এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া > বিজেপির ঘরে হানা তৃণমূলের,জঙ্গলমহলে পার্থ চ্যাটার্জীর হাত ধরে বড় ভাঙন ধরালো শাসকদল

বিজেপির ঘরে হানা তৃণমূলের,জঙ্গলমহলে পার্থ চ্যাটার্জীর হাত ধরে বড় ভাঙন ধরালো শাসকদল

শাসকদলের শক্তিঘাঁটি জঙ্গলমহলেই জাকিয়ে বসেছিল বিজেপি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে যে এলাকায় প্রাণশক্তি স্থাপিত ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের,সেখান থেকে শাসকদলের সমূলের বিনাশ ঘটানোর প্রতিজ্ঞা করেছিল পদ্মশিবির। এবং তাঁরা কার্যত সাফল্যের দোরগোড়াতেই ছিল।  অন্ততপক্ষে,পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফল সেটাই বলেছে। জঙ্গলমহলে সিংহভাগ আসনে জয় হয়েছে বিজেপির। তাই নিয়ে আত্মপ্রচার কিছু কম ছিল না রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বদের। বিরোধী শিবিরের জঙ্গলমহলের মাটিতে উত্থান দেখে কার্যত মাথায় হাত পড়েছিলো তৃনমূল নেতৃত্বদের। তবে এবার দাবার ঘুঁটির চালই বদলে দিলেন ঘাসফুল নেতৃত্বরা। পদ্মবাহিনীকে বুঝিয়ে দিলেন তাঁদের দাপট।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

 

পদ্মনেতৃত্বদের উদ্বেগ বাড়িয়ে ২১ জুলাই-এ তৃনমূলের শহীদ মঞ্চে ৪০ জন বিজেপি নেতা যোগ দিলেন তৃণমূলশিবিরে। এঁরা সব ঝাড়গ্রাম জেলার বিজেপির সংগঠনে থাকা শীর্ষনেতা,এমনটাই জানা গেছে। এঁরা হলেন অজয় কুমার সেন-জেলা সহ সভাপতি, ঝাড়গ্রাম বিধানসভা,সুশীল কুমার ঘোষ-জেলা সহ সভাপতি,গোপীবল্লভপুর,কৃষ্ণ প্রধাণ-জেলা সহ সভাপতি,অমল কুমার কর-এক্স সাধারণ সম্পাদক,অখন্ড মেদিনীপুর,স্বপন কুমার মাহাতো-জেলা সম্পাদক,দীনবন্ধু কর্মকার- মন্ডল সভাপতি বেলপাহাড়ী,নারায়ণ চন্দ্র মান্ডি-সাধারণ সম্পাদক,বেলপাহাড়ী এছাড়া রয়েছেন দিপঙ্কর ধর-আইন সেল,ঝাড়গ্রাম জেলা এবং নিখিলেশ পাল-জেলার ব্লক স্তরের নেতা।

 

জানা গেছে, ঝাড়গ্রাম জেলার তৃণমূল চেয়ারম্যান ডাঃ সুকুমার হাঁসদা ও তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষা সমিতির রাজ্যস্তরের নেতা কৃষেন্দু বিশইয়ের মদতপুষ্ট হয়েই তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে গেছিলেন। পার্থবাবুর সম্মতি পেয়েই ঝাড়গ্রাম জেলার বিজেপি নেতারা ২১-এর মঞ্চ থেকে জোড়াফুলের পতাকা  তুলে নেন।

 

হঠাৎ করে লোকসভা ভোটের আগে দলে দলে বিজেপি নেতাদের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জেরে রাজ্যবিজেপির সাংগঠনিক শক্তি ক্রমশ কমছে। জঙ্গলমহলে সম্প্রতিই ভীত পোক্ত করতে সচেষ্ট হয়েছিলো বঙ্গের পদ্মবাহিনী। আর এখান থেকেই পাল্টা ইনিংশ খেলল শাসকদল। বুঝিয়ে দিল তাঁদের কব্জির জোর। এ নিয়ে রীতিমতো চাপে রয়েছে রাজ্য বিজেপির নেতারা। এদিকে,সদ্য তৃনমূলে যুক্ত হওয়া বিজেপি জনপ্রতিনিধিরা জানালেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নে সামিল হতেই তাঁরা তৃণমূলশিবিরে এসেছেন। এর পাশাপাশি বিজেপির দিকে কটাক্ষ মন্তব্য ছুঁড়ে দিতেও পিছপা হলেন না তাঁরা। জানালেন, জঙ্গলমহলে বিজেপি যতই হাঁকাহাঁকি করুক না কেন,আসলে ওখানে তাঁদের কোনো সংগঠনই নেই। সেখানের মানুষ এখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েই আস্থা রাখেন।

Top
error: Content is protected !!