এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিজেপি সাংসদ আর তৃণমূলের সাংসদ – দুজনের দুই আচরণে হতবাক সকলে, জানুন বিস্তারিত

বিজেপি সাংসদ আর তৃণমূলের সাংসদ – দুজনের দুই আচরণে হতবাক সকলে, জানুন বিস্তারিত

Priyo Bandhu Media

 

একজন তৃণমূল সাংসদ, অপরজন বিজেপির সাংসদ। কিন্তু সংবিধান দিবসের পূর্তি অনুষ্ঠানে তারা দুজনেই যে ঘটনা ঘটিয়ে দিলেন, তা দেখে রীতিমতো হতবাক রাজনৈতিক মহল। এদিন সংসদে সংবিধান দিবস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ চলছিল। তবে এদিন এই সংবিধান দিবসকে হাতিয়ার করেই বিরোধীরা কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপিকে কোণঠাসা করতে তৎপর হয়েছিল।

সেই মত সকাল দশটার সময় তৃণমূলের সমস্ত সাংসদকে মেসেজ করে সংসদীয় অফিসে হাজির থাকার নির্দেশ দেন দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই মেসেজ দেখার সময় পাননি বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরাত জাহান‌। যার কারণে তৃণমূল সাংসদরা সংসদে সংবিধান দিবসে অংশগ্রহণ করার পরেই বি আর আম্বেদকরের মূর্তির সামনে যখন বিক্ষোভ দেখাতে পৌঁছে গেলেন, তখন সেখানে অনুপস্থিত থাকতে দেখা গেল এই নুসরাত জাহানকে।

তাহলে কি তিনি সংসদে এদিন উপস্থিত থাকেননি! না সংসদের ভেতরে ছিলেন, সংবিধান দিবসের অনুষ্ঠান উপভোগও করেছিলেন। কিন্তু দলের কর্মসূচিতে যোগ দিলেন না। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক জল্পনা। তবে গোটা ব্যাপারটি যে তার অবহিত ছিল না, পরে তা প্রকাশ পেল।

জানা গেছে, এদিন নিজেদের বিক্ষোভ কর্মসূচি সেরে যখন তৃণমূলের বাকি সাংসদরা নিজেদের ঘরে এলেন, তখন সেখানে পৌঁছে গোটা ব্যাপারটি সম্পর্কে অবহিত হন বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ নুসরাত জাহান। আর তৃণমূলের সমস্ত সাংসদরা বিজেপির বিরুদ্ধে যখন বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, ঠিক তখনই সংসদে বসে নুসরাত জাহানের এই সংবিধান দিবসের অনুষ্ঠান দেখার ঘটনাটিকে লুফে নিয়েছে বিজেপি। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে যখন এই ব্যাপারে তৃণমূলকে কটাক্ষ করা হচ্ছে, ঠিক তখনই উত্তর মালদহের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছে গেরুয়া শিবির।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এদিন বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর তরফে যখন আম্বেদকর মূর্তির সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি করা হচ্ছে, ঠিক তখনই সেখানে উপস্থিত হয়ে যান বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। প্রায় সাত মিনিট সেখানে থাকার পর তিনি বুঝতে পারেন যে এটা বিরোধী দলের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরে না বুঝে তিনি সেখানে চলে গিয়েছিলেন বলে জানান খগেনবাবু।

আর একদিকে তৃণমূলের নুসরাত জাহানের দলের কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়া, আর অন্যদিকে বিরোধীদের কর্মসূচিতে খগেন মুর্মুর যোগ দেওয়া নিয়ে এখন রীতিমত হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। একাংশ বলছেন, দুই দলের দুই সাংসদ না জেনেই এই ধরনের ভুল করে ফেললেন।

তবে এই ব্যাপারে একে অপরকে টিপ্পনী করতে ছাড়ছে না বিজেপি এবং তৃণমূল। এদিন এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের মত বিজেপি সাংসদ বলেন, “আরে এ তো খেলা 1-1 হয়ে গেল।” অন্যদিকে পাল্টা বিজেপিকে কটাক্ষ করে তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও ব্রায়েন বলেন, “ওই বিজেপি সাংসদকে ধন্যবাদ। উনি 7 মিনিটের জন্য হলেও দেশের গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে আমাদের সঙ্গে ছিলেন।” সব মিলিয়ে সংবিধান দিবসের পূর্ণলগ্নে একে অপরকে চাপে রাখতে চাইলেও বাংলার এক বিজেপি সাংসদ ও এক তৃণমূল সাংসদ শাসক-বিরোধী সকলকেই এক সুতোয় মিলিয়ে দিলেন।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!