এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > রাজনৈতিক হিংসার উপর থিসিস লিখে পিএইচডি করেছেন মমতা,দাবি বিজেপি নেতার

রাজনৈতিক হিংসার উপর থিসিস লিখে পিএইচডি করেছেন মমতা,দাবি বিজেপি নেতার

তিনি বঙ্গের বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়েছেন খুব বেশি দিন হয়নি। হিসেব বলছে প্রায় দু বছর। তবে এরই মধ্যে দফায় দফায় তাকে তৃণমল সরকারের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেছে। কথা হচ্ছে বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোসের প্রপৌত্র চন্দ্র কুমার বোসের। এদিনও তাঁকে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রমণ শানাতে দেখা গেলো। “রাজনৈতিক হিংসায় এমএ করেছেন মমতা। শুধু তাই নয় রীতিমতো রাজনৈতিক হিংসার উপর থিসিস লিখে পিএইচডি-ও করেছেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর মুখ্য বিরোধীদের দিকে আঙুল তোলা খুব হাস্যকর।” এমনভাবেই বাক্যবাণে বিঁধলেন তিনি বঙ্গের নেত্রী। কিন্তু কেন হঠাৎ এধরনের মন্তব্য তাঁর? আসুন জেনে নেওয়া যাক্।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

রাজনৈতিক সূত্রের খবর থেকে জানা গেলো, নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে গেরুয়া শিবিরের মতো মিলিটান্ট অর্গানাইজেশন নয় তৃণমূল। এর পাশাপাশি বিজেপিকে উগ্রতাবাদী এবং চরম ধর্ম বিদ্বেষী বলেও দাবী করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি জানান যে বিজেপি নাকি মুসলিম,খ্রিস্টান, শিখ কাউকেই বিশ্বাস করে না বরং হিন্দুদের ভিতর হিংসা ছড়িয়ে ঝামেলা বাধাতে চায়। তৃণমূল সুপ্রিমোর এই মন্তব্যেরই পাল্টা কটাক্ষ করেছিলেন নেতাজীর উওরসূরি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে টেনেছিলেন পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্বের তৃণমূলের হিংসার রাজনীতির প্রসঙ্গ। নির্বাচনে ৫০ জন সাধারণ মানুষ অবাধ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছে। এখনো অনেকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন। ভোটে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার জন্যেই তাঁরা বিরোধীদের হটাতে হাতিয়ার করেছিলো পুলিশ প্রশাসনকে। এমনভাবেই রাজ্যসরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হয়েছিলেন এই বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এছাড়া আরো জানালেন যে, কয়েকবছর আগেই কেন্দ্র সরকারের শরিক হতে তৃণমূল সরকারকে বিজেপি-স্তুতিও করতে দেখা গেছে। ফলস্বরূপ পেয়েওছিলেন কয়লা এবং রেলের মন্ত্রীত্ব পদ। বিরোধীরা নাকি তখন ব্যঙ্গ করে বলতেন,’ মোদী ভাই,দিদি ভাই।’ সেই মধুর সম্পর্কে আজ বিভেদের প্রাচীর চড়া হয়েছে। কারণ হিসাবে তিনি তুলে ধরলেন বঙ্গে বিজেপির ভোটব্যাঙ্কের ক্রমবর্ধমান গতিকে। বঙ্গে বিজেপি যে কোনো কোনো জায়গায় শাসকদলকেও টক্কর দিয়েছে তার প্রমাণ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে জঙ্গলমহলের কোনায় কোনায়। তাই বিজেপিশিবির সম্পর্কে দলনেত্রী ইতিমধ্যে হুঁসিয়ারও করে দিয়েছেন তাঁর সহযোদ্ধাদের। টাকা ছড়িয়ে নাকি পদ্মশিবির বাংলায় ক্ষমতার শীর্ষে পৌছাতে চাইছে। এমনকি দাঙ্গা বাঁধানোরও ফিরিক খুঁজছে। তাই পুলিশ প্রশাসনকে আগেই সতর্ক থাকতে বলে দিয়েছেন নেত্রী। পাশাপাশি তৃণমূল সমর্থকদের নজরদারি করতে বললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আসলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বিজেপি যে বঙ্গে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে সেটাই সহ্য হচ্ছে না জোড়াফুল দলের। এমনটাই দাবী জানালেন এদিন বিজেপি নেতা চন্দ্র কুমার বসু।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!