এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > জাল ভোটারদের উপর ভর করে টিকে রয়েছে মমতা সরকার, বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপি সাংসদের

জাল ভোটারদের উপর ভর করে টিকে রয়েছে মমতা সরকার, বিস্ফোরক অভিযোগ বিজেপি সাংসদের


 

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আইনে পরিণত হওয়ার পর থেকেই তার প্রবল বিরোধিতা করতে শুরু করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই এই আইনের বিরোধিতা করে কখনও পদযাত্রা, আবার কখনও বা পথসভার মধ্য দিয়ে তাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে ঘাসফুল শিবির।

তবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে তৃণমূল বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তির পেছনে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাংক রয়েছে বলে প্রথম থেকেই কটাক্ষ করতে দেখা যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টিকে। আর এবার অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে তৃণমূলের যোগ দিয়ে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, নাগরিকত্ব সংশোধনী নাইন এবং এনআরসি ইস্যুতে এদিন হুগলির বিজেপি সাংসদ বলেন, “জাল ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড বানিয়ে এখানে নাগরিক ভেবে অনেকে বসবাস করছেন। এরকম এক কোটি ভোটারের নাম রয়েছে। এরা সকলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটার। এদের উপর নির্ভর করছে সরকার থাকবে কিনা। এই এক কোটি ভোটার চলে গেলে 2021 সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার গড়তে পারবেন না।” বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, প্রথম থেকেই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতায় প্রশ্ন তুলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

বিজেপির একাংশ দাবি করেছিল, অনুপ্রবেশকারীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বড় সম্পদ। আর তাইতো ভোটব্যাংকের স্বার্থে সেই সমস্ত অনুপ্রবেশকারীরা যাতে বাইরে না চলে যায়, তার জন্যই তিনি এই বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছেন। এদিন সেই কথা তুলে ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলেছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। যা তৃণমূলকে প্রবল অস্বস্তিতে ফেলল বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

এদিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আইনে পরিণত হওয়ার পর বাংলার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ হলেও, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে প্রশাসন অপারগ বলেও অভিযোগ করেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বেলেঘাটা, উলুবেরিয়া, সাঁতরাগাছি, মুর্শিদাবাদে যে ঘটনা ঘটেছে, কতজনকে গ্রেপ্তার করেছেন! আমাদের বিজেপি কর্মীদের তো মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। উল্টে বলছেন, যারা এসব করছে, তারা বিজেপির লোক। উনি মিথ্যা কথা বলছেন। এনআরসি বন্ধ করার ছক হচ্ছে। যারা হিংসা করছে, তারা দেশের নাগরিক নয়। যদি তারা ভারতবাসী হিসেবে নিজেদের মনে করত, তাহলে এভাবে ট্রেনে আগুন লাগাত না, পাথর ছুড়ত না, বাস জ্বালাত না।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একদিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে আপত্তি নিয়ে তৃণমূলকে প্রশ্ন, আর অন্যদিকে এই আইনের বিরুদ্ধে জ্বলন্ত প্রতিবাদে প্রশাসনের নীরব থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। আর হুগলির বিজেপি সাংসদের এই জোড়া প্রশ্নে রাজ্যের শাসক দল যে বেজায় অস্বস্তিতে পড়ল, সেই ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই রাজনৈতিক মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!