এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বিজেপির গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব এবার প্রকাশ্যে, কার্যালয়ের সামনে অনশনে কর্মীরা

বিজেপির গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব এবার প্রকাশ্যে, কার্যালয়ের সামনে অনশনে কর্মীরা

বিজেপির অন্দরে যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব শুরু হয়ে গেছে তা প্রকাশ্যে স্বীকার করছিলেন না কেউই। কিন্তু ঘটনার পরম্পরা বলছিলো গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয়ে গেছে আর এই নিয়ে চিন্তিত ছিল মুরলিধর লেন।

এবার সেই চিন্তা হাজার গুন্ বাড়িয়ে দিলো বিজেপির কিষাণ মোর্চার কর্মীরা। জানা গেছে যে, বিজেপির বীরভূম জেলার কিষাণ মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি শান্তনু মন্ডলকে পুনর্বহালের দাবিতে জেলা কার্যালয়ের সামনে অনশনে বসল বিজেপির কিষাণ মোর্চার কর্মীরা। শুধু এতেই কাহঁত হননি তাঁরা সাথে হুমকিও দিয়েছেন যে, অনশন করে যদি দাবি আদায় না হয় তবে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নেবেন তাঁরা।

জানা যাচ্ছে যে, আজ প্যান্ডেল খাটিয়ে ২৭ জন কিষাণ মোর্চার সমর্থক বীরভূমের সিউড়িতে জেলা কার্যালয়ের সামনে অনশনে বসলেন কিষাণ মোর্চার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক বিকাশ আচার্য্যর নেতৃত্বে। এদিন তাঁরা বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন বর্তমান জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় এর বিরুদ্ধে। .
তাঁদের অভিযোগ যে, রামকৃষ্ণ রায় একনায়কতন্ত্র ভাবে দল চালাচ্ছেন এবং তিনি দলের কারোর সাথে আলোচনা না করে কিষাণ মোর্চা সভাপতিকে পদ থেকে শান্তনু মন্ডলকে সরিয়ে দিয়েছেন।

 

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এই নিয়ে কিষাণ মোর্চার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক বিকাশ আচার্য বলেন, ‘আমাদের সভাপতি শান্তনু মন্ডলকে জোর করে পদ থেকে সরানো হয়েছে। বিজেপির বর্তমান জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় একনায়কতন্ত্র ভাবে দল চালাচ্ছেন যেটা আমরা মানবো না। আমরা অনশনে বসেছি যদি তাতে কাজ না হয় তাহলে কেরোসিন তেল ঢেলে আমরা আত্মঘাতী হব।’

এদিকে বীরভূম জেলার সাধারণ সম্পাদক কালোসোনা মন্ডল আবার অন্য কথা বলছেন। তিনি জানান যে, অনশনে বসা কর্মীদের বিজেপির সাথে কোনও যোগ নেই। কিন্তু দেখা যাচ্ছে শান্তনু মন্ডল ও সমর্থকরা বিজেপির পতাকা নিয়েই অনশন শুরু করেছেন।

এখনো রাজ্যে তেমনভাবে সাফল্য পায়নি বিজেপি, সংগঠনের তেমন জোর নেই, সামনেই ২০১৯ এর লোকসভা ভোট আর বঙ্গ বিজেপির অগ্নিপরীক্ষা। তাই এই গোসিকন্দল বিজেপির ভাবমূর্তি যে কিছুটা হলেও খারাপ করবে তা নিয়ে নিশ্চিত রাজনৈতিকমহল। এখন এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মিটিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতিকে কিভাবে ২২ টি আসন উপহার দে বঙ্গ বিজেপি তাই দেখার।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!