এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উলটপুরাণ! বিজেপির ভয়ে হয় গৃহবন্দী নাহয় ঘরছাড়া শাসকদলের নেতা-কর্মীরা

উলটপুরাণ! বিজেপির ভয়ে হয় গৃহবন্দী নাহয় ঘরছাড়া শাসকদলের নেতা-কর্মীরা

পঞ্চায়েত মনোনয়নপর্ব থেকে শুরু করে ভোট প্রচার চলাকালীন যেখানে সন্ত্রাসের রাজনীতি চালানোর বেশিরভাগ অভিযোগ গুলো উঠেছে তৃণমূলের দিকে সেখানেই উল্টো ছবি দেখা গেলো লালগড়ের চন্দ্রপুর গ্রামে। এবার তৃণমূলের তরফ থেকে অভিযোগে জানানো হয়েছে যে বহিরাগত দুষ্কৃতি ভাড়া করেই নাকি এলাকায় হিংসার রাজনীতি ছড়াচ্ছে বিজেপি। জানা গেছে, এদিন লালগড়ের বেলাটিকরি গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্দ্রপুর গ্রামে বিজেপির নির্বাচনী জনসভা ছিল। সেদিন নাকি বিজেপি প্রার্থী ধনঞ্জয় রানার বাড়িতে গোলাগুলি হয়। বিজেপির দাবি এই হামলা করেছে নাকি স্থানীয় তৃণমূল কর্মর ও সমর্থকরা। সেই ঘটনার পরই নাকি বেপাত্তা স্থানীয় প্রাক্তন তৃণমূল সদস্য বেবিতা বেজ, তাঁর স্বামী স্বপন বেজ, তৃণমূলের চন্দ্রপুর বুথ সভাপতি নেপাল গরাই, দলের সক্রিয় কর্মী গৌরাঙ্গ পাত্র সহ আরো ৮ জন তৃণমূল কর্মী।

এই ঘটনার প্রতিবাদে চন্দ্রপুর গ্রামকে গেরুয়া ঝান্ডায় ঢেকে ফেলে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা। বেবিতাদেবীর ভাসুর অজিত বেজ জানান “ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী সপরিবার এলাকাছাড়া হয়ে গিয়েছে। আমি দিনে এসে একবার ঘরদোর দেখে যাচ্ছি। রাতে থাকার ঝুঁকি নিচ্ছি না।” ফেরার ঘাসশিবিরের চন্দ্রপুর বুথ সভাপতি নেপাল গরাই এর  স্ত্রী ঝর্নাদেবীর বক্তব্য , “খুব ভয়ে ভয়ে আছি।” তবে বাড়িতে হদিশ মিলল তৃণমূলের স্থানীয় প্রার্থী জগন্নাথ দাসের। তবে অাতঙ্কে নাজেহাল তিনিও। জানান, “কয়েক দিন আগে বাড়িতে ফিরেছি। তবে প্রচারে বেরোইনি। কর্মীরা ভীষণই আতঙ্কিত।”

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

আতঙ্কে থাকা ঘাসফুল শিবিরের কর্মীদের ভরসা জোগানোর দায়িত্ব নিলেন তৃণমূলের লালগড় ব্লক সভাপতি বনবিহারী রায়। প্রচারের শেষদিন গাড়িতে মাইক বেঁধে এলাকায় আসেন এবং অনুরোধ করেন এলাকাবাসী যেন ভয় না পেয়ে নিশ্চিন্তে ভোট দিয়ে আসেন।   অন্যদিকে, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন যে বিজেপির হামলায় তাঁদের নাকি ৮ জন কর্মী ঘর ছেড়েছেন,৬ জনের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। তাই তিনি কর্মীদের কাছে আবেদন রেখেছেন শান্ত ভাবে কোনোরকম অশান্তি ছাড়াই ভোটটা দিতে। তবে এ মন্তব্যের পর সরব হন বিজেপি পক্ষের বিনপুর মন্ডলের সভাপতি জয়দেব মাহাতো। তাঁর থেকে জানা যায় যে বিজেপির সভার দিন তৃণমূলের লোকেরাই নাকি ঝামেলা করছিল। তখনই প্রতিরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তার জেরেই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পালিয়ে গেছেন তৃণমূলের নেতা ও কর্মীরা।

 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!