এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বিজেপিকে আটকানোর থেকেও মায়াবতীকে থামানোই কি এখন কংগ্রেসের বড় মাথাব্যথা? বাড়ছে জল্পনা

বিজেপিকে আটকানোর থেকেও মায়াবতীকে থামানোই কি এখন কংগ্রেসের বড় মাথাব্যথা? বাড়ছে জল্পনা

2019 এ কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে সরানো কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য হলেও বিরোধী মহাজোটে নিজেদের ভাঙ্গন আটকাতেই এখন প্রবল চিন্তায় পড়েছে হাত শিবির। কেননা ইতিমধ্যে বিরোধী মহাজোট থেকে নিজেদের দূরত্ব বজায় রেখেছেন উত্তরপ্রদেশের বহু জন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতী। আর এবারে সেই মায়াবতীর দাবিকে মান্যতা দিতে কিছুটা উদ্যোগী হল মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানের নবনির্বাচিত কংগ্রেস সরকার।

কেননা, সদ্য সমাপ্ত দেশের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের ফলাফলে তিন রাজ্যে ক্ষমতা দখল করেছে কংগ্রেস। তবে ছত্তিশগড়ে সরকার গড়লেও রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে ত্রিশঙ্কু হয়ে যাওয়ায় এক জায়গায় নির্দল ও আরেক জায়গায় বসপার সমর্থন নিয়ে সরকার গড়েছে কংগ্রেস। আর এবারে এই দুই রাজ্যের সরকারের ওপরই প্রবল চাপ সৃষ্টি করতে উদ্যোগী হলেন মায়াবতী।

জানা গেছে, গত 2 এপ্রিল সারা ভারত বন্ধে শামিল হওয়া দলিতদের বিরুদ্ধে অনেক রাজনৈতিক মামলা রয়েছে। আর সেই মামলা গুলি তুলে নিলে রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থনের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে বলে জানাল বহুজন সমাজবাদী পার্টি।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, গত সোমবার এই রকম মন্তব্য করে কংগ্রেসের হৃদ কম্পন বাড়িয়ে দিয়েছেন মায়াবতী। আর এদিকে কোনো উপায় না দেখে লোকসভা নির্বাচনের আগে এই দুই রাজ্যে নিজেদের সরকার টিকিয়ে রাখতে উদ্যোগী কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও দলিতদের বিরুদ্ধে হওয়া রাজনৈতিক মামলা তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এদিন এই প্রসঙ্গে মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকারের আইনমন্ত্রী পি সি শর্মা বলেন, “কংগ্রেস, সপা, বসপা, বাম, নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের সহকর্মী, কৃষক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রদেশের আগের বিজেপি সরকার আনা রাজনৈতিক মামলা গুলো আমরা তুলে নিতে চলেছি।”

এদিকে মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকারের এহেন ঘোষণার পরপরই রাজস্থানের কংগ্রেস সরকারের পক্ষ থেকেও সেই রাজনৈতিক মামলাগুলো তুলে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। এদিন এই প্রসঙ্গে রাজস্থানের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বলেন, “কত জন দলিতের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং তাদের মধ্যে কতজন দোষী প্রমাণিত তা তদন্তের বিষয়। অনেক সময় নিরীহরাও মামলায় জড়িয়ে পড়েন। মায়াবতী ওর দিক থেকে ঠিকই বলেছেন। সরকার বিষয়টি খতিয়ে দেখবে।”

রাজনৈতিক মহলের মতে, চাপে পড়ে সিদ্ধান্ত নিতে হল কংগ্রেসকে। রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশে নিজেদের সরকার টিকিয়ে রাখতে হলে এই বহুজন সমাজবাদী পার্টির সমর্থন তাদের অত্যন্ত জরুরী। অন্যদিকে আগামী লোকসভা নির্বাচনেও উত্তরপ্রদেশে নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক টিকিয়ে রাখতে বহুজন সমাজবাদী পার্টির সমর্থন প্রয়োজন তাঁদের।

তাই বহুজন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতীর পক্ষ থেকে দলিতদের দেওয়া মামলাগুলো তুলে নিলে কংগ্রেসকে কংগ্রেস সরকারকে বাইরে থেকে সমর্থন করা হবে – এই মন্তব্য করার পরপরই তা লুফে নিয়ে সেই মামলাগুলো প্রত্যাহার করে নেওয়ার আশ্বাস দিল রাজস্থান ও মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকার। তবে কিছুর পরও আদৌ কংগ্রেসের সঙ্গে বহুজন সমাজবাদী পার্টির সম্পর্কে চিড়ে ভিজবে কিনা এখন তার দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!