এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বিজেপিকে সামনে রেখে সিপিএম ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করছে এবার বামদলকে তোপ শুভেন্দুর

বিজেপিকে সামনে রেখে সিপিএম ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করছে এবার বামদলকে তোপ শুভেন্দুর

এদিন বনগাঁর জনসভা থেকেই এক ঢিলে দুই পাখি মারলেন হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বাম-বিজেপিকে একই অস্ত্রে ঘায়েল করলেন তিনি। বললেন,বিজেপিকে সামনে রেখেই সিপিএম ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করছে। বিজেপির মদত নিয়েই বামেরা বাংলায় বিভেদের রাজনীতিকে আরো চাঙ্গা করে তুলছে।

এরপর বামেদের দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গে কটাক্ষ করে বলেন,’আগে যারা লাল জামা পড়ত,তারাই এখন গেরুয়া জামা পড়ে ঘুরছে।’ এরপর বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে কটাক্ষের সুর চড়া করে বললেন,’বিজেপির বেলুন এখন ফুটো হয়ে গিয়েছে।’ শুধু তাই নয় তৃণমূলত্যাগী বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের নামোল্লেখ না করেই আক্রমণ শানিয়ে বললেন,’আমাদের দলের এক গদ্দারকে বিজেপি নিয়ে তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা করেছিল। সেটা সম্ভব নয় তারা সেটা বুঝেছে।’

এদিন বনগাঁ জনসভার উপচে পড়া ভীড়ের সামনেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী। বিভিন্ন জনস্বার্থমুখী প্রকল্পের কথা উল্লেখ করেও কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ দাগতে শুরু করেন তিনি। বলেন বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাশ্রী প্রকল্পের অনুকরণেই মোদী বেটি বাঁচাও,বেটি পড়াও প্রকল্প চালু করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নকল করেছেন বলেও দাবীতে জানান তিনি। একইরকমভাবে জনসভা থেকে বিজেপি বিরোধীতায় সরব হলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বিজেপি প্রস্তাবিত রথযাত্রাকে ‘ফুর্তিযাত্রা’ বলে কটাক্ষ করলেন তিনি। বাংলার মাটিতে বিজেপির কর্মসূচি কোনোদিনও সফল হবে না,এমনটাই দাবীতে জানালেন তিনি।

আসলে,গনতন্ত্র বাঁচাও অভিযানের নামে বিভেদের রাজনীতিকে উস্কে দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে নষ্ট করতে চাইছে বিজেপি,সেটা বুঝতে বাকি নেই রাজ্যবাসীরা। তাই রাজ্যের মানুষ বিজেপির সঙ্গে নেই,এর প্রমাণ বিজেপি পেয়ে যাবে আগামী লোকসভা ভোটেই,এমনটাই বক্তব্য তৃণমূলের এই হেভিওয়েট নেতার। তবে হাইকোর্ট যে বিজেপিকে রথযাত্রার অনুমতি দিয়েছে এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে দেখা গেল না তাকে।

 

অন্যদিকে,দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রীর বার্তা, বিরোধীরা নানা ছলচাতুরি করে সংগঠন ভাঙার চেষ্টা করবে,তাদের দলে টেনে নেওয়ার ষড়যন্ত্র করবে,সেই প্ররোচণা সফল করতে দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি আরো জানালেন,এই এলাকায় বিজেপি অতো শক্তিশালী নয়। এই সুযোগকে কাজ লাগিয়েই দলীয় সংগঠনের শক্তিবৃদ্ধি করার কড়া বার্তা দিলেন তিনি।

 

বিরোধীরা জনসভা করলে তার আগে বা পরেরদিন জনসভা,মিছিল করে তাক লাগিয়ে প্রতিপক্ষদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন তিনি। এছাড়া গতবারের তুলনায় এবারের লোকসভা ভোটে জেলা থেকে লক্ষাধিক বেশি ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসকে জেতানোর লক্ষ্যমাত্রা স্থির করে দিলেন শাসকদলের প্রথম সারির নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এদিনের জনসভায় শুভেন্দু অধিকারী,জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ছাড়া উপস্থিত ছিল শাসকদলের হেভিওয়েট জেলা নেতৃত্বরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!