর, দিলীপবাবুকে মুখের ভাষা সংযত করার নির্দেশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ত্ব। এমনিতেই লোকসভা নির্বাচনের আগে দিলীপবাবুকে সরিয়ে নতুন রাজ্য সভাপতি নিয়োগ নিয়ে জল্পনা চলছে রাজ্য-রাজনীতিতে, তার উপরে এই কথা প্রকাশ্যে আসতেই সেই জল্পনা আরো গতি পেয়েছে। তবে দিলীপবাবুর ঘনিষ্ঠ নেতাদের অভিমত, পঞ্চায়েতের প্রচারে তিনি যে ‘অনাথ’ করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন তাই নিয়ে আপত্তি ছিল দলের, কিন্তু বাকি তিনি যা বলেছেন তা তিনি কোনো সাধারণ মানুষকে মারধরের কথা বলেননি, তিনি শাসকদলের ‘গুন্ডামির’ প্রতিরোধের কথা বলেছিলেন, আর তাতে কোনো আপত্তি নেই শীর্ষ নেতৃত্ত্বের। ফলে দিলীপবাবুর ভাষা সংযত করা নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ত্বের ফরমানের ফলে যে ধাক্কার খবর শোনা যাচ্ছে তা আদতে জল্পনা মাত্র।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!