এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বাংলায় কোথাও নাকি বিজেপি নেই! অথচ আরএসএসের ভূমিকায় চিন্তায় খোদ তৃণমূল নেত্রী?

বাংলায় কোথাও নাকি বিজেপি নেই! অথচ আরএসএসের ভূমিকায় চিন্তায় খোদ তৃণমূল নেত্রী?

আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি – বাংলায় নাকি বিজেপি কিছুই করতে পারবে না, হেরে যাবে গতবারের জেতা দুটো আসনেও! এমনকি কেন্দ্র থেকেও বিদায় নেবে বিজেপি – বাংলার পাশাপাশি এবার সারা দেশেও মা-মাটি-মানুষের সরকার প্রতিষ্ঠা করবেন তিনি! অথচ লোকসভার আগে বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে বাংলায় বেশ বড়সড় উত্থান ঘটতে চলেছে গেরুয়া শিবিরের।

ভোটব্যাঙ্কের তো বটেই বিজেপি এবার বাংলায় আসন সংখ্যার ক্ষেত্রেও বেশ বড়সড় চমক দিতে চলেছে বলেই ওই সমীক্ষা গুলোয় দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু, তৃণমূল নেত্রী বেশ জোরের সঙ্গেই জানিয়েছিলেন – বাংলায় নাকি কোথাও বিজেপি বলে কিছু নেই। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে তো বটেই আগামী দিনেও বাংলায় বিজেপির কোনো স্থান নেই। কেননা বিজেপি নাকি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে, যা বাংলার মানুষ কোনোমতেই মেনে নেবে না, উল্টে বিজেপিকে নাকি উচিত শিক্ষা দেবে!

হাতের মুঠোয় আরও সহজে প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে যোগ দিন –

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

কিন্তু, তাঁর সেই ‘কনফিডেন্স’ কি কোথাও গিয়ে টাল খেয়ে গেছে? প্রশ্নটা এবার উঠেই পড়ল রাজনৈতিক মহলে। কেননা আজ দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে মুর্শিদাবাদে দু-দুটি জনসভা থেকে তৃণমূল নেত্রী যা বলেন তার নির্যাস হল, কংগ্রেসের হয়ে প্রচার চালাচ্ছে আরএসএস, টাকার থলি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে আরএসএস। ভোট দিতে বলছে কংগ্রেসকে, টাকা দিতে দেখলেই ছবি তুলে রাখুন। ফলে, প্রশ্ন উঠছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি যদি সত্যি হয় – তাহলে তো মানতেই হবে যে বাংলায় আরএসএসের এতটাই প্রভাব বৃদ্ধি হয়েছে, যে তারা বাংলার মানুষকে প্রভাবিত করে বিজেপির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বলে পরিচিত কংগ্রেসের প্রার্থীকেও জেতানোর ক্ষমতা রাখে!

আর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর জন্য যদি আরএসএস এতো কিছু করতে পারে তাহলে, যে দলের সঙ্গে তাদের ওতপ্রোত সম্পর্ক, সেই বিজেপির প্রাথীদের জেতাতে কি আরএসএস হাত গুটিয়ে বসে থাকবে? সবথেকে বড় কথা আরএসএস কিন্তু কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়, কিন্তু তারা যে বিজেপির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একথা সর্বজনবিদিত। এমনকি এ রাজ্যে বিজেপির প্রার্থীতালিকা প্রকাশের পরে গেরুয়া শিবিরের অন্দরেই ‘অভিযোগ’ ওঠে একাধিক আরএসএস ঘনিষ্ঠের টিকিট পাওয়া নিয়ে। ফলে তৃণমূল নেত্রীর দাবি মতোই আরএসএস কিন্তু এখন এতটাই শক্তিধর রাজ্যে যে ভোটকে প্রভাবিত করতে পারে – ফলে রাজ্যের বাকি ৬ দফায় কি তৃণমূল নেত্রীর ঘুম ওড়াতে চলেছে আরএসএস ওরফে গেরুয়া শিবির? প্রশ্নটা কিন্তু জোরালোভাবেই উঠতে শুরু করে দিল রাজনৈতিক মহলে।

Top
error: Content is protected !!