এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বিজেপির সাথে বরফ গলল না? তৃণমূলে ফেরার রাস্তা তীব্র হতেই শোভনকে নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

বিজেপির সাথে বরফ গলল না? তৃণমূলে ফেরার রাস্তা তীব্র হতেই শোভনকে নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

Priyo Bandhu Media

একসময় বান্ধবী বৈশাখী বন্দোপাধ্যায়কে নিয়ে তৃণমূল দলের শীর্ষ নেতৃত্বের আপত্তির কারণে দীর্ঘদিনের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ত্যাগ করেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। মন্ত্রিত্ব থেকে মেয়র পদে ইস্তফা দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দেন, তার কাছে বন্ধুত্বের সম্পর্ক সব থেকে আগে।পরবর্তীতে রাজ্যে তৃণমূলের বিরোধী শক্তি হিসেবে পরিচিত বিজেপিতে নাম লেখান শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

তবে বিজেপিতে যোগদানের পর থেকেও সময় খুব একটা ভালো যায়নি শোভনবাবুর। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সেই শোভন-বৈশাখী জুটিকে উদ্দেশ্য করে “ডাল-ভাত” উক্তি থেকে শুরু করে বিজেপিতে যোগদানের পর রাজ্যে প্রথম আসা শোভন চট্টোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানালেও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। পরবর্তীতে দিল্লিতে গিয়ে মুকুল রায়ের সঙ্গে শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় দেখা করলেও বিজেপির কোনো কর্মসূচিতে তাদের দেখা যায়নি। যা নিয়ে বিভিন্ন সময় রাজ্য রাজনীতিতে ছড়িয়ে পড়েছে জল্পনা।

 

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, শোভন চট্টোপাধ্যায় আদৌ কি বিজেপিতে আছেন! নাকি রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিয়েছেন! আর এহেন একটা পরিস্থিতিতে এবার ভাইফোঁটার দিনে সকলের জল্পনা বাড়িয়ে দিয়ে কালীঘাটে নিজের প্রাক্তন নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে ফোঁটা নিতে দেখা গেল শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। যেখানে শোভনবাবুর সঙ্গে কালীঘাটের বাড়িতে উপস্থিত হতে দেখা যায় বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। বিজেপি নেতা হয়ে নিজের প্রাক্তন নেত্রীর বাড়িতে কেন এভাবে ফোটা নিতে গেলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়! তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন একাংশ।

তবে বিজেপির তরফে অনেকেই দাবি করেন, এই ভাইফোঁটা সামাজিক ইস্যু। তাই সেক্ষেত্রে তিনি ফোটা নিতে যেতেই পারেন। এর সঙ্গে রাজনীতিকে গোলালে চলবে না। কিন্তু বিজেপি নেতারা চাপে পড়ে যে সাফাই দিন না কেন, যে তৃণমূলের প্রতি বিতশ্রদ্ধ হয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায় বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন, সেই বিজেপিতেও দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় থেকে ভাইফোঁটার দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে তাঁর যে বিজেপির কাছে প্রবল অস্বস্তির কারণ, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল রাজনৈতিক মহল।

কিন্তু এবার শোভনবাবুর নিরাপত্তাও ফিরিয়ে দিয়েছে নবান্ন যার জেরে তাঁর তৃণমূল ঘনিষ্ঠতা আরো স্পষ্ট হয়ে গেলো। আর কিছু দিন এই নিয়ে চুপ থাকার পর এদিন শোভনবাবুকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন যে, ‘রাস্তায় একটা টাকা কুড়িয়ে পেয়েছিলাম সেটা হাতে নিয়ে দান করে দিয়েছি। তাতে আমাদের কোনও ক্ষতি হয়নি।’

সাথেই তাঁর সাথে বিজেপির সম্পর্ক যে খুব একটা ভালো ছিল না তা নিয়ে তিনি বলেন যে, ‘শোভনকে আমরা কোনও দায়িত্ব দিইনি। উনি বিজেপিতে সক্রিয় ছিলেন না। যোগ দেওয়ার পর একবারই পার্টি অফিসে এসেছিলেন। অমিত শাহর সভার আগে আমি ফোন করেছিলাম। তিনি ফোন ধরেননি। আমরা বহিষ্কার করি না, সংস্কার করি। ওনাকে আমরা স্বীকার করেছি এই মাত্র।’

সাথেই তাঁর বিজেপিতে যোগের জল্পনাকে বাড়িয়ে এদিন তিনি বলেন যে, ‘যাঁরা এসেছিলেন তাঁরা দেখতে এসেছিলেন এখানে থাকা যায় কি না। এসেছেন, দেখেছেন। উনি থাকবেন কি থাকবেন না সেটা ওনার বিষয়। শোভন নিয়ে আমাদের কোনও মুখ পোড়েনি। রাজনীতিতে আসা যাওয়া লেগে থাকে। অনেকে এসেছেন, কিছুজন ফিরে গিয়েছেন। কেন ফিরেছেন সবাই জানে। তাঁদের মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। ভয় দেখানো হয়। অনেক লোক পার্টিতে রয়েও গিয়েছেন।’

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!