এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিজেপিতে গিয়ে “নিঃসঙ্গ” বোধ করায় এবার কি তৃণমূলমূখী হেভিওয়েট নেত্রী? ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা

বিজেপিতে গিয়ে “নিঃসঙ্গ” বোধ করায় এবার কি তৃণমূলমূখী হেভিওয়েট নেত্রী? ক্রমশ বাড়ছে জল্পনা

 

প্রায় অনেকদিন হল, দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃণমূলের প্রতিষ্ঠাতা বিপ্লব মিত্র তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্রে হেরে যাওয়ার পরই দক্ষিণ দিনাজপুরের দায়িত্বে থাকা বিপ্লব মিত্রকে সভাপতি থেকে সরিয়ে দেয় তৃণমূল কংগ্রেস। আর তারপরই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে পা বাড়ান তিনি। জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা রায় সহ 10 জন সদস্যকে নিয়ে পদ্ম শিবিরে নাম লেখান তিনি।

কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই অবস্থার পরিবর্তন হতে শুরু করে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের বিজেপিতে চলে যাওয়া সদস্যরা ফের তৃণমূলে চলে আসেন। তবে সভাধিপতি লিপিকা রায় সহ বেশ কিছু সদস্য বিজেপিতে থাকায় সেই জেলা পরিষদের ক্ষমতা পাকাপাকিভাবে নিজেদের দখলে আনতে পারছিল না তৃণমূল কংগ্রেস।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

কিন্তু সম্প্রতি বিপ্লব মিত্রের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত কুমারগঞ্জের জেলা পরিষদের সদস্য মফিজউদ্দিন মিঁয়া ভারতীয় জনতা পার্টি ত্যাগ করেন। যা নিঃসন্দেহে অস্বস্তি বাড়িয়ে দেয় বিজেপি এবং বিপ্লব মিত্রের। আর মফিজুদ্দিন মিয়া বিজেপি ত্যাগ করার পরই এবার নিঃসঙ্গ বোধ করছেন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা রায়। জেলার বর্তমান বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেছেন লিপিকাদেবী। যা নিঃসন্দেহে সন্দেহে জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে সেই লিপিকা রায়ের তৃণমূলে ফেরা নিয়ে।

সূত্রের খবর, এদিন এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিজেপির লিপিকা রায় বলেন, ” মোফেজদা আমাকে সব দিক দিয়ে সাহায্য করতেন। বিজেপির কেউ আমাদের খোঁজখবর নেন না। এত বড় সমস্যার মধ্যে রয়েছি। তাও বিজেপির কেউ আমাদের একবারের জন্য ফোন করেন না। 1998 থেকে তৃণমূল করছি। দলত্যাগ করলেও এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলকে ভালোবাসি। আমাকে তৃণমূলে ফেরানোর জন্য অনেক অফার এসেছে। চিন্তাভাবনা করছি, কি করব। এখনই বিজেপি ছাড়া নিয়ে কিছু বলতে পারব না।”

আর জেলা পরিষদের বিজেপির সভাধিপতি লিপিকা রায়ের তৃণমূলের প্রতি এত প্রেম দেখে এখন নানা মহলে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। তাহলে কি বিপ্লব মিত্র এবং বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়ে এবার লিপিকা দেবী তৃণমূলে পা রাখতে চলেছেন? এদিন এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী অর্পিতা ঘোষ বলেন, “আমাদের দলের সবার জন্য রাস্তা খোলা হয়েছে। কেউ যোগদান করলে করতেই পারেন।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে জেলা বিজেপির সভাপতি বিনয় বর্মন বলেন, “আমি সবে দায়িত্ব পেয়েছি। তার মধ্যে এত কিছু হয়ে যাচ্ছে। আমার একার পক্ষে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু সবার সঙ্গে কথা বলে দেখছি, কি হচ্ছে।” আর এখানেই বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন, যেভাবে একের পর এক বিজেপিতে এসেও যেভাবে জেলা পরিষদ সদস্যরা তৃণমূল ফিরে যাচ্ছেন, তাতে জল্পনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর এবার জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা রায় যেভাবে নিঃসঙ্গতাবোধ করে তৃণমূলের প্রতি আবেগকে প্রকাশ করলেন, তাতে তিনি পাকাপাকিভাবে তৃণমূলে ফিরে যান, নাকি বিজেপিতেই থাকেন! সেদিকেই নজর থাকবে গোটা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার রাজনৈতিক মহলের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!