এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > হিমন্তই মুশকিল আসান, মেঘালয়েও বিজেপি সরকার, উঠল টাকা ছড়ানোর অভিযোগ

হিমন্তই মুশকিল আসান, মেঘালয়েও বিজেপি সরকার, উঠল টাকা ছড়ানোর অভিযোগ

যে দল টাকা খরচ করবে তারাই সরকার গড়বে, আমাদের টাকা ছিল না তাই সরকার গড়তে পারিনি, হিমন্ত বরাবরের দুর্নীতিগ্রস্ত – নেডা জোটের মুখ্য আহ্বায়ক তথা অসমের অর্থ মন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করলেন অসমের প্রাক্তন মুখমন্ত্রী তরুণ গগৈ। জানা গেছে ত্রিপুরায় বামেদের হারানোর ১২ ঘন্টার মধ্যে হিমন্ত ও অমিত শাহ জয় করলো মেঘালয়। এখন কেবলমাত্র উত্তর-পূর্বের মিজোরামেই টিকে রইলো কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে কংগ্রেসে থাকাকালীন হিমন্ত রাজ্যসভা ভোটের আগে বিজেপি ও আইইউডিএফের দুই জন প্রার্থীকে কংগ্রেসের হয়ে জেতান। এরপর ২০১৬ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবার সময় নিজের সাথে আরও ১০ জন বিধায়ককে নিয়ে দল ছাড়েন। মনিপুরে ১৫ বছরের কংগ্রেস শাসনের পর হিমন্তের জোট গঠন ও সুনীল দেওধরের মতো নেতার সাথে মিলিত হয়ে প্রচারের ফল স্বরূপ সব সাফল্যই আসে হিমন্তের দিকে।

অন্যদিকে দেশজোড়া নির্বাচনী ধাক্কার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নাগাল্যান্ডে পর পর তিন বার নির্বাচনে ২৩, ৮ ও শুন্য আসন মিললেও সতর্ক হয়নি কংগ্রেস। এরপর কমলনাথ, আহমেদ প্যাটেলের মতো তাবড় তাবড় ৪ জন নেতাকে শিলংয়ে পাঠালেও মেঘালয় রাজ্য রক্ষা করতে পারলো না কংগ্রেস। জানা গেছে ,হিমন্তের বিরুদ্ধে ঘোড়া কেনা বেচার অভিযোগ এনেছে হতাশ কংগ্রেস, কিন্তু পাল্টা কংগ্রেসের বিরুদ্ধেই সেই অভিযোগে সরব হয়েছেন তিনি। ঘোড়া কেনাবেচা করলে কংগ্রেস করবে, ওদের চার জন বাঘা নেতা ঘাঁটি গেড়েছিলেন মেঘালয়ে, আমি ওঁদের সামনে ইঁদুর, অবশ্য আমি ভূমিপুত্র। রাজ্যপাল কংগ্রেসকে চা খেতে ডাকুন আপত্তি নেই, কিন্তু সরকার আমরাই গড়ছি, ওই নেতারা কাল সকালেই দিল্লি ফিরে যান। জনাদেশ মেনে বিরোধী আসনে বসার প্রস্তুতি নিক কংগ্রেস – কংগ্রেসের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে এমনটাই মন্তব্য করেছেন হিমন্ত। অর্থাৎ উত্তর-পূর্ব ভারতের চাণক্য হিসাবে সুবিদিত হিমন্ত বিশ্বশর্মা বিজেপিতে গিয়ে তাঁর মত করে পালন করতে আবারো সক্ষম। তাঁর হাত ধরে আগেই অসাধ্যসাধন করে এসেছিল আসাম, আর ২০১৯ এর আগে উত্তর-পুবের এই বৃহত্তর নির্বাচনে তিনে তিন করে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহকে আবারো স্বস্তি দিলেন তিনি।

Top
error: Content is protected !!