এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিজেপি বিরোধিতায় জাতীয় স্তরে মমতাকে শক্তিশালী করতে এবার আসরে নামলেন স্বয়ং প্রশান্ত কিশোর

বিজেপি বিরোধিতায় জাতীয় স্তরে মমতাকে শক্তিশালী করতে এবার আসরে নামলেন স্বয়ং প্রশান্ত কিশোর

Priyo Bandhu Media


প্রশান্ত কিশোর বর্তমানে বঙ্গবাসীর কাছে একটি অতন্ত্য পরিচিত মুখ। তৃণমূলকে ফের ক্ষমতায় আনতে তিনি দ্বায়িত্ব নিয়েছেন। সফলতা মিলেছে উপনির্বাচনেই। আর তার জেরেই তিনি এখন বাঙালির কাছে তৃণমূলের অন্যতম কান্ডারি হিসাবে পরিচিতি বাড়িয়ে নিয়েছেন। কিন্তু তাঁর আরো একটা পরিচিতি আছে। তিনি হলেন বিহারের নীতিশ কুমারের দল জেডিইউ-এর সহ সভাপতি। যে জেডিইউ বিজেপির অন্যতম শরিক।

কিন্তু এবার দল ভুলে যে কাজের স্বাতিও তিনি নিয়েছেন তাকেই সাফল্য দিতে বিজেপি বিরোধিতায় জাতীয় স্তরে মমতাকে শক্তিশালী করতে এবার আসরে নামলেন স্বয়ং প্রশান্ত কিশোর।এদিন সকালে টুইট করে প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, ভারতের আত্নাকে বাঁচাতে পারেন দেশের ১৬ জন অবিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেছেন, পঞ্চাব, কেরল ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কথা। যাঁরা ইতিমধ্যেই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল এবং এনআরসি লাগু না করার কথা বলেছেন। ফলে জাতীয় স্বরে মমতাকে বড়সড় জায়গা করে দিতে প্রশান্ত কিশোর আসরে নামলেন বলেই মত রাজনৈতিকমহলের।

মমতা বান্দ্যোপাধ্যের সুরে সুর মিলিয়ে এর বিরোধিতা করেছেন। আর এবার এবার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজ্যকে জোটবদ্ধ হয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার ডাক দিলেন প্রশান্ত কিশোর। শুক্রবার টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘‌সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। এখন বিচারবিভাগ ছাড়া ভারতের আত্মাকে রক্ষা করার দায়িত্ব ১৬ জন অবিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর উপর। কারণ সেই রাজ্যগুলিকেও নিজেদের জায়গায় এই আইন কার্যকর করতে হবে। ক্যাব এবং এনআরসি-কে না করে দিয়েছেন তিন মুখ্যমন্ত্রী। যার মধ্যে আছেন পাঞ্জাব, কেরল ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করার সময় এসেছে অন্যান্যদেরও।’‌


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

তিনি নরেন্দ্র মোদী আর অমিত শাহ্দের টুইট করে তিনি সতর্ক করে লিখেছেন ‘‌এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল মোদি সরকারের এমন দুই ধারালো অস্ত্র। যার মাধ্যমে ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য সৃষ্টি করা হবে। এমনকী ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে শাস্তি পর্যন্ত দেওয়া হতে পারে।’‌

অসমে এনআরসি-র চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরও সমালোচনা ভরা টুইট করেছিলেন তিনি। তিনি লিখেছিলেন, ‘‌ধর্মের ভিত্তিতে যে বিল তৈরি হয়েছে, তাকে সমর্থন করেছে জেডিইউ। লোকসভায় দলের এই ভূমিকা দেখে আমি হতাশ। জেডিইউয়ের সংবিধানের প্রথম পাতাতেই তিনবার ধর্মনিরপেক্ষতার কথা লেখা রয়েছে। ওই গাইডলাইনের পরও দলের নেতারা এমন কাজ করলেন!’‌

জানা যাচ্ছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলেও সংসদে নরেন্দ্র মোদি সরকারের পক্ষেই ভোট দিয়েছে নীতিশ কুমারের দল। তবু আগাগোড়াই এই বিলের বিরোধিতায় সরব হয়েছেন জেডিইউ-এর সহ সভাপতি প্রশান্ত কিশোর। যা নিয়ে কম ঝড় ওঠেনি।এদিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে দলের অবস্থানের সমালোচনা করে প্রকাশ্যে মন্তব্য করায় প্রশান্ত কিশোরকে শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছে তার দল জেডিইউ। একই সঙ্গে দলের সাধারণ সম্পাদক পবন কুমার ভার্মাকেও শোকজ করেছে বিহারে শাসক জোটের বড় শরিক।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!