এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিজেপির পৌষমাসে সর্বনাশ কিছু অস্থায়ী কর্মীদের, বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে গেল চাকরি

বিজেপির পৌষমাসে সর্বনাশ কিছু অস্থায়ী কর্মীদের, বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে গেল চাকরি

এবারের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির উত্থান ঘটেছে বাংলায়। গত 2014 সালে তৃণমূল রাজ্যে ভালো করলেও বিজেপি আসানসোল লোকসভা কেন্দ্র দখল করেছিল। এবারে সেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্র দখলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল ঘাসফুল শিবির।

তবে শেষ পর্যন্ত সেখানে শেষ হাসি হাসেন বিজেপির বাবুল সুপ্রিয়ই। আর এবার এই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি জয়লাভ করায় চরম দুর্দশার সৃষ্টি হল বার্নপুর 77 নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় 10 জন অস্থায়ী কর্মীর। সূত্রের খবর, এই সমস্ত কর্মীদের এবার চাকরি চলে যেতে বসেছে। কিন্তু ভোটের ফলের সঙ্গে এই বানপুর 77 নম্বর ওয়ার্ডের অস্থায়ী কর্মীদের চাকরি চলে যাওয়ার কারন কি?

জানা গেছে, ভোটের ফলাফলের পর পৌরসভার সুপারভাইজারের অধীনে ডেঙ্গু সচেতনতা এবং নিজের ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতার মত বিষয়গুলিতে কাজ করা ভলেন্টিয়ারদের বলে দেওয়া হয়েছে যে, তাদের আর কাজ করতে হবে না। আর এই ঘটনাতেই এবার তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। কেন কাজ হারাতে হল তাদেরকে?

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে কাজ হারানো ভলেন্টিয়ারদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, “আমরা অনেক বছর ধরেই এই কাজ করে আসছি। প্রথমে 50 টাকা এখন সেটা বেড়ে 150 টাকা হয়েছিল। ভোটের জন্য কয়েকদিন কাজ বন্ধ ছিল। তারপর কাজ করতে গেলে আমাদের বলে দেওয়া হয়েছে যে, আর কাজ দেওয়া হবে না। এরপর আমরা মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে দেখা করলে তিনি সোজাসুজি জানিয়ে দেন যে, আমরা নাকি বিজেপিকে ভোট দিয়েছি, তাই আমাদের কাজ দেওয়া হবে না।”

আর এখানেই অনেকে প্রশ্ন করছেন, নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা সকলের ব্যক্তিগত অধিকারের মধ্যে পড়ে। সেই ক্ষেত্রে যে কেউ যে কাউকে ভোট দিতে পারে। আর এর ফলে যদি কেউ ভোটে হেরে যান, তার জন্য কারো মুখের গ্রাস কেন কেড়ে নেওয়া হবে? এদিন এই প্রসঙ্গে বার্নপুর 77 নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন সুপারভাইজার ছায়া দত্ত বলেন, “আমি গত বছর চাকরি থেকে অবসর নিয়েছি। কিন্তু এখন ভলেন্টিয়ারদের কাজটা আমাকেই দেখতে হয়। উপরমহল থেকে আমাদের বলে দেওয়া হয়েছে যে নতুন ভলেন্টিয়ার পাঠানো হবে, পুরনোদের দিয়ে আর কাজ করানো যাবে না। তাই সেটা আমরা ওদের জানিয়ে দিয়েছি।”

অন্যদিকে এই ব্যাপারে আসানসোলের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারির সঙ্গে ফোনে কথা বলার চেষ্টা হলেও তিনি কোনো ফোন ধরেননি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, শাসকের যখন শেষ সময় আসে, তখন এটাই তার চূড়ান্ত নিদর্শন হয়।বিগত বাম আমলের শেষের দিকে বিভিন্ন জায়গায় বামেরা ভোট না পাওয়ায় উন্নয়ন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর তাই এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল এই রাজ্যে খারাপ ফল করার পর সেই একই ট্রাডিশন শুরু হল বলে মনে করছে সমালোচক মহলের একাংশ।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!