এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > প্রাক্তন বিজেপি নেত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু,আঙ্গুল উঠছে পুরোনো দলের দিকেই

প্রাক্তন বিজেপি নেত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু,আঙ্গুল উঠছে পুরোনো দলের দিকেই

পঞ্চায়েতের পর যখন পুরুলিয়ার বলরামপুরে তৃনমূলের বিরুদ্ধে দলীয় কর্মীদের খুনের অভিযোগ তুলছে বিজেপি,তখন বিপরীত চিত্র দেখা গেল দক্ষিন দিনাজপুর জেলা বিজেপিতে।সূত্রে খবর,এখানে এক বিজেপি কর্মীকেই খুনের অভিযোগ এসেছে তারই দলের তরফে। স্থানীয় সূত্রে খবর,দক্ষিন দিনাজপুরের বংশীহারির শেরপুরের বাসিন্দা বছর চল্লিশের মৌসুমি মজুমদার এলাকায় বিজেপির সক্রিয় কর্মী বলেই পরিচিত ছিল।কয়েক মাস আগে নবগঠিত বুনিয়াদপুর পুরসভার নির্বাচনে দলের তরফে প্রার্থী করা হলেও জিততে পারেননি তিনি।শোনা যায়,এরপর থেকেই জেলার বিজেপি সভাপতি শুভেন্দু সরকারের সঙ্গে তাঁর বিরোধ বাধে।বিজেপির প্রকাশ্য এক সভায় জেলা সভাপতিকে চড় ও মারেন তিনি।এরপর জেলা বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মানসিক চাপের অভিযোগ এনে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মৌসুমীদেবী ।বিজেপি সূত্রে খবর,এরপরই দল থেকে বহিষ্কার করা হয় তাঁকে। কিন্তু সামান্য এই ঘটনার জন্য কেন আত্মহননের পথ বেছে নিলেন জেলা বিজেপির এই প্রাক্তন নেত্রী! মৌসুমীদেবীর স্বামী প্রদীপ মজুমদার জানিয়েছেন,,রোজকার মত সোমবার সকালে কাজে বেড়িয়েছিলেন তিনি।দিনভর একাই বাড়িতে ছিলেন মৌসুমীদেবী।রাতে বাড়ি ফিরে শোয়ার ঘরে স্ত্রী না থাকাতে পাশের ঘরে গিয়ে দেখেন মৌসুমীদেবীর ঝুলন্ত মৃতদেহ।পরে মৃতদেহটিকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের  জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এদিন মৃতার স্বামী আরও অভিযোগ করে বলেন,ইদানীং নানা অজুহাতে মৌসুমীদেবীকে হেনস্তা করতেন স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা।সূত্রে খবর,মাস খানেক আগে এক বিজেপি কর্মীর কাছ থেকে চিকিৎসার জন্য টাকা ধার নেন মোসুমীদেবী।বেশ কিছু টাকা শোধও করে দেন তিনি।কিন্তু এর জন্য সেই কর্মীর দ্বারা প্রতিদিন মানসিকে অপমানে বিধ্বস্ত হয়েই তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন।এব্যপারে দক্ষিন দিনাজপুর জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকার বলেন,”দলের কারও কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন কি না জানি না।তবে মৌসুমীদেবীকে বহু আগেই দলবিরোধী কাজের জন্য বহিস্কার করা হয়েছে।তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে বিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই।”সব মিলিয়ে চরম চাপে দক্ষিন দিনাজপুর জেলা বিজেপি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!