এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > আজকের পরে বাংলায় বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা কত দাঁড়াল? কে কে আছেন সেই তালিকায়? দেখে নিন একনজরে

আজকের পরে বাংলায় বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা কত দাঁড়াল? কে কে আছেন সেই তালিকায়? দেখে নিন একনজরে

২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় রেকর্ডকালীন ভালো ফল করে তিন-তিনজন বিধায়ক পায় ভারতীয় জনতা পার্টি। কিন্তু, তারপর থেকেই দ্রুত বদলাতে থাকে বাংলার রাজনৈতিক পটচিত্র – বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে দ্রুত প্রধান বিরোধী হিসাবে উঠে আসে বিজেপি। মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবার পরেই বিভিন্ন উপনির্বাচনে গেরুয়া শিবির বিশাল সংখ্যক ভোট বাড়িয়ে সকলকে চমকে দিচ্ছিল।

আর তারপর বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচন বা সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে গেরুয়া শিবির তো বাংলায় এবার পরিবর্তনের পরিবর্তন করার স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছেন আমজনতাকে। আর সেই কাজ সম্পূর্ণ করতে তৃণমূল কংগ্রেস তো বটেই বামফ্রন্ট বা কংগ্রেস থেকেও ঝাঁকে ঝাঁকে বিধায়ক নাকি বেরিয়ে এসে যোগ দেবেন বিজেপিতে। ফলে নাকি পরে যাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

আর বিজেপির হয়ে এই দল ভাঙানোর দায়িত্ব প্রায় একার কাঁধেই তুলে নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের একদা অঘোষিত দুনম্বর নেতা মুকুল রায়। ২০০৬ সাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক দায়িত্ব পেয়ে, তিনি দলকে বড় করার জন্য সব ধরনের নেতাদের তৃণমূলে শামিল করেছিলেন। আর এবার সেই একই কায়দায়, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভেঙে ক্রমশ কলেবরে বাড়াচ্ছেন বাংলায় গেরুয়া শিবিরকে।

আর তাই, এইসব একের পর এক দলবদলের পর দেখে নেওয়া যাক, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরে হওয়া বিভিন্ন উপনির্বাচনে জিতে ও দলবদলের ফলে বাংলায় বর্তমানে বিজেপির মোট বিধায়ক সংখ্যা কত দাঁড়াল ও তাঁরা কারা –

১. মনোজ টিগ্গা (মাদারিহাট – ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী)
২. স্বাধীন কুমার সরকার (বৈষ্ণবনগর – ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী)
৩. নীরাজ তামাং জিম্বা (দার্জিলিং – ২০১৯ সালের উপনির্বাচনে জয়ী)
৪. জুয়েল মুর্মু (হবিবপুর – ২০১৯ সালের উপনির্বাচনে জয়ী)
৫. আশীষকুমার বিশ্বাস (কৃষ্ণগঞ্জ – ২০১৯ সালের উপনির্বাচনে জয়ী)
৬. পবনকুমার সিং (ভাটপাড়া – ২০১৯ সালের উপনির্বাচনে জয়ী)

৭. দুলালচন্দ্র বর (বাগদা – ১২ ই মার্চ, ২০১৯ কংগ্রেস থেকে দলবদল করে বিজেপিতে)
৮. দেবেন্দ্রনাথ রায় (হেমতাবাদ – ২৮ শে মে, ২০১৯ সিপিএম থেকে দলবদল করে বিজেপিতে)
৯. শুভ্রাংশু রায় (বীজপুর – ২৮ শে মে, ২০১৯ তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হয়ে বিজেপিতে)
১০. তুষারকান্তি ভট্টাচার্য্য (বিষ্ণুপুর – ২৮ শে মে, ২০১৯ কংগ্রেস থেকে দলবদল করে বিজেপিতে)
১১. মনিরুল ইসলাম (লাভপুর – ২৯ শে মে, ২০১৯ তৃণমূল থেকে দলবদল করে বিজেপিতে)

১২. সুনীল সিং (নোয়াপাড়া – ১৭ ই জুন, ২০১৯ তৃণমূল থেকে দলবদল করে বিজেপিতে)
১৩. উইলসন চম্পামারি (কালচিনি – ২৪ শে জুন, ২০১৯ তৃণমূল থেকে দলবদল করে বিজেপিতে)
১৪. শোভন চট্টোপাধ্যায় (বেহালা-পূর্ব – ১৪ ই আগস্ট, ২০১৯ তৃণমূল থেকে দলবদল করে বিজেপিতে)
১৫. সব্যসাচী দত্ত (রাজারহাট-নিউটাউন – ১ লা অক্টোবর, ২০১৯ তৃণমূল থেকে দলবদল করে বিজেপিতে)

** বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়্গপুর সদর থেকে জয়ী হলেও, মেদিনীপুর লোকসভা থেকে বর্তমানে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায়, বিধায়ক হিসাবে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। তাই তিনি আর বিজেপির বিধায়ক তালিকায় নেই।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!