এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হচ্ছে তৃণমূল থেকে আসা এই বিজপির এই হেভিওয়েট নেতাকে, কেন! জেনে নিন

পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হচ্ছে তৃণমূল থেকে আসা এই বিজপির এই হেভিওয়েট নেতাকে, কেন! জেনে নিন

এক সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বস্ত সঙ্গী ছিলেন তিনি। তার চাণক্য বুদ্ধিতেই একের পর এক নির্বাচন বৈতরণী পার করেছে তৃণমূল বলে দাবি বিশ্লেষকদের। আর এহেন মুকুল রায় বেশ কিছুদিন হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্বস্তি বাড়িয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলকে কবে এই রাজ্য থেকে গনতান্ত্রিক ভাবে সরানো যায়, তার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন তিনি।

ইতিমধ্যেই লোকসভা নির্বাচনে তার হাত ধরেই বিজেপি 18 টির মতো আসন পেয়ে তৃণমূলের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে। আর এবার পশ্চিম মেদিনীপুরের জনসভা থেকে সেই তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তিনি পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছেন বলে জানালেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতা মুকুল রায়।

 

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

তিনি বলেন, “আসলে আমি এখন পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছি। তৃণমূল দলটা আমি তৈরি করেছিলাম। যতদিন না এই দলকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পারছি, ততদিন আমার প্রায়শ্চিত্ত হবে না। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল বিরোধী দলের মর্যাদাও পাবে না।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে একসময় তৃণমূলের অঘোষিত নাম্বার টু ছিলেন এই মুকুল রায়। অনেকে তো আবার তৃণমূল অপেক্ষা তৃণমুকুল বলেই বেশি অভিহিত করত। ফলে এহেন মুকুল রায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ার পর রাজ্যের শাসকদলের অস্বস্তি অনেকটাই বেড়েছে। আর এবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে আসার পেছনে তিনি পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছেন বলে উল্লেখ করলেন বঙ্গ রাজনীতির এই চাণক্য।

তবে শুধু মুকুল রায় নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক সময়কার সঙ্গী তথা ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষও এদিনের এই সভা থেকে কাঠমানি ইস্যুতে রাজ্যের শাসক দলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, “সারদা, নারদা, রোজভ্যালি যখন হয় তখন মুখ্যমন্ত্রীর এই কথা মনে হয়নি! এখন 18 টি আসনে হারার পর ওনার মনে হচ্ছে যে ঘুষের টাকা ফেরত দিতে হবে! টাকা ফেরত না দিলে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল নেতাদের সম্পত্তির সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করে দেবে। আর এতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনও বাদ যাবে না।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাটমানি নিয়ে দলীয় নেতাদের হুঁশিয়ারি দিলে তার দলই সব থেকে বেশি বিপাকে পড়েছে। কেননা বর্তমানে তৃণমূলের দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের ঘিরে প্রতিটি জায়গায় প্রবল বিক্ষোভ সংগঠিত হচ্ছে। আর এই ইস্যুকে তুলে ধরে এবার সেই কাঠমানি ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই সরব হতে দেখা গেল তৃণমূল নেত্রীর দুই প্রাক্তন সৈনিককে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!