এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > অনুপ্রবেশকারীরা কিভাবে তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক বাড়াচ্ছে তা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

অনুপ্রবেশকারীরা কিভাবে তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক বাড়াচ্ছে তা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস অনুপ্রবেশকারীদের সহযোগিতা করছে বলে দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে ওঠা বিজেপির পক্ষ থেকে নানা অভিযোগ করা হচ্ছিল। এমনকি এই ব্যাপারে এর আগে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হতেও দেখা গিয়েছিল বিজেপির শীর্ষ নেতা নেত্রীদের। আর এবার লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে ফের এই ব্যাপারে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন বিজেপি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। সূত্রের খবর, শনিবার ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংয়ের সমর্থনে টিটাগর থানার মাতারাঙ্গী এলাকায় রোড শো করেন বিজেপির এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

আর সেখানেই, ‘অনুপ্রবেশকারীদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস’, বলে অভিযোগ করে কিরেন রিজিজু বলেন, “বাংলার মানুষ ৩৪ বছর ধরে চলা সিপিএম সরকারের অবসান ঘটিয়েছে। তৃণমূল আসার পর বাংলা জুড়ে অপশাসন চলছে, এখানকার মানুষ পরিবর্তন চাইছে – এবার পরিবর্তন হবে। সারা দেশ মোদির সঙ্গে রয়েছে, সেখানে বাংলা পিছিয়ে থাকবে কেন?” এদিকে বাংলায় শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন না হওয়া নিয়েও এদিন তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন কিরেন রিজিজু।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

তিনি বলেন, “তৃণমূল জমানায় বাংলায় গুন্ডারাজ চলছে। সাধারণ মানুষকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দিকে দিকে বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনে সমস্ত বিষয়টি আমরা জানিয়েছি।” পাশাপাশি দুই বাংলাদেশী অভিনেতা তৃণমূলের প্রচারে অংশ নেওয়ায় যে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আমার বন্ধু দেশ, সেই দেশের সকলকে এদেশে স্বাগত। কিন্তু, ভিসা নিয়ে যে কাজের জন্য তাঁরা এদেশে এসেছিলেন, তা না করে কোনও রাজনৈতিক দলের প্রচার করা ঠিক হয়নি। ফলে, তাঁরা নিয়মভঙ্গ করেছেন – তার জন্য যে আইন রয়েছে তা পালন করতে বলা হয়েছে।

একইসাথে তিনি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, অনুপ্রবেশকারীদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে এই রাজ্যে তৃণমূল নিজেদের ভোট ব্যাঙ্ক তৈরি করেছে। আমরা এসে তা ঠিক করব। প্রসঙ্গত, এবারের লোকসভা নির্বাচনে এনআরসি একটি বড় ইস্যু – আসামে এনআরসি প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় তা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই বড়সড় প্রতিবাদ জানিয়েছে। তৃণমূলের বক্তব্য, এনআরসির নামে বিজেপি কার্যত ‘বাঙালি খেদাও’ অভিযান করছে। অপরপক্ষে, বিজেপির বক্তব্য, এনআরসির মাধ্যমে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদেরই শুধুমাত্র সনাক্ত করা হচ্ছে। এমনকি ক্ষমতায় এলে বাংলাতেও এনআরসি করা হবে বলেও বিজেপি জানিয়েছে। আর তাই ‘অনুপ্রবেশকারীরা’ তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক বাড়াচ্ছে বলে তৃণমূলের উপর নির্বাচনের মধ্যে নতুন চাপ তৈরির চেষ্টা করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!