এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল বিজেপি প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস, রক্তাক্ত গেরুয়া নেতা

ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল বিজেপি প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস, রক্তাক্ত গেরুয়া নেতা


সাত দফার লোকসভা নির্বাচনের মাত্র প্রথম দুদফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে গতকাল – আর এর মধ্যেই রাজ্যবাসীর আশঙ্কা বাড়িয়ে রক্তাক্ত হাটতে শুরু করল বঙ্গ রাজনীতি। একটা করে নির্বাচন আসে আর বাংলার রাজনীতি রক্তাক্ত হয়, এ ঘটনা যেন এখন জলভাত হয়ে গেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দগদগে স্মৃতি এখনও মুছে যায় নি সাধারণ মানুষের মন থেকে – নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যেভাবে একের পর এক প্রাণ গেছে, সেই ঘটনায় বীতশ্রদ্ধ হয়ে সাধারণ মানুষই এবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ১০০% কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইছেন।

আর বাংলার সাধারণ মানুষের সেই দাবি যে কতটা বাস্তবসম্মত তা দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের পর একের পর এক ঘটনায় প্রমাণিত। পুরুলিয়াতে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার – খুন না আত্মহত্যা তা নিয়ে শুরু চূড়ান্ত চাপানউতোর। ব্যান্ডেলে বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে ঢুকে দুষ্কৃতীদের সবকিছু তছনছ করে দেওয়ার পর – খোদ কলকাতার অদূরে দমদমে বিজেপি প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্যের নির্বাচনী অফিস ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল দুষ্কৃতীরা, সঙ্গে বিজেপি নেতা চন্ডীচরণ রায়ের মাথা ফাটিয়ে রক্ত বার করে দেওয়া হল।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

ঘটনায় অভিযোগের তীর যথারীতি তৃণমূলের দিকে, আর স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সব অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে আঙুল তোলা হয়েছে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের দিকে। বিজেপি সূত্রের খবর, আজ দুপুরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক চণ্ডীচরণ রায় গোরাবাজারে বিজেপি পার্টি অফিসে বসে ভোটার তালিকা নিয়ে কাজ করছিলেন। সেই সময়, আচমকাই জনা চারেক যুবক মুখে গামছা বেঁধে ঢুকে পড়ে পার্টি অফিসের ভিতর, ঢুকেই দরজা বন্ধ করে দেয়।

আর তারপরেই পার্টি অফিস ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি, লোহার রড, চেলা কাঠ দিয়ে চণ্ডীচরণবাবুকে প্রচন্ড মারধর করে ওই দুষ্কৃতীরা। পার্টি অফিসের চেয়ার-টেবিল ভেঙে তছনছ করে দেওয়ার পাশাপাশি, মেরে ওই বিজেপি নেতার মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত ও রক্তাক্ত অবস্থায় পরবর্তীকালে চণ্ডীচরণবাবুকে উদ্ধার করে পুরসভা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমদম থানার পুলিশ, পরে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ জানান বিজেপি প্রার্থী শমীক ভট্টাচার্য। বিজেপির তরফে, সামগ্রিক ঘটনার পিছনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের যোগসাজশের দাবি করা হয়েছে। যদিও, তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে – বিজেপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরেই এই ঘটনা, পুলিশ তদন্ত করলেই সত্যটা সামনে আসবে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!