এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মোদী-ম্যাজিকে ভর করে বাংলার এই পাঁচ লোকসভায় পদ্ম ফোটানোর মহা-পরিকল্পনায় গেরুয়া শিবির

মোদী-ম্যাজিকে ভর করে বাংলার এই পাঁচ লোকসভায় পদ্ম ফোটানোর মহা-পরিকল্পনায় গেরুয়া শিবির

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলার ৪২ টি লোকসভা আসনের মধ্যে অন্তত ২২-২৩ টি আসন নিজেদের দখলে আনার ভাবছেন নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহরা। গেরুয়া শিবিরের অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস যতই দাবি করুক যে বাংলায় তারা ৪২ টির মধ্যে ৪২ টি আসনই জিতবে এবং কেন্দ্রের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর নাম হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আসলে বাংলার মানুষ নাকি শাসকদলের উপর তীব্রভাবে ক্ষুব্ধ।

আর তাই সেই ক্ষোভকে কাজে লাগিয়েই নাকি বাংলায় এবার অসাধ্যসাধন করতে চলেছে গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর, নিজেদের মিশন-২২ সফল করতে এক মহা পরিকল্পনা নিয়েছেন গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতারা। যে পরিকল্পনায় মোদী-ম্যাজিককে কাজে লাগিয়ে অন্তত পাঁচটি লোকসভায় পদ্ম ফুটতে চলেছে। কোন কোন লোকসভা গেরুয়া শিবিরের লক্ষ্য? এখনো পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে এই তালিকায় রয়েছে – বনগাঁ, বসিরহাট, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট ও দমদম লোকসভা কেন্দ্র।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

কিন্তু, কি সেই মোদী-ম্যাজিক ও কেনই বা এই পাঁচটি লোকসভা কেন্দ্র বেছে নেওয়া হল? গেরুয়া শিবিরের ভিতরের আলোচনা থেকে যা জানা যাচ্ছে তার নির্যাস হচ্ছে, আসামে চলা জাতীয় নাগরিকপঞ্জী বর্তমানে এক জ্বলন্ত ইস্যু। বিজেপি সরকার যেখানে চাইছে ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে – সেখানে বিরোধীরা এই ইস্যু নিয়ে সাধারণ মানুষকে সম্পূর্ণ ভুল বুঝিয়ে যাচ্ছে। আর তারফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন শরণার্থীরা। বিজেপির বক্তব্য এই অনুপ্রবেশকারী ও শরণার্থীদের মধ্যে একটা মৌলিক পার্থক্য আছে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরনার্থীদের বড় অংশই মতুয়া সম্প্রদায়ের – আর ওই পাঁচ লোকসভা কেন্দ্রের ভোটারদের একটা বড় অংশই মতুয়া। বিজেপির দাবি, এই নাগরিকত্ব বিলের ফলে পশ্চিমবঙ্গের ১ কোটি উদ্বাস্তুর সুবিধা হবে, বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীরা নাগরিকত্বের সম্মান পাবেন। কিন্তু, এই নিয়ে বিরোধীদের ‘অপপ্রচারে’ কার্যত শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন ওই ভোটাররা। আর তাই মতুয়া মহাসংঘের প্রধান কার্যালয় ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দিয়ে একটি বড়সড় জনসভা করানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

গেরুয়া শিবিরের শীর্ষনেতারা চান প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং এসে জানান নাগরিকত্ব বিল এনে আখেরে তিনি মতুয়া সম্প্রদায়ের হিত করতে চাইছেন। আর বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বনগাঁয় যদি প্রধানমন্ত্রীর সভা হয়, তাহলে নাগরিকত্ব বিল নিয়ে গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতেই বিজেপির তরফে একটা বিরাট বার্তা যাবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। আর তাই, নাগরিকত্ব বিলকে প্রচারে এনে লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের ১ কোটি উদ্বাস্তু ভোট ব্যাঙ্কে বড়সড় থাবা বসাতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বড়সড় পরিকল্পনা ছকে ফেলেছে গেরুয়া শিবির।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!