এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দলীয় নেতাদের উপর হামলার প্রতিবাদে হাওড়া-হুগলিতেও গেরুয়া শিবির নিজেদের ক্ষমতা দেখিয়ে দিল

দলীয় নেতাদের উপর হামলার প্রতিবাদে হাওড়া-হুগলিতেও গেরুয়া শিবির নিজেদের ক্ষমতা দেখিয়ে দিল


লোকসভা ভোটে বিজেপি বাংলায় তাদের কতটা প্রভাব রয়েছে, তা প্রমাণ করে দিয়েছে। তবে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর গঙ্গা-যমুনা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। আর এই অবস্থার পরিবর্তনে বিজেপির প্রতি সাধারণ মানুষের সেই সমর্থন রয়েছে কিনা, তা রবিবারের ব্যারাকপুরের গন্ডগোলের পর সোমবার বনধ ও জেলায় জেলায় বিজেপির আন্দোলনেই প্রমাণ হয়ে গেল।

বস্তুত, বিজেপির সংসদ সদস্য অর্জুন সিংয়ের উপর হামলার প্রতিবাদে সোমবার হাওড়া ও হুগলিতে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। এদিন হাওড়ায় পুলিস কমিশনারের অফিসের কাছে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখালেও পুলিস বিজেপি কর্মীদের কমিশনারের অফিস পর্যন্ত পৌঁছতে দেয়নি। আর এই ঘটনা নিয়েই পুলিসের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের তীব্র বচসা শুরু হয়। এদিকে এদিন চুঁচুড়ার পিপুলপাতি থেকে বিজেপি কর্মীরা মিছিল করে ঘড়ি মোড়ে পুলিস কমিশনারের অফিসের সামনে আসার চেষ্টা করলে পুলিসের পক্ষ থেকে ব্যারিকেড দিয়ে দেওয়া হয়।

জানা যায়, প্রথমে সেই ব্যারিকেড টপকে বিজেপি কর্মীরা ঢুকে গেলেও দ্বিতীয় ব্যারিকেডে পুলিস সেই বিজেপি কর্মীদের আটকালে সেই বিজেপি কর্মী ও পুলিসের মধ্যে হাতাহাতি বেধে যায়। পরে বিশাল পুলিস বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে। তবে অর্জুন সিংহের উপর হামলার প্রতিবাদে বিজেপির পক্ষ থেকে যে বনধ ডাকা হয়েছিল ব্যারাকপুরে, তাঁর জেরে চুঁচুড়া থেকে শ্রীরামপুর পর্যন্ত ৯টি জেটিঘাট বন্ধ থাকতে দেখা গেল। যার ফলে এদিন হাজার হাজার যাত্রী সমস্যায় পড়েন।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে ঘাটে থাকা জলসাথীরা জানান, “রবিবার গভীর রাতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বারাকপুর লোকসভা এলাকায় বন্ধের কারণে গোলমাল হতে পারে। তাই সোমবার ফেরি সার্ভিস বন্ধ করে দেওয়া হবে। সেই কারণে এদিন কোনও লঞ্চ চলাচল করেনি।”

কিন্তু প্রতিনিয়ত চুঁচুড়া, চন্দননগরে দুটি, ভদ্রেশ্বর তেলেনিপাড়া, পলতা ঘাট, শেওড়াফুলি ঘাট ও শ্রীরামপুরের দু’টি ঘাট দিয়ে হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করলেও এই ঘাটগুলি বন্ধ থাকায় লোকজন যাতায়াত করতে পারেননি। তবে গতকাল বনধের কারণে ফেরিঘাটে তার প্রভাব পড়লেও আজ ফেরি সার্ভিস স্বাভাবিক থাকবে বলে জানা গেছে।

সব মিলিয়ে একদিকে ব্যারাকপুরে বনধকে যেমন সফল করল বিজেপি, ঠিক তেমনই রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতেও নিজেদের কর্মসূচি সাফল্যের চূড়ান্ত শিখরে নিয়ে গিয়ে তারা প্রমাণ করল শাসকের বিরুদ্ধে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই দিতে তারাও তৈরি।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!