এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিজেপির সমীক্ষাই বলছে এখনও মুখ্যমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা ৭০%, বিধানসভার আগে বাড়ছে প্রবল চাপ!

বিজেপির সমীক্ষাই বলছে এখনও মুখ্যমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা ৭০%, বিধানসভার আগে বাড়ছে প্রবল চাপ!

সামনেই দেশের বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে। লোকসভা ভোটে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর পদ দখল করার সাথে সাথেই বিজেপি সারাদেশে এবার বিধানসভাগুলি দখল করার উদ্দেশ্যে তাঁদের সংগঠন বাড়িয়ে চলেছে। ইতিমধ্যে মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, ঝাড়খন্ডে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট স্থির হয়ে গেছে। এরপর দিল্লিতেও বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের আগেই দিল্লির বিজেপি শিবিরে রীতিমত চিন্তার ভাঁজ।

কারণ আম আদমি পার্টির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এখনও দিল্লির জনতার কাছে তুমুল জনপ্রিয়! আর তার থেকেও বড় কথা এই ফলাফল উঠে এসেছে বিজেপি নেতারই করা সমীক্ষায়! বস্তুত , সোশ্যাল মিডিয়া এখন সবারই হাতিয়ার। তাই টুইটারে বিজেপি নেতা বাজি মারতে নেমে নিজেই মুখ পোড়ালেন। টুইট ভোটে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের কাছে রীতিমত গোহারা হারতে হল গেরুয়া শিবিরের হেভিওয়েট নেতাকে।

সূত্রের খবর, বিজেপির এক হেভিওয়েট নেতা দিল্লি নির্বাচনের আগেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ব্যাকফুটে ঠেলতে নিজের ট্যুইটারে এক ‘পোলের’ ব্যবস্থা করেন! আর সেই ফলাফল সামনে আসতেই মাথা ঘুরে গেছে সকলের – দেখা যাচ্ছে ৫ বছর রাজত্ব চালানোর পরেও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা 70% আর ওই বিজেপি নেতা পেয়েছেন 30% ভোট। এই ঘটনায় উক্ত বিজেপি বিধায়ক অবশ্য অভিযোগ করেছেন, কেজরিওয়াল জিতেছে আম আদমি পার্টির আইটি সেলের দৌলতে!

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

কিন্তু, তাতে আরও চাপ বাড়ছে গেরুয়া শিবিরের। কেননা, গেরুয়া শিবিরের আইটি সেল তো সোশ্যাল মিডিয়ার যুদ্ধে সবসময়েই বেশ কয়েক কদম এগিয়ে থাকে! তাহলে, এই ভোটের সময় তারা কি করছিল নাকি, বিজেপির ওই নেতা ইঙ্গিত দিচ্ছেন যে বিজেপির আইটি সেলও এবার পিছিয়ে পড়ছে! প্রসঙ্গত, ২০১৪-এর লোকসভা ভোটে জেতার পরেও, বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে একবারে ধুয়েমুছে সাফ করে দিয়েছিল আপ। 70 টির মধ্যে দখল করেছিল 67 টি আসন।

ফলে. ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে জিতলেও বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে চাপ থেকেই যাচ্ছে। তার উপর ওই বিজেপি নেতার ট্যুইটার-ভোটে ভরাডুবি রীতিমত চাপ বাড়াচ্ছে গেরুয়া শিবিরের। ফলে, বিজেপির শীর্ষনেতৃত্ব ও আরএসএস-এর কপালে ভাঁজ পড়তে শুরু করেছে ইতিমধ‍্যেই। এবারেও বিধানসভা নির্বাচনে না আপ তার ম্যাজিক দেখায়। ফলে দিল্লির ভোট নিয়ে বিজেপি শিবির এখন থেকেই যথেষ্ট চিন্তিত। তবে, দলেরই এক অংশ জানাচ্ছে, একদিক থেকে ভালো – বিপক্ষ শিবিরের শক্তি-দুর্বলতা জেনেই তো জেদ্দে ঝাঁপাতে হয়!

তবে এই নিয়ে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, লোকসভা ভোটে বিজেপির জয়জয়কার হলেও বিধানসভা ভোট নিয়ে কিন্তু বিজেপি যথেষ্ট চাপে। যেখানে আপ মুখ্যমন্ত্রী জনপ্রিয়তার নিরিখে অনেকটা সুবিধাজনক জায়গায় রয়েছেন, সেখানেই বিরোধী বিজেপি নেতা যথেষ্ট পিছিয়ে রয়েছেন। এবার দেখার টুইটারের জনপ্রিয়তা আর বাস্তবের জনপ্রিয়তা মিলে যায় কিনা ভোটবাক্সে! এই ঘটনায় নজর রাখবে সমগ্র রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!