এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > জগন্নাথ সরকার নন, ওনার মনোনয়নে হনুমান সেজেছিলেন এক বিজেপি সমর্থক, দাবি বিজেপির

জগন্নাথ সরকার নন, ওনার মনোনয়নে হনুমান সেজেছিলেন এক বিজেপি সমর্থক, দাবি বিজেপির

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি প্রচন্ড ভাইরাল হয়ে যায় – যাতে দাবি করা হয় বিজেপির রানাঘাট কেন্দ্রের প্রার্থী জগন্নাথ সরকার হনুমান সেজে মনোনয়ন জমা দিতে যাচ্ছেন। আর এই ছবি ভাইরাল হয়ে যেতেই সমালোচনার ঝড় ওঠে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রায় প্রত্যেকেরই বক্তব্য – লোকসভা ভোট হল দেশের আইনসভার সদস্য নির্বাচনের মাধ্যম, সেখানে এইভাবে হনুমান সাজতে চাওয়ার অর্থ কি?

কিন্তু, পরবর্তীকালে বিজেপির তরফে জানানো হয়, জগন্নাথবাবু নন ওনার মনোনয়নের সময় বিজেপির এক অন্ধভক্ত এইভাবে হনুমানের সাজে ছিলেন। গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য হল – শ্রীরাম হলেন ভারতের কেন্দ্রীয় চরিত্র। সুতরাং, রামভক্ত হওয়া মানেই দেশভক্ত হওয়া। হনুমান যেমন রামচন্দ্রের সাথে দিয়ে রাক্ষসকূলের সাথে লড়াইয়ে ন্যায়ের পথে ছিলেন, তেমনই বর্তমানে নরেন্দ্র মোদী যখন দেশের দুর্নীতি দূরীকরণের পথে হাঁটছেন, তখন সেই রামভক্তের মত তাঁর সাথ দেওয়া মানে দেশের সাথ দেওয়া।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

গেরুয়া শিবিরের আরও বক্তব্য, এবারের লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় দুর্দান্ত ফল করতে চলেছে বিজেপি। বিশেষ করে রানাঘাট আসনে বিজেপির বিশাল ব্যবধানে জয় নাকি শুধু সময়ের অপেক্ষা। এই পরিস্থিতিতে প্রথমে এই কেন্দ্রের প্রার্থী তরুণ ডাক্তার মুকুটমনি অধিকারীকে ‘অন্যায়ভাবে’ মনোয়নয়ন জমা দেওয়া থেকে আটকানো হয়। ফলে, এখানে প্রার্থী হন বিজেপির জেলা সভাপতি জগন্নাথ সরকার। কিন্তু, এত কিছু করেও এই কেন্দ্রে বিজেপির জয় আটকানো সম্ভব হবে না বুঝে গেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস।

কেননা কিছুদিন আগেই, রানাঘাট কেন্দ্রে প্রচারে গিয়েছিলেন স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তিনি বক্তৃতা শুরু করতেই যেভাবে মানুষ সভাস্থল ছেড়ে বেরিয়ে যেতে শুরু করেন, তিনি কার্যত বক্তৃতা থামিয়ে দিতে বাধ্য হন। অন্যদিকে, বিজেপির হয়ে নরেন্দ্র মোদী প্রচারে এলে, তাঁর সভাস্থল কার্যত জনজোয়ারে পরিণত হয়। বিজেপির দাবি, এইসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রানাঘাট কেন্দ্রে কি ফল হতে চলেছে, সেই দেওয়াল লিখন তৃণমূলের কাছে স্পষ্ট। আর তাই বিজেপিকে আটকাতে, এইভাবে অপপ্রচারের আশ্রয় নিতে হয়েছে রাজ্যের শাসকদলকে! আর তাই, জগন্নাথবাবুর মনোনয়নে হনুমান সাজা নিয়ে যে বিতর্ক, তার দায় কার্যত শাসকদলের উপরেই ঠেলে দিয়েছে গেরুয়া শিবির। এখন দেখার, এই হনুমান বিতর্ককে পিছনে ফেলে – রানাঘাট কেন্দ্রের জয়ের তিলক কোন দলের কপালে ওঠে শেষপর্যন্ত।

এই সেই হনুমানের সাজের ছবি যা নিয়ে শুরু হয়েছে চূড়ান্ত বিতর্ক।
Top
error: Content is protected !!