এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দলে প্রবেশ পদ্ধতি আরও কড়া, বদলাচ্ছে বিজেপি যোগের পদ্ধতি

দলে প্রবেশ পদ্ধতি আরও কড়া, বদলাচ্ছে বিজেপি যোগের পদ্ধতি

লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যে বিজেপির কলেবর বাড়তে শুরু করেছে।প্রায় 18 টির মতো আসন নিজেদের দখলে রেখে এবার তৃণমূলের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে গেরুয়া শিবির। আর এই অভূতপূর্ব ফলাফলের পরই দিকে দিকে শাসক দল থেকে একাধিক জনপ্রতিনিধি কর্মী-সমর্থকরা বিজেপিতে যোগদান করতে শুরু করেন।

তবে এবার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখেই সেই কর্মীদেরকে সদস্য পদ দেওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে বিজেপি। বস্তুত, ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে আগামী 6 জুলাই থেকে সদস্যপদ হওয়ার জন্য বিজেপি তরফে একটি নির্দিষ্ট নম্বর দেওয়া হবে। আর এখানেই বদল আনতে চলেছে গেরুয়া শিবির।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, এতদিন সেই নির্দিষ্ট নম্বরে মিসড কল দিলেই কর্মীরা সদস্য পদ পেয়ে যেতেন। কিন্তু এর ফলে অনেক সদস্যপদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দলকে বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়েছে। যার জেরে কোন জেলায় কতগুলো সদস্য রয়েছে, সেই ব্যাপারটি স্পষ্ট ছিল না বিজেপি নেতৃত্বের কাছে।

সূত্রের খবর, এবার বিজেপির সদস্য পদ পাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করতে হবে। আর সেই গোটা বিষয়টি দেখেই নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে প্রাথমিক সদস্যপদ দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন বুথ সভাপতি। যেমন, কোচবিহার জেলায় বিজেপির 70 হাজার সদস্য থাকলেও 40 শতাংশের কোনো হদিসই পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে। আর এই ভূতুরে সদস্যদের নিয়ে কোনভাবেই দল চালানো যাবে না, এই ব্যাপারে পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নিতে শুধু মিসড কল নয়, সমস্ত তথ্য যাচাই করেই কর্মীদেরকে দলে আনতে উদ্যোগী গেরুয়া শিবির।

এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য কমিটির অন্যতম সদস্য হেমচন্দ্র বর্মণ বলেন, “শুধু মাত্র মিসড কল দিয়ে সদস্য পদ পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা বিভ্রান্তি থেকে যাচ্ছে। সেই কারণেই মিসড কল দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করতে হবে। তারপর তিনি সদস্যপদ পাবেন।” একই কথা শোনা গেছে কোচবিহার জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় চক্রবর্তীর গলাতেও।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর সেই বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এখন থেকেই দলীয় সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগী গেরুয়া শিবির। আর তাই ভুয়ো কর্মী অপেক্ষা যাতে দলে সঠিকভাবে প্রকৃত কর্মীদের নিয়ে আসা যায়, তার জন্য এখন সদস্যপদের ব্যাপারে কড়াকড়ি করছে বিজেপি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!