এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > কর্নাটকে সাফল্য পেলেও এই রাজ্যে জোর ধাক্কা খেল বিজেপি, জেনে নিন

কর্নাটকে সাফল্য পেলেও এই রাজ্যে জোর ধাক্কা খেল বিজেপি, জেনে নিন

গেরুয়া শিবিরের আশা ছিল, কর্নাটকে তারা যেভাবে সাফল্য পেয়েছে, ঠিক একইভাবে মধ্যপ্রদেশেও তারা সাফল্য আনবে। কিন্তু সব জায়গায় সব ঘোড়া যে এক নয়, তা স্পষ্ট হয়ে গেল। বস্তুত, গতকাল রাতেই কর্নাটকে কংগ্রেস জেডিএস জোট সরকারের পতন হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়তে হয়েছে এইচডি কুমারস্বামীকে।

এরপরই মধ্যপ্রদেশে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা শিবরাজ সিং চৌহানকে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করতে দেখা যায়। যেখানে তিনি বলেন, “কর্ণাটকের মত মধ্যপ্রদেশে বিজেপি সরকার ভাঙ্গার কোনো চেষ্টা করবে না। তবে কংগ্রেসের ভিতরকার লড়াইয়ে সরকার পড়ে যাবে। আর যদি এমনটা হয় তাহলে বিজেপির কিছু করার নেই।”

এদিকে এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জনের সৃষ্টি হয় যে, তাহলে কি এবার বিজেপির টার্গেট মধ্যপ্রদেশ! সেখানেও কি সরকার ভাঙতে উদ্যোগী হচ্ছে তারা! অন্যদিকে মধ্যপ্রদেশে বিজেপির বিরোধী দলনেতা গোপাল ভার্গবও ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে বলেন, “আমাদের দলের এক নম্বর ও দুই নম্বর নির্দেশ দিলে কমলনাথের সরকার 24 ঘন্টাও টিকবে না।” বলতে বা বুঝতে বাকি নেই কারোরই যে এই এক নম্বর এবং দুই নম্বর বলতে নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহকেই বুঝিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের বিজেপির বিরোধী দলনেতা।

আর বিজেপির পক্ষ থেকে মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেসের সরকার ফেলে দেওয়া নিয়ে যখন একের পর এক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করা হচ্ছে, ঠিক তখনই পাল্টা এই ব্যাপারে বিজেপিকেই গোল দিয়ে বসলেন সেই কর্নাটকের মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, এদিন বিকেলে মধ্যপ্রদেশ সরকারের একটি বিল পাসের সময় অমরনাথ বিজেপির দুই বিধায়ককে ভাঙিয়ে আনেন। যেখানে দিলে সরকারের পক্ষে ভোট দেন বিজেপির নারায়ন ত্রিপাটি এবং শরদ কউল। আর এরপরই কমলনাথ বিজেপির এই দুই বিধায়ককে নৈশভোজের জন্য আমন্ত্রণ জানান।

জানা যায়, এই 2 বিধায়ক আগে কংগ্রেসেই ছিলেন। তারপর তারা বিজেপিতে যোগদান করেছেন। আর এদিন তারা ফের কংগ্রেসের দিকে ভোট দেওয়ায় মধ্যপ্রদেশে বিজেপি যে প্রবল সংকটে পড়তে চলেছে, তা প্রমাণ করে দেওয়ার চেষ্টা করলেন কংগ্রেসের কমলনাথ বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

এদিন এই প্রসঙ্গে কংগ্রেসের জিতু পাটোয়ারী বলেন, “কমলনাথ কর্নাটকের কুমারস্বামীর মতন নন। মধ্যপ্রদেশে বিজেপি নেতারা যদি ঘোড়া কেনাবেচার চেষ্টা করেন, তাহলে ওদের সাতবার জন্ম নিতে হবে।” হাত শিবিরের অনেকে আবার বলছেন, এ তো সবে শুরু। কংগ্রেসের সরকারের দিকে বিজেপি কুনজর দিলে তাদের দলেই আরও বেশি করে ভাঙ্গন ধরবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কর্নাটকের পর মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেসের সরকার ভাঙা নিয়ে বিজেপি নেতারা নানা মন্তব্য করেছিলেন। যা নিয়ে জাতীয় রাজনীতিতেও শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু এবার বিজেপির সেই মন্তব্যকে দূরে সরিয়ে দিয়ে তাদেরই দুই বিধায়ককে নিজেদের দিকে টেনে কমলনাথ বিজেপি নেতাদের চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিলেন বলে মত বিশ্লেষকদের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!