এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > প্রকাশ্যে পুলিশের গায়ে হাত তুললেন বিজেপি কাউন্সিলার, দুন্ধুমার কান্ড ,অস্বস্তিতে দল

প্রকাশ্যে পুলিশের গায়ে হাত তুললেন বিজেপি কাউন্সিলার, দুন্ধুমার কান্ড ,অস্বস্তিতে দল

যোগীর রাজ্যে ফের বিজেপি নেতার নাম প্রকাশ্যে এল পুলিশ কর্তাকে মারধোরের অভিযোগে। এটাই প্রথম নয়। আগেও একাধিক বার উত্তরপ্রদেশের বিজেপির হেভিওয়েট নেতারা বিতর্কে জড়িয়েছেন বিভ্রান্তিকর মন্তব্য এবং দুর্নীতিমূলক কর্মসূচিতে যোগ থাকার কারণে। লোকসভা ভোটের আগে কোনোরকম অপরাধের সঙ্গে যেন বিজেপির নাম না জড়ায়,এমনটাই সহযোদ্ধাদের কড়া বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এমনকি দফায় দফায় সাবধান করেছেন মুখ্যমন্ত্রী আদিত্য যোগীও। কিন্তু কোনোভাবেই উত্তরপ্রদেশ বিজেপি নেতাদের নাম অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে হটানো যাচ্ছে না। বারবার একইধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে যার জেরে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বিজেপির। তীব্র অস্বস্তিতে গেরুয়াশিবির কর্তারা। এদিন মিরাটের ব্ল্যাক পিপার রেস্তোরাঁয় এক সাব-ইন্সপেক্টককে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল বিজেপি কাউন্সিলর মনীশ পানওয়াল এবং তাঁর এক সহকারীর বিরুদ্ধে।

রেস্তোরাঁর সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র থেকে জানা গিয়েছে,উক্ত রেস্তোরাঁয় এক মহিলা আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে ঢোকেন সাব-ইন্সপেক্টর সুখপাল সিং। মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন পুলিশ অফিসারটি। এদিকে খাবার দিতে দেরি হওয়ায় মেজাজ বিগড়ে যায় ওই মহিলার। রেস্তোরাঁর ওয়েটারদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করেন তিনি। রীতিমতো শাসানি দিতে থাকেন। এরপর রাগে দিশাহারা হয়ে টেবিলে রাখা প্লেট,বাটি ছুঁড়তে শুরু করে। এহেন আচরণ দেখে উচিৎ শিক্ষা দিতে এগিয়ে আসে রেস্তোরাঁয় উপস্থিত বিজেপি কাউন্সিলর মণীশ পানওয়ার এবং তাঁর অনুগামীটি। সঙ্গে সঙ্গেই রেস্তোরাঁর মূল দরজা বন্ধ করে ইন্সপেক্টরটিকে থাপ্পড় মারতে শুরু করেন কাউন্সিলর। মহিলার সঙ্গেও ব্যাপক কথা কাটাকটি এবং উত্তপ্ত বাক্য বিনিয়ম হয় কাউন্সিলরের। এই সিসিটিভি ফুটেজটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিজেপি কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠে যায়। প্রায় ১৭৩৫ জন ট্যুইটার এটা নিয়ে মন্তব্য করেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো  করুন এই লিঙ্কেখবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক

আক্রান্ত ওই পুলিশ আধিকারিক গোটা ঘটনাটা ক্যামেরাবন্দি করার চেষ্টা করলে তাঁর হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় বিজেপি কাউন্সিলর এবং তাঁর সহকারীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জানান ওই আইনজীবী মহিলা। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন গ্রেপ্তার করা হয় কাউন্সিলরকে। দৌরালার সার্কল অফিসার পঙ্কজ সিং এর তরফ থেকে জানা যায়, সুখদেব সিং পানওয়ার আগে মোহিউদ্দিনপুরের থানায় কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তাকে সাব-ইন্সপেক্টরের দায়িত্বে আনা হয়েছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে উক্ত ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকের কোনো অপরাধ রয়েছে কিনা। যদি তাঁর দোষ-ত্রুটি ধরা পরে তাহলে নিস্তার পাবেন না তিনিও। উক্ত ঘটনায় মুখ খুলতে চাইলেন না মীরাটের বিজেপি সভাপতি মুকেশ সিংহল। তিনি ঘটনার সময় লখনউতে ছিলেন না। তাই এ বিষয়ে কিছু জানেন না। এমনটাই দায়সারা প্রতিক্রিয়া দিলেন তিনি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!