এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > হেভিওয়েট মহিলা বিজেপি প্রার্থীর ঘরে ঢুকে ভেঙ্গেচুরে তছনছ করে দিল দুষ্কৃতীরা

হেভিওয়েট মহিলা বিজেপি প্রার্থীর ঘরে ঢুকে ভেঙ্গেচুরে তছনছ করে দিল দুষ্কৃতীরা

ভোটের পারদ ক্রমশ চড়ছে বাংলায় – বিশেষ করে প্রথম দুদফার নির্বাচন মেটার পর তা যেন আরও বহুগুন বেড়ে গেছে। শুরু হয়ে গেল রাজনৈতিক হানাহানি – নির্বাচনের দিন বুথ দখল বা গুলি-বোমা চলার মত ঘটনায় ‘চোখ সয়ে’ গেছে বঙ্গবাসীর। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অপরাধে বিরোধী দলের মহিলা প্রার্থীর ঘরে ঢুকে সব ভেঙে তছনছ করে দেওয়া – কার্যত নজিরবিহীন বঙ্গ রাজনীতিতে। আর এবার সেটাও ঘটে গেল বিজেপির হেভিওয়েট মহিলা প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে।

দুষ্কৃতীরা ঘরে ঢুকে ভাংচুর চালানোর পর ধ্বংসস্তূপের মাঝে দাঁড়িয়ে বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি।

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে লকেটদেবীকে বিজেপি হুগলি লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে। আর তাই নির্বাচনী কাজে সুবিধার জন্য তিনি ব্যান্ডেলের লিচুবাগানে এক দলীয় কর্মীর বাড়ির দোতলায় আছেন। আজ, সেই বাড়ির একতলায় তো বটেই এমনকি দোতলায় যেখানে লকেটদেবী আছেন, সেখানে ঢুকেও রীতিমত ভাংচুর চালিয়ে সবকিছু তছনছ করে দেয় একদল দুষ্কৃতী। স্থানীয় অধিবাসীদের বক্তব্য, বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফলেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে – কেননা যারা ভাংচুর চালাচ্ছিল তাদের হাতে বিজেপির পতাকাই ছিল।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

অতি উৎসাহী হয়ে অনেকেই বলতে থাকেন, আসলে এবারের লোকসভা নির্বাচনে হুগলি কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিট প্রত্যাশী ছিলেন হুগলি জেলা বিজেপি সভাপতি সুবীর নাগ, কিন্তু তাঁর জায়গায় লকেট চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী করায় চূড়ান্ত ক্ষোভের সৃষ্টি হয় সুবীরবাবুর অনুগামীদের। সেখান থেকেই এই ভাংচুরের ঘটনা। কেননা যারা এই কাণ্ড ঘটিয়েছে তাদের মধ্যে সুবীর নাগের অত্যন্ত কাছের বলে পরিচিত এক অনুগামীকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। অন্য এক দলের বক্তব্য, ‘গরমের অজুহাতে’ আজ নিজের প্রচার অভিযান মাঝপথেই থামিয়ে দেন লকেটদেবী – সেই রাগেই স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা এসে এই ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে।

টিভি-কম্পিউটার থেকে শুরু করে জামাকাপড়-ওষুধ – এমনকি ভাতের থালা! দুষ্কৃতী তান্ডবের হাত থেকে রক্ষা পায় নি কিছুই!

কিন্তু এই প্রসঙ্গে লকেট চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই ঘটনার সব দায় চাপিয়েছেন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের উপর। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ব্যান্ডেলে দলীয় সমর্থকের ওই বাড়িতে তিনি থাকা শুরু করতেই সবসময় বিশেষ করে অনেক রাত পর্যন্ত বেশ কিছু ছেলে সেই বাড়ির সামনে সন্দেহজনকভাবে জমায়েত করে। তারা কেউই বিজেপির কর্মী সমর্থক নন, তাদেরকে পাল্টা প্রশ্ন করলে বা কথা বলতে গেলেই তারা পালিয়ে যায়! গতকাল রাত্রেও সেই সব জমায়েতকারীরা ওই বাড়ির আশেপাশের সব ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে দেয় – তাদের ছবি তুলতে গেলে, তারা পালিয়ে যায়। লকেটদেবীর স্পষ্ট অভিযোগ এই সব ‘তৃণমূলের’ ছেলেরাই হাতে বিজেপির পতাকা নিয়ে ঘরে ঢুকে এইভাবে আক্রমন চালিয়েছে – এর সঙ্গে সুবীর নাগের অনুগামী তো দূরের কথা, কোনো বিজেপি কর্মী সমর্থকই জড়িত নন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!