এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > বিজেপি কর্মীর মৃত্যুতে তুলকালাম শুভেন্দু গড়ে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার গ্রেপ্তারি দাবি

বিজেপি কর্মীর মৃত্যুতে তুলকালাম শুভেন্দু গড়ে হেভিওয়েট তৃণমূল নেতার গ্রেপ্তারি দাবি

2019 এর লোকসভা ভোটের আগে থেকেই রাজনৈতিক হাতাহাতি ক্রমবর্ধমান হচ্ছিল পশ্চিমবঙ্গে। যা বর্তমানে কমেনি, বরং আরো বেড়েছে। বিরোধী দলগুলির দাবি, শাসক পক্ষ তার আগ্রাসী ভাব বজায় রাখছে রাজনৈতিকভাবে হানাহানি করে। একের পর এক রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটে চলেছে রাজ্যজুড়ে। রাজ্যের দলীয় হানাহানি নিয়ে সর্বদাই বিরোধিতা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পর্যন্ত। এলাকা দখলের লড়াইয়ে প্রাণের মূল্য কেউই চোকায় না। তা আরো একবার চোখে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে দিল পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর। শুভেন্দু গড়ে রাজনৈতিক হানাহানির ছবি আরও তীব্রতর হচ্ছে দিনকে দিন।

এদিন পটাশপুরে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু ঘিরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বিজেপি কর্মী বাসুদেব মাঝি কে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ জানা প্রবল ভাবে আক্রমণ করেন। এই আক্রমণের ফলে বিজেপি কর্মী অত্যন্ত আহত হয়। গুরুতর অসুস্থ ছিলেন তিনি এতদিন। আর এরপর বুধবার রাতে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে জেলার বিজেপি কর্মী নেতারা মৃতদেহ ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।

সূত্র থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল নেতা বিশ্বজিৎ জনার সাথে বাসুদেব মাঝির চরম দ্বন্দ্ব ছিল। এলাকার প্রত্যেকেরই তা জানা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় বাসুদেব মাঝি কে বিশ্বজিৎ জানা তুমুল মারধর করে। ফলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন বাসুদেব মাঝি। তাঁকে সেই মুহূর্তে প্রথমে পটাশপুর ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও তারপর বেশ কিছুদিন তমলুক হাসপাতালে ভর্তি করে রাখা হয়। কিছুদিন আগেই বাড়ি ফিরেছেন তিনি। বাড়ি ফিরেও তার অসুস্থতা কাটেনি। বুধবার রাতে তিনি মারা যান।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

একে একে এলাকার বিজেপি নেতা ও কর্মীরা বাসুদেব মাঝির বাড়িতে ভিড় জমান। মৃতদেহ নিয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী বিশ্বজিৎ জানার বাড়িতে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। বিজেপি কর্মী সর্মথকরা দাবি জানাতে থাকেন, অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ জানা কে মুহূর্ত কালক্ষেপ না করে গ্রেপ্তার করতে হবে। নচেৎ অভিযুক্তের বাড়ির সামনেই হবে বিজেপি কর্মী বাসুদেব মাজির মৃতদেহ সৎকার। অবস্থা আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়।

অন্যদিকে এলাকার তৃণমূল দল দাবি করেছে বিজেপি মৃতদেহ নিয়ে নোংরা রাজনীতির খেলা খেলছে। তাদের বক্তব্য যদি পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় এই গন্ডগোল হয়, তাহলে তৎক্ষণাৎ বিজেপির তরফ থেকে থানাতে কেন অভিযোগ জানানো হয়নি। এদিন পটাশপুর এর ব্লক তৃণমূল সভাপতি তাপস মাঝি জানান, মৃত্যুর ঘটনা অবশ্যই দুঃখের। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ঘটনা যখন এত দিন আগে ঘটেছে, তখন কেন বিজেপি কর্মীরা এতদিন চুপ করেছিলেন ? কেন তারা থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান নি ? এখন কেন তারা মৃতদেহ নিয়ে এই নোংরা রাজনীতির খেলা খেলছেন ? কেন এই নাটক ? তিনি দাবি করেন, বাসুদেব মাঝির মৃত্যু অসুস্থতার কারণেই হয়েছে। কোন রাজনৈতিক হানাহানির কারণে নয়।

এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী বিশ্বজিৎ জানা ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ। পুলিশ তাঁর খোঁজ পায়নি। তবে অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী বিশ্বজিৎ জানা কে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ পরবর্তী কি পদক্ষেপ নেয় তা দেখার। অন্যদিকে, বিজেপি কর্মীরা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের আক্রমণের ঝাঁঝ আরো বাড়ায় কিনা সেদিকেও লক্ষ্য রাখবে রাজনৈতিক মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!