এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > পশ্চিমবঙ্গের বাইরে তৃণমূল কংগ্রেস নিয়ে একমাত্র আগ্রহ রয়েছে বাংলাদেশের জিহাদিদের! ফের তৃণমূলকে তোপ বিজেপি নেতার

পশ্চিমবঙ্গের বাইরে তৃণমূল কংগ্রেস নিয়ে একমাত্র আগ্রহ রয়েছে বাংলাদেশের জিহাদিদের! ফের তৃণমূলকে তোপ বিজেপি নেতার

বিজেপি প্রস্তাবিত রথযাত্রা কর্মসূচির বাস্তবায়ন তো দূরের কথা, এতদিন এর নিশ্চয়তা নিয়ে আইনি জটিলতায় আটকে ছিল গেরুয়াশিবির। তবুও এই রথযাত্রা নিয়ে বিজেপি বনাম তৃণমূলের আক্রমণ তথা পাল্টা আক্রমণের খেলা অব্যাহত। তৃণমূল নেতারা কোনো জনসভায় বক্তব্য রাখতে গেলেই রথযাত্রার প্রসঙ্গ তুলে বিজেপিকে তুলোধনা করছেন। তেমনি বিজেপিও তার পাল্টা জবাব দিতে ছাড়ছে না সুযোগ পেলেই।

গতকাল দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে মহকুমাশাসক দপ্তরের সামনে আইন অমান্য আন্দোলন কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিষোদগার করলেন বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সায়ন্তন বসু। সরাসরি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হুঁশিয়ারি দিয়ে বললেন, “এত বড় দুঃসাহস বিজেপির রথযাত্রা আটকাবে! বিজেপির যাত্রা আটকানোর চেষ্টা করে দেখুন আমরা আপনার চাকা মাটিতে বসিয়ে দেব”। এর পাশাপাশি জোড়াফুল শিবিরকে কটাক্ষ করে আরো জানান, পশ্চিমবঙ্গের বাইরে এই তৃণমূল কংগ্রেস নিয়ে একমাত্র আগ্রহী বাংলাদেশের জেহাদীরাই। তাঁরাই নাকি তৃণমূল নেত্রীকে বারবার আহ্বান জানান সম্মিলিত প্রয়াসে দুই বাংলার সরকার বানানোর জন্যে!

আর সেজন্যেই পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে মমতা ব্যানার্জীর সরকার – বলে অভিযোগ সায়ান্তনবাবুর। এরপর পরোক্ষভাবে তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে তিনি বলেন, রাজ্যের এক নেতা রয়েছে তিনি বিজেপির রথকে এসি বাস বলে উল্লেখ করেছিলেন সম্প্রতি। আরে আপনার বাড়িটা তো পুরো এসিতে ভরতি হয়ে গেছে। চতুর্দিকে এসিতে বসে থাকেন। তাঁর নেতৃত্বেই আবার পুলিশ-প্রশাসন চলে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এই প্রসঙ্গে রাজ্য পুলিশকেও একহাত নিয়ে শুধরে যাওয়ার কথা বলে জানান, ‘এখন তৃণমূল আমলে চাকরি করলেও রিটায়ারমেন্টটা বিজেপির আমলে হবে। তখন কিন্তু সার্ভিস বুকে লাল দাগ ফেলে দেব! সামনেই লোকসভা নির্বাচন। যে সব পুলিশ ও সরকারি কর্মীরা তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের গা-হাত-পা টিপে দিচ্ছেন। তাঁদের নামের তালিকা তৈরি করে পাঠান। তাঁদের জেলার বাইরে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি’। প্রসঙ্গত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি একটি দলীয় জনসভায় মন্তব্য করেন, ‘রথ না সেভেন স্টার হোটেল? এরা গাধা দেখিয়ে বলছে ঘোড়া। আর একটা বাসকে বলছে রথ! বিজেপি দিল্লি থেকে একটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত সাত তারা বাস এনে বলছে রথ’!

এর পাশাপাশি বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগের সুর চড়িয়ে আরো বলেছিলেন যে, রথযাত্রা কর্মসূচির নামে বাংলায় বিভেদের রাজনীতিকে উস্কে দিতে চায় গেরুয়াশিবির। তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতিকেই পাল্টা দিতেই এদিন সরব হতে দেখা গেল রাজ্য বিজেপির প্রথম সারির নেতা সায়ন্তন বসুকে। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। এর পাশাপাশি দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যেও বার্তা দিয়ে সায়ন্তনবাবু বলেন, রাজ্য পুলিশ যদি বিজেপির কোনো সভা করতে অনুমতি না দেয় তাহলে পেছনে হটার দরকার নেই।

বিকল্প উপায় হিসাবে থানাতেই সভা করার পরামর্শ দেন তিনি। সোজা কথায়, যিনি অনুমতি দেবেন না তাঁর বাড়ির উঠোনেই সভা করার কড়া নিদান দেন তিনি। আর রাজ্য সরকার বা রাজ্য পুলিশের অনুমতির কোনো প্রয়োজন নেই সভা করার জন্যে – বিজেপি সভা করছে শুধু এটা জানিয়ে দিলেই হবে। এমনটা বলেই শাসকদলকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সম্পাদক। আসলে রথযাত্রার অনুমতি দেওয়া নিয়ে রাজ্য সরকার যে ভাবে টালবাহানা করল, তার প্রতিবাদ জানাতেই এভাবে এদিন সভামঞ্চ থেকে সরব হলেন রাজ্য বিজেপির এই প্রভাবশালী নেতা – এমনটাই মনে করছেন অভিজ্ঞমহল।

Top
error: Content is protected !!