এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > আবার বিজেপি ভেঙে শক্তি বৃদ্ধি করল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস

আবার বিজেপি ভেঙে শক্তি বৃদ্ধি করল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস

রাজ্য রাজনীতিতে যত দিন যাচ্ছে ততই দুই যুযুধান প্রতিপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি একে অপরের ঘর ভাঙার কৌশল নিচ্ছে। কিছুদিন আগেই শাসকদলের বিষ্ণুপুরের লোকসভা সাংসদ সৌমিত্র খাঁ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের বর্তমান অঘোষিত দুনম্বর নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে গেরুয়া শিবিরে যোগদান করেছেন।

তারপরেই জল্পনা ছড়িয়েছে শাসকদলের অন্তত ১০ জন সাংসদ, বিধায়ক ও নেতা গেরুয়া শিবিরে যোগদান করতে পারেন। কিন্তু, এই দলবদলকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে রাজি নয় শাসকদলের শীর্ষনেতৃত্ব। কেননা সৌমিত্রবাবু দল ছাড়ার পর, শাসকদলের তরফে জানানো হয়েছে তাঁরা নাকি ‘আবর্জনা’ ফেলে দিচ্ছে আর সেই আবর্জনা কুড়িয়ে নিচ্ছে গেরুয়া শিবির।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আর তাই এই দলবদলের কথা না ভেবে শাসকদলের বেশি করে নজর এখন আগামী ১৯ শে জানুয়ারির ব্রিগেড সমাবেশ। কেননা সেই মঞ্চ থেকেই তৃণমূল নেত্রী বিজেপি বিরোধী বৃহত্তর জোটের শক্তি প্রদর্শন করতে চান। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্র থেকে বিজেপি সরকারকে উৎখাত করায় তাঁর মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন। যদিও তাঁর অনুগামীরা চান – আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ৪২ টির মধ্যে ৪২ টি আসনই জিতুক এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের প্রধানমন্ত্রী হন।

আর সেই ব্রিগেড সমাবেশের প্রচারে রানাঘাটের হিজুলি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বঙ্কিমনগরে গত শুক্রবার রাতে তৃণমূলের কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। সেই কর্মীসভায় সমর হালদার ও সুজাতা মণ্ডল নামে বিজেপির দুই জয়ী পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন বলে সূত্রের খবর। তাঁদের হাতে ঘাসফুলের পতাকা তুলে দেন রানাঘাট উত্তর-পূর্বের বিধায়ক সমীর কুমার পোদ্দার। যদিও বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, এটা যোগদান নয়, আত্মসমর্পণ। জেলাজুড়েই তৃণমূল জোর করে বিজেপি কর্মীদের তাদের দলে যোগ দিতে বাধ্য করছে।

Top
error: Content is protected !!